img

ওমানে সড়ক দুর্ঘটনায় চট্টগ্রামের একই পরিবারের ৪ ভাই নিহত

প্রকাশিত :  ০৫:২৫, ১৪ মে ২০২৬

ওমানে সড়ক দুর্ঘটনায় চট্টগ্রামের একই পরিবারের ৪ ভাই নিহত

চট্টগ্রাম জেলার রাঙ্গুনিয়া উপজেলাস্থ ওমান প্রবাসী চার ভাইয়ের লাশ উদ্ধার হয়েছে একটি গাড়ির ভেতর থেকে। ধারণা করা হচ্ছে, ওমানের মুলাদ্দা নামক এলাকায় বুধবার (১৩ মে) গাড়ির এসির বিষাক্ত গ্যাস নির্গত হয়ে তাদের মৃত্যু হয়েছে।

তাদের মৃত্যুর বিষয়টি ওমানে বাংলাদেশ দূতাবাস নিশ্চিত করেছে। নিহতরা হলেন- চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার লালানগর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বন্দারাজারপাড়া এলাকার বাসিন্দা মো. রাশেদ, মো. শাহেদ, মো. সিরাজ ও মো. শহিদ। তারা আবদুল মজিদের ছেলে এবং চারজনই ওমানে কর্মরত ছিলেন।

পরিবারের সূত্রে জানা যায়, ওই পরিবারের পাঁচ ভাইয়ের মধ্যে চার ভাই ওমান প্রবাসী ছিলেন। তাদের মধ্যে দুই ভাই অবিবাহিত ছিলেন এবং আগামী ১৫ মে তাদের দেশে ফেরার কথা ছিল। দেশে ফেরার উদ্দেশ্যে তারা কেনাকাটা করতে বের হয়েছিলেন। কেনাকাটা শেষে ফেরার পথে এই ঘটনা ঘটে।

ওমান পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, দীর্ঘ সময় গাড়ি চালু অবস্থায় থাকায় এসি থেকে নির্গত বিষাক্ত গ্যাসের কারণে তাদের মৃত্যু হতে পারে। তবে এটি দুর্ঘটনা নাকি অন্য কোনো কারণ, তা নিশ্চিত হতে ময়নাতদন্ত ও মেডিকেল রিপোর্টের অপেক্ষায় রয়েছে পুলিশ।

এ ঘটনায় রাঙ্গুনিয়ার বন্দারাজারপাড়ায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। একসঙ্গে একই পরিবারের চার ভাইয়ের মৃত্যুর খবরে স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে পুরো এলাকা। 


বাংলাদেশ এর আরও খবর

img

৭ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে না ফেরার দেশে শিশু রেশমি

প্রকাশিত :  ০৯:০৩, ১৪ মে ২০২৬

চট্টগ্রাম নগরের বায়েজিদ বোস্তামী এলাকার রউফাবাদ কলোনিতে গোলাগুলির ঘটনায় গুরুতর আহত হওয়া ১১ বছর বয়সী রেশমী আক্তার আর বাঁচল না। ৭ দিন মৃত্যুর সাথে লড়াই করে বৃহস্পতিবার সকাল পৌনে ১০টার দিকে মারা যায় সে। 

বিষয়টি সমকালকে নিশ্চিত করেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (চমেক) পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. তসলিম উদ্দিন। প্রায় এক সপ্তাহ ধরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের আইসিইউতে লাইফ সাপোর্টে ছিল সে।

চট্টগ্রাম নগরের বায়েজিদ থানার রৌফাবাদ কলোনির শহীদ মিনার গলি এলাকায় গত বৃহস্পতিবার রাতে ১১টার দিকে মায়ের জন্য পান আনতে যায় রেশমি আক্তার। ঘর থেকে বের হতে না হতেই গুলির শব্দ পান বাসিন্দারা। সেসময় সন্ত্রাসীদের দুই পক্ষের মধ্যে চলছিল গোলাগুলি। একপর্যায়ে ওই রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাওয়ার পথে সন্ত্রাসীদের ছোড়া একটি বুলেট এসে পড়ে রেশমির চোখে। এতে রাস্তায় পড়ে যায় সে। গোলাগুলি বন্ধ হলে মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া যাওয়া হয়। তখন রেশমির মাথা দিয়ে প্রচন্ড রক্ত ঝরতে থাকে। জ্ঞানহীন অবস্থায় প্রথমে একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাকে ভর্তি করা হয়। অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় পরদিন শুক্রবার সন্ধ্যায় তাকে চমেক হাসপাতালের আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়।