img

কেইনকে কালো জাদু থেকে মুক্ত করে ঘানার তান্ত্রিক বললেন, ‘পরের ম্যাচেই সে গোল পাবে’

প্রকাশিত :  ০৯:৪৩, ২৭ জুন ২০২৬

কেইনকে কালো জাদু থেকে মুক্ত করে ঘানার তান্ত্রিক বললেন, ‘পরের ম্যাচেই সে গোল পাবে’
হ্যারি কেইন ফর্মের তুঙ্গে থেকে বিশ্বকাপে খেলতে নেমেছেন । ইংল্যান্ডের অধিনায়ক প্রথম ম্যাচে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে জোড়া গোলও করেছেন।
 
কিন্তু দ্বিতীয় ম্যাচে ঘানার বিপক্ষে কেইন ছিলেন একেবারেই নিষ্প্রভ। পুরো ম্যাচে তিনি বলার মতো কোনো সুযোগ সৃষ্টি করতে পারেননি। যে একটি সুযোগ পেয়েছিলেন, সেই শটেও বল ক্রসবারের ওপর দিয়ে উড়িয়ে মারেন।

কেইনের হঠাৎ ছন্দ হারানোর কারণ হিসেবে তার ওপর কালো জাদু করার দাবি করেছিলেন ঘানার আলোচিত আধ্যাত্মিক সাধক ও তান্ত্রিক নানা কওয়াসু বোনসাম।
 
তবে ঘানার বিপক্ষে ইংল্যান্ড গোলশূন্য ড্র করার পর কেইনের ওপর থেকে নাকি সব ধরনের অভিশাপ তুলে নিয়েছেন বোনসাম। আজ রাতে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে পানামার বিপক্ষে কেইন গোল পাবেন বলেও দাবি তার।
বোনসাম বলেছেন, ‘আমি বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী আধ্যাত্মিক সাধক। এখন আমি হ্যারি কেইনকে মুক্ত করে দিচ্ছি যেন ইংল্যান্ডের পরবর্তী ম্যাচে সে গোল করতে পারে।

বোনসাম আরো বলেছেন, ‘হ্যারি কেইন আমার শত্রু নয়। আমি ওর বড় কোনো ক্ষতি করিনি। শুধু আমার দেশের (ঘানা) উপকার করতে চেয়েছি। আমার একটি পুত্রসন্তান আছে। আমি ওর নাম রাখব হ্যারি কেইন।
কারণ, আমি কেইনের খেলা অনেক আগে থেকেই ভালোবাসি।’

২০১৪ বিশ্বকাপের আগে হাঁটুতে চোট পেয়েছিলেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। তার জাদুটোনার কারণেই রোনালদো চোটে পড়েছিলেন—সেই সময় এমন দাবি করে আলোচনার জন্ম দিয়েছিলেন জাদুকর নানা কওয়াসু বোনসাম।

খুলনাকে হারিয়ে প্রথম জয়ের স্বাদ নিল সিলেট

img

মুসলিম ফুটবলারদের সম্মানে ফিফার নতুন নিয়ম

প্রকাশিত :  ১৩:৫১, ২৭ জুন ২০২৬

ফুটবলে অ্যালকোহল স্পন্সরশিপ নিয়ে বিতর্ক অবশ্য নতুন নয়। ২০১৮ রাশিয়া বিশ্বকাপে মিসরের গোলরক্ষক মোহাম্মদ এল-শেনাওয়ি ধর্মীয় বিশ্বাসের কারণে অ্যালকোহল ব্র্যান্ড-সম্পৃক্ত ম্যাচসেরার পুরস্কার গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানান।

যে কারণে এবারের বিশ্বকাপে মুসলিম ফুটবলারদের জন্য বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রণ সংস্থা (ফিফা)। এই পরিবর্তন আসলে আনা হয়েছে ম্যান অফ দ্য ম্যাচ পুরস্কার দেওয়ার সময়।

এবারের বিশ্বকাপে অনলাইনে ভোট দিয়ে সমর্থকরাই প্লেয়ার অফ দ্য ম্যাচ নির্বাচন করছেন। এই পুরস্কার দেওয়াতে ফিফাকে সহায়তা করছে মাইকেল আলট্রা নামে একটি ব্র্যান্ড।

সাধারণত, ম্যাচ সেরার পুরস্কার নেওয়ার সময় পুরস্কারজয়ী ফুটবলার ট্রফি হাতে স্পন্সরের নামের ব্যাকড্রপের সামনে দাঁড়িয়ে ছবি তোলেন। তাদের ট্রফিতেও থাকে স্পন্সরের নাম। পরে সেই ছবি ফিফা নিজেদের সমাজমাধ্যমে আপলোড করে।

এবার একটি ছোট্ট পরিবর্তন আনা হয়েছে- এই পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান নিয়ে। এর পেছনে রয়েছে একটি ধর্মীয় কারণ। এ জন্যই ফিফা মূলত মুসলিম প্লেয়ারদের জন্য এই পরিবর্তন করেছে। যেহেতু এই ব্র্যান্ড একটি মাদক ব্র্যান্ড এবং ইসলাম ধর্মে মদ্যপান নিষিদ্ধ, তাই এই পরিবর্তন ফিফার। 

মুসলিম প্রধান দেশে মদপান নিয়ে কড়া আইন রয়েছে। তাই কোনও মুসলিম ফুটবলার যদি ম্যাচের সেরা হন, তার পুরস্কারের ব্যাকড্রপ থেকে ওই কোম্পানির নাম সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

ইতিমধ্যেই এই নিয়ম প্রয়োগ হয়েছে কানাডার ইসমাইল কোনে, কাতারের মাহমুদ আবুনাদা, ইসমাইল সাইবাড়িদের উপর। মুসলিম ফুটবলরদের পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে কোম্পানির নাম দেখানোর পরিবর্তে ব্যাকড্রপে শুধু লেখা Superior player of the match ও তার সঙ্গে ফিফা বিশ্বকাপের লোগো রাখা হচ্ছে। ট্রফির নকশা একই থাকছে। সরে যাচ্ছে মদ কোম্পানির নাম।

২০২২ সালে কিলিয়ান এমবাপ্পে ম্যাচের সেরা হওয়ার পর এই পুরস্কারে মদ প্রস্তুতকারক সংস্থার লোগোতে হাত দিয়ে ঢেকে রেখেছিলেন। কারণ, তিনি কোনও মদ বা জুয়া সংস্থার হয়ে কোনও বিজ্ঞাপন প্রচার করবেন না। এমনকি ঘরোয়া ফুটবলেও এখন অনেক নিয়ম বদল হয়েছে। 

এখন ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের পাশাপাশি অনেক ক্ষেত্রেই শ্যাম্পেনের বদলে নন অ্যালকোহলিক শ্যাম্পেন ব্যবহার করা হয়। তবে ফিফার এই নিয়ম ইতিমধ্যেই প্রশংসা পাচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।