img

হান্নান মাসউদের এমপি পদ শূন্য চেয়ে হাইকোর্টে রিট

প্রকাশিত :  ০৭:১২, ১৯ আগষ্ট ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ০৮:১০, ১৯ আগষ্ট ২০২৬

হান্নান মাসউদের এমপি পদ শূন্য চেয়ে হাইকোর্টে রিট

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নোয়াখালী-৬ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মনোনীত আবদুল হান্নান মাসউদের সংসদ সদস্য পদ বাতিল বা শূন্য ঘোষণার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয়েছে। হলফনামায় তথ্য গোপন ও জালিয়াতির অভিযোগ এনে বুধবার (১৯ আগস্ট) নোয়াখালীর হাতিয়ার বাসিন্দা নাজমুল হোসেন এ রিট করেন। 

বুধবার (১৯ আগস্ট) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিট দায়েরের তথ‍্য নিশ্চিত করেছেন আইনজীবী ইব্রাহিম খলিল। 

তিনি জানান, হলফনামা জালিয়াতির অভিযোগ এনে নোয়াখালীর হাতিয়ার বাসিন্দা নাজমুল হোসেন এই রিট করেছেন। 

বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে রিটটি শুনানি হবে বলে জানিয়েছেন রিটকারীর আইনজীবী। 

রিটে হান্নান মাসুদের সংসদ সদস্য পদ শূন্য ঘোষণা করাসহ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ ও তাৎক্ষণিক উদ্যোগ গ্রহণের জন্য আইন মন্ত্রনালয়ের সচিবের মাধ্যমে সরকারের প্রতি নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।


বাংলাদেশ এর আরও খবর

img

বাবা ও প্রেমিকের সহায়তায় পর্নোগ্রাফি তৈরি করতেন সুমাইয়া

প্রকাশিত :  ১১:৪৯, ১৯ আগষ্ট ২০২৬

অনলাইন প্ল্যাটফর্মে পর্নোগ্রাফিক কনটেন্ট তৈরি, প্রচার ও বাণিজ্যিকভাবে বিক্রির অভিযোগে ইনস্টাগ্রাম ইনফ্লুয়েন্সার সুমাইয়া সাঈদ (২৫) ও তার সহযোগী খাজা সাকলাইন ফারুককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। একই মামলায় এ ধরনের কর্মকাণ্ডে সহযোগিতা ও অর্থ গ্রহণের অভিযোগে সুমাইয়ার বাবা মো. আবু সাঈদকেও আসামি করা হয়েছে। 

ডিবি পুলিশের সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (দক্ষিণ) বিভাগের একটি দল সম্প্রতি রাজধানীর বসুন্ধরা ও বাড্ডা এলাকায় পৃথক অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেপ্তার করে।

গোয়েন্দা পুলিশ জানায়, গত ১০ আগস্ট নিয়মিত সাইবার নজরদারির সময় সুমাইয়ার ইনস্টাগ্রাম ও টেলিগ্রাম চ্যানেলে আপত্তিকর কনটেন্ট ও তা বিক্রির প্রচারণা নজরে আসে। তদন্তে দেখা যায়, বিকাশ ও নগদের মতো মোবাইল ব্যাংকিং সেবার মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করে অশ্লীল ছবি ও ভিডিও সরবরাহ করত এই চক্র। এমনকি নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকার বিনিময়ে ‘লাইফটাইম প্যাকেজ’ সুবিধাও দেওয়া হতো, যার মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছিল ৩ হাজার ৫০০ টাকা।

ডিজিটাল নজরদারির মাধ্যমে অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার পর গত ১১ আগস্ট রাতে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালিয়ে প্রথমে সুমাইয়াকে আটক করা হয়। তল্লাশিকালে তার কাছ থেকে একটি আইফোন ১৭ প্রো ম্যাক্স ও একটি ওয়ানপ্লাস মোবাইল ফোন জব্দ করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। পরবর্তীতে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাড্ডার ‘ঢাকা পপুলার ট্রাভেলস’ এলাকায় অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয় সুমাইয়ার প্রধান সহযোগী ও প্রেমিক খাজা সাকলাইন ফারুককে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে প্রাপ্ত তথ্যের বরাতে গোয়েন্দা কর্মকর্তারা জানান, সুমাইয়া ও তার কয়েকজন সহযোগী মিলে সংঘবদ্ধভাবে এই কর্মকাণ্ড চালাতেন। সবচেয়ে উদ্বেগজনক তথ্য হলো, সুমাইয়ার বাবা মো. আবু সাঈদ মেয়ের এসব কার্যকলাপ সম্পর্কে সম্পূর্ণ অবগত ছিলেন। তিনি মেয়েকে বাধা দেওয়ার পরিবর্তে এই অনৈতিক আয়ের ভাগ নিতেন বলে তদন্তে উঠে এসেছে।

এ ঘটনায় রাজধানীর রমনা মডেল থানায় পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর আওতায় একটি মামলা করা হয়েছে। ঘটনার গভীর তদন্ত এবং সংশ্লিষ্ট চক্রের অন্যান্য পলাতক সদস্যদের আইনের আওতায় আনতে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের আদালতে হাজির করে তিন দিনের রিমান্ড আবেদন করেছে পুলিশ।