img

রংপুরে তালাবদ্ধ বাড়ি থেকে একই পরিবারের ৪ জনের লাশ উদ্ধার

প্রকাশিত :  ০৪:৪৯, ২৩ আগষ্ট ২০২৬

রংপুরে তালাবদ্ধ বাড়ি থেকে একই পরিবারের ৪ জনের লাশ উদ্ধার

রংপুর মহানগরের কামাল কাছনা মাছুয়াপাড়া এলাকায় একটি তিনতলা ভবন থেকে রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ একই পরিবারের চারজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (২২ আগস্ট) রাতে ভবনটির তালা ভেঙে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহতদের মধ্যে গণপতি চক্রবর্তীর স্ত্রী ও দুই সন্তানও রয়েছেন।

শনিবার (২২ আগস্ট) রাত সাড়ে ৮টার দিকে তাদের লাশের সন্ধান পান এলাকাবাসী ও পুলিশ।

মৃত চারজন হলেন গণপতি চক্রবর্তী জুয়েল (৬৫), তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী বালা (৫০), মেয়ে প্রার্থী চক্রবর্তী (২৫) এবং ছেলে প্রীয়ম চক্রবর্তী (১২)।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, স্কুলশিক্ষকের বাসাটি বেশ কিছুদিন ধরে বাইরে থেকে তালাবদ্ধ অবস্থায় ছিল। দীর্ঘ সময় কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে এবং ভেতর থেকে দুর্গন্ধ আসায় স্থানীয়দের মনে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ এসে তালা ভেঙে ঘরের ভেতর থেকে চারজনের লাশ উদ্ধার করে।

জানা গেছে, স্কুলশিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী জুয়েল গতবছরের ডিসেম্বরে শিক্ষকতা পেশা থেকে অবসর যান। এরপর তিনি রংপুর সমবায় মার্কেটে একটি হোমিওপ্যাথি চেম্বারে নিয়মিত চিকিৎসাসেবা দিতেন।

পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বা পারিবারিক কোনো ট্র্যাজেডি হতে পারে। তবে মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ ও সময় উদ্ঘাটনের জন্য পুলিশ ও সিআইডির ফরেনসিক টিম ঘটনাস্থলে তদন্ত চালাচ্ছে। লাশগুলো ময়নাতদন্তের জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের৷ কোতয়ালী থানার ওসি নাজমুল কাদের বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশের পাশাপাশি অন্যান্য সংস্থার তদন্ত টিম রয়েছে। আমরা এ ঘটনার কারণ অনুসন্ধানের চেষ্টা করছি।

তদন্তের পর মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।


বাংলাদেশ এর আরও খবর

img

ইয়াবাসহ পল্লবী থানার এএসআই শফিকুল গ্রেফতার

প্রকাশিত :  ১৯:১৫, ২৪ আগষ্ট ২০২৬

মাদক কারবারের অভিযোগে ৫ হাজার ৩১০ পিস ইয়াবাসহ ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) পল্লবী থানার এএসআই মো. শফিকুল ইসলাম (৪৩) ও ওয়াসিম (২৪)কে গ্রেপ্তার করেছে দক্ষিণখান থানা পুলিশ।

রোববার দিনগত রাতে উত্তরা আজমপুর কাঁচাবাজার ও বিসমিল্লাহ পল্লী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে দক্ষিণখান থানার এসআই বখতিয়ার হোসেন যুগান্তরকে জানান, মাদক বিক্রির গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজমপুর কাঁচাবাজার এলাকায় অভিযান চালানো হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর সময় ওয়াসিমকে তল্লাশি করে ৫০ পিস ইয়াবা পাওয়া যায়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একটি ভাড়া বাসায় অভিযান চালিয়ে এএসআই শফিকুলকে ২০০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার করা হয়।

পরে তাদের তথ্যের ভিত্তিতে আজমপুর কাঁচাবাজারের বিসমিল্লাহ পল্লীর ৬৭ নম্বর নূর বিল্ডিংয়ের একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালিয়ে আরও ৫ হাজার ১১০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ নিয়ে মোট ৫ হাজার ৩১০ পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়েছে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দক্ষিণখান থানা এসআই শাহিনুর রহমান যুগান্তরকে বলেন, এ ঘটনায় সোমবার দক্ষিণখান থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে। মামলায় গ্রেফতার দুজন ছাড়াও অজ্ঞাতনামা আরও ২-৩ জনকে আসামি করা হয়েছে। পরে তাদের আদালতে পাঠানো হলে বিচারক কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতাররা দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ইয়াবা এনে দক্ষিণখানসহ আশপাশের এলাকায় বিক্রির কথা স্বীকার করেছেন।

পল্লবী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) এমদাদুল হক যুগান্তরকে বলেন, এএসআই মো. শফিকুল ইসলাম এ থানায় অনিয়মিত হিসাবে দায়িত্বরত ছিলেন। তার গ্রেফতারের বিষয়টি আমরাও শুনেছি। 

বাংলাদেশ এর আরও খবর