img

‘টুকু আসে, টুকু যায়, কতক্ষণ থাকে বোঝা যায় না’

প্রকাশিত :  ১৬:৪৭, ২৭ আগষ্ট ২০২৬

‘টুকু আসে, টুকু যায়, কতক্ষণ থাকে বোঝা যায় না’

জ্বালানি সংকট ও লোডশেডিংয়ের পাশাপাশি দ্রব্যমূল্য নিয়েও সংসদে সরকারের সমালোচনা করেছেন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। গ্যাস-বিদ্যুতের সরবরাহ পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি কটাক্ষ করে বলেন, ‘দুষ্টু লোকে বলে, ভালো লোকে বলে না—টুকু আসে, টুকু যায়। এই আসে, এই যায়। কতক্ষণ থাকে, তারা নাকি বুঝতে পারে না।’ বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) জাতীয় সংসদে ৭১ বিধির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। 

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে ৭১ বিধিতে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

জ্বালানি সংকটের প্রসঙ্গ তুলে রুমিন ফারহানা বলেন, তেলের দাম বাড়ছে, বিদ্যুতের জন্য হাহাকার চলছে, গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না। অথচ নির্বাচনের সময় সরকার এক কোটি নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। সরকার ক্ষমতায় আসার ছয় মাসের মধ্যেই ৬২ হাজার মানুষ চাকরি হারিয়েছেন এবং ৯০০-এর বেশি কলকারখানা বন্ধ হয়ে গেছে বলে দাবি করেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘নতুন কর্মসংস্থান তৈরি হবে? যারা চাকরি করছেন, তাদের চাকরি কতদিন থাকবে, আল্লাহ জানে।’

সরকারের ১৮০ দিনের অগ্রাধিকারের প্রসঙ্গ তুলে স্বতন্ত্র এই সংসদ সদস্য বলেন, এর মধ্যে আইনশৃঙ্খলার উন্নয়ন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ ও জ্বালানি খাতের নিশ্চয়তা অন্যতম। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সমালোচনা করতে গিয়ে তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন।

রুমিন ফারহানা বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে কখনো ব্যঙ্গ করেন, আবার কখনো ‘বাকচাতুর্য’ দিয়ে বিষয়টি আড়াল করার চেষ্টা করেন। সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বললে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির বাস্তব চিত্র বোঝা যায় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

দ্রব্যমূল্য নিয়ে তিনি বলেন, বাজারে ৮০ টাকার নিচে কোনো সবজি পাওয়া যাচ্ছে না। কয়েক দফায় ডিমের দাম বেড়েছে। চালের দামও বেড়েছে, বিশেষ করে মিনিকেট চালের দাম নিয়ে মানুষের ভোগান্তি রয়েছে। দাম দ্বিগুণ হয়ে যাওয়ার পাশাপাশি টিসিবির পণ্য নেওয়ার জন্য মানুষের দীর্ঘ লাইন দেখা যাচ্ছে বলেও সংসদে উল্লেখ করেন তিনি।

জ্বালানি, কর্মসংস্থান ও নিত্যপণ্যের দাম নিয়ে সরকারের প্রতিশ্রুতির সঙ্গে বাস্তব পরিস্থিতির পার্থক্য রয়েছে— এমন বক্তব্যের মধ্য দিয়ে সংসদে সরকারের অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনার সমালোচনা করেন রুমিন ফারহানা।


 


বাংলাদেশ এর আরও খবর

img

কক্সবাজারের উখিয়া পালংখালী সীমান্তে বিজিবির বিশেষ অভিযানে ২ লাখ পিস ইয়াবা জব্দ

প্রকাশিত :  ১৩:৩৯, ২৭ আগষ্ট ২০২৬

ঢাকা: ২৬ আগস্ট ২০২৬: বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার পালংখালী সীমান্তে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ২,০০,০০০ (দুই লাখ) পিস ইয়াবা জব্দ করেছে।

আজ (২৬ আগস্ট) আনুমানিক রাত ০০.১০ টার দিকে নিয়মিত টহল পরিচালনাকালে উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি)-এর অধীনস্থ পালংখালী বিওপির টহলদল অত্যাধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে দায়িত্বপূর্ণ ফারির বিলের গুর্জাখাল রুবেলের ঘের নামক স্থানে কতিপয় ব্যক্তির সন্দেহজনক গতিবিধি লক্ষ্য করে। এ সময় টহলদল দেখতে পায়, মিয়ানমার থেকে ০৬ জন ব্যক্তি পোটলা হাতে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করছে। বিজিবি টহলদল তাদের চ্যালেঞ্জ করলে চোরাকারবারীরা হাতে থাকা পোটলাগুলো ফেলে মিয়ানমারের দিকে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে বিজিবি সদস্যরা ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে ফেলে যাওয়া ০৬টি পোটলার ভেতর থেকে খাকি রঙের নীল রঙের বায়ুরোধী প্যাকেটে মোড়ানো আনুমানিক ২,০০,০০০ (দুই লাখ) পিস ইয়াবা উদ্ধার করে। ঘটনাস্থলে ব্যাপক তল্লাশি চালানো হলেও এ সময় আর কোনো অবৈধ মালামাল পাওয়া যায়নি।

উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ জহিরুল ইসলাম জানান, উদ্ধারকৃত ইয়াবার সঙ্গে জড়িত মাদক সরবরাহকারী ও চোরাকারবারীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে গোয়েন্দা নজরদারি ও তৎপরতা বৃদ্ধি করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, বিজিবি শুধু সীমান্ত পাহারায় নয়, চোরাচালান ও মাদক প্রতিরোধেও দৃঢ় অবস্থানে রয়েছে। সীমান্ত দিয়ে মাদকসহ যেকোনো ধরনের অবৈধ পণ্য প্রবেশ রোধে বিজিবির অভিযান ও গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত থাকবে। -প্রেস বিজ্ঞপ্তি


বাংলাদেশ এর আরও খবর