img

আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক দল নয়, বরং ‘মাফিয়া গ্যাং’: ডা. জাহেদ

প্রকাশিত :  ০৮:৫৯, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক দল নয়, বরং ‘মাফিয়া গ্যাং’: ডা. জাহেদ

আওয়ামী লীগকে রাজনৈতিক দল নয়, বরং ‘মাফিয়া গ্যাং’ হিসেবে অভিহিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ডা. জাহেদ বলেন, ‘আওয়ামী লীগকে রাজনৈতিক দল মনে করি না, এটি একটি মাফিয়া গ্যাং। আওয়ামী লীগ কেন রাজনীতি করতে পারবে না, কেউ কেউ এ আলাপ করার চেষ্টা করে। বাঁধনের সঙ্গে যা হয়েছে, তাতে আবার ভাবতে হবে, আওয়ামী লীগকে রাজনৈতিক দল হিসেবে বিবেচনা করে কোনোভাবে বাংলাদেশের মাটিতে রাজনীতি করতে দেওয়া উচিত হবে কি না। আওয়ামী লীগ যা যা ঘটিয়েছে, তার পরে ন্যূনতম দুঃখবোধ থাকলে কিংবা রাজনীতিতে ফিরে আসার ইচ্ছে থাকলে এ সহিংসতাগুলো করা হতো না।’

বাঁধনের ওপর হামলার বিচার নিয়ে ডা. জাহেদ বলেন, ‘এ ব্যাপারে ওই দেশে আইননানুগ ব্যবস্থা যা নেওয়ার, সরকার তার প্রসেস শুরু হয়েছে। এ ঘটনাকে ছেড়ে দেব না, কোনোভাবেই ছেড়ে দেয়া যাবে না।’  

লোডশেডিং নিয়ে ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, ‘২০২৬ সালের জুন-জুলাইয়ে এভারেজ লোডশেডিং ২০২৩-এর তুলনায় কম ছিল। ঢাকায়ও কিছুটা লোডশেডিং হওয়া উচিত। ঢাকা বড় শহর, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বেশি; সে কারণে একেবারেই লোডশেডিং হবে না, এমনটি ঠিক নয়। ঢাকায় কিছুটা লোডশেডিং হচ্ছে ইদানিং।’ 

সার সংকট নিয়ে তিনি বলেন, ‘এই মুহূর্তে সার আছে ১২ দশমিক ২৯৪ লাখ মেট্রিক টন। গত বছর ছিল সাড়ে ১১ লাখ মেট্রিক টন। মজুতজনিত কোনো সমস্যা নেই, বিতরণে কিছু সমস্যা হয়েছে।’ 

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে তিনি জানান, মানুষের জীবন নিরাপদ রাখতে রুটিন কাজ করে যাচ্ছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। অস্ত্র উদ্ধারের কাজও ঠিকঠাকভাবে করছে মন্ত্রণালয়।

গ্যাংস সংকট নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘বাংলাদেশ চাইলেও অনেক বেশি এলএনজি আমদানি করতে পারে না। কারণ, এফএসআরও-এর সক্ষমতা নেই। চীনের কাছে জরুরি ভিত্তিতে এফএসআরও-এর অর্ডার দেওয়া হয়েছে, যেটি দেড় বছরের মধ্যে আসবে। খরচের চেয়ে আপৎকালীন দিকটি বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকার বেশিদিন না থাকলেও ভবিষ্যতের চিন্তা করা উচিত ছিল তাদের। স্থলভাগের গ্যাস, এফএসআরইউ নিয়ে পদক্ষেপ নেয়নি।’  

জাতীয় এর আরও খবর

img

তথ্য গোপন করে একাধিক রিট, আইনজীবী ও রিটকারীকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা

প্রকাশিত :  ০৮:১৫, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ০৮:৫৪, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নিকাহ রেজিস্ট্রার নিয়োগ নিয়ে একই বিষয়ে হাইকোর্ট বিভাগে একাধিক রিট মামলা করে তথ্য গোপন ও আদালতকে বিভ্রান্ত করার অভিযোগে রিটকারী মোহাম্মদ নুর আলম এবং তার আইনজীবী সুফিয়া আহামেদকে মোট ১০ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন আপিল বিভাগ।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন পূর্ণাঙ্গ আপিল বেঞ্চ নিকাহ রেজিস্ট্রার নিয়োগ সংক্রান্ত মামলার শুনানি শেষে এই আদেশ দেন।

আদালতে রিটকারী নুর আলমের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী এএম মাহাবুব উদ্দিন খোকন। অন্যদিকে নিকাহ রেজিস্ট্রার মিজানুর রহমান মুরাদের পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন সিনিয়র আইনজীবী অনিক আর হক, সিনিয়র আইনজীবী মো. শিশির মনির এবং আইনজীবী অমিত দাশ গুপ্ত।

শুনানিতে একই বিষয়ে একাধিক রিট দায়েরের পাশাপাশি আদালতের কাছে তথ্য গোপনের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে উত্থাপিত হয়। এর ভিত্তিতে রিটকারী ও তার আইনজীবীর বিরুদ্ধে জরিমানার আদেশ দেন আদালত।

আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, নুর আলম ও সুফিয়া আহামেদকে পৃথকভাবে ৫ লাখ টাকা করে মোট ১০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। আগামী ৩০ দিনের মধ্যে এই অর্থ ঢাকা শিশু হাসপাতালে জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, যাত্রাবাড়ী থানার ৬৫ নম্বর ওয়ার্ডের নিকাহ রেজিস্ট্রার মিজানুর রহমান মুরাদের নিয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্ট বিভাগে একাধিক রিট মামলা দায়ের করেন মোহাম্মদ নুর আলম। এসব মামলা দায়েরের সময় পূর্ববর্তী মামলার তথ্য গোপন করার অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে, যার ফলে আদালত এই জরিমানার দণ্ড দেয়।

জাতীয় এর আরও খবর