img

বানিয়াচংয়ে মাদ্রাসায় গিয়ে আর বাড়ি ফিরেনি মিম, ১০ দিন ধরে নিখোঁজ

প্রকাশিত :  ০৮:০৪, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বানিয়াচংয়ে মাদ্রাসায় গিয়ে আর বাড়ি ফিরেনি মিম, ১০ দিন ধরে নিখোঁজ

হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচংয়ে নিখোঁজের ১০ দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছে ফাবিয়া তাবাসসুম মীম (১০) নামে এক মাদরাসা ছাত্রী। মেয়েকে না পেয়ে চরম উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে পরিবার।

নিখোঁজ মীম বানিয়াচং উপজেলার ১ নম্বর উত্তর-পূর্ব ইউনিয়নের চতুরঙ্গ রায়ের পাড়া এলাকার খোয়াজ আলী মিয়ার মেয়ে। সে স্থানীয় দারুল হিকমাহ তালীমুল কুরআন একাডেমির তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ১৭ সেপ্টেম্বর সহপাঠীদের সঙ্গে মাদরাসায় যায় মীম। মাদরাসার ছুটির পর অন্য শিক্ষার্থীরা বাড়ি ফিরলেও মীম আর বাড়িতে ফেরেনি। পরে পরিবারের লোকজন মাদরাসায় গিয়ে তার বই-খাতা ও ব্যাগ পড়ে থাকতে দেখেন। কিন্তু মীমের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে বানিয়াচং থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। এরপর আত্মীয়-স্বজনের বাড়িসহ সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করা হয়। স্থানীয়ভাবেও মাইকিং করা হয়। মীমের সন্ধানের দাবিতে স্থানীয়রা মানববন্ধনও করেন।

তবে নিখোঁজের ১০ দিন পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত মীমের সন্ধান না পাওয়ায় পরিবারের পাশাপাশি স্থানীয়দের মধ্যেও উদ্বেগ বাড়ছে। স্বজনদের দাবি, মীমকে দ্রুত খুঁজে বের করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা আরও জোরদার করা হোক।

বানিয়াচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ নাজমুল হক জানান, মীম নিখোঁজের ঘটনায় থানায় জিডি হওয়ার পর থেকেই পুলিশ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে। তাকে উদ্ধারে সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় তদন্ত ও অনুসন্ধান কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। মীমকে উদ্ধারে পুলিশের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

সিলেটের খবর এর আরও খবর

img

ঢাকার বিমানবন্দর থেকে জগন্নাথপুরের প্রবাসফেরত সুজন নিখোঁজ

প্রকাশিত :  ০৮:০৬, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

এমডি সুজন (৩০) ওমান থেকে দেশের মাটিতে পা রেখেছিলেন যুবক। কিন্তু ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বের হওয়ার পর থেকেই নিখোঁজ রয়েছেন তিনি।

নিখোঁজ ওই প্রবাসীর গ্রামের বাড়ি সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার চিলাউড়া হলদিপুর ইউনিয়নের বাউধরন গ্রামে। স্বজনরা জানিয়েছেন, ওই প্রবাসী মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। ফলে উদ্বেগ আর উৎকষ্ঠায় দিন কাটছে পরিবারের লোকজনের।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, প্রায় তিন বছর পর গত ২০ সেপ্টেম্বর ওমানের মাসকাট থেকে ওমান এয়ারের ‘WY-497’ ফ্লাইটে বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে রওনা হন সুজন। তাঁকে গ্রামেরবাড়িতে নিতে আসতে পরিবারের সদস্যরা ঢাকা বিমানবন্দরে অপেক্ষা করছিলেন। কিন্তু নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও সুজনকে দেখতে না পেয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েন স্বজনরা। অনেকক্ষণ অপেক্ষার পর স্বজনরা বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ ও সিসিটিভির ফুটেজ পরীক্ষা করে নিশ্চিত হন যে, সুজন বিমানবন্দর থেকে বাইরে বের হয়েছেন। কিন্তু টার্মিনাল থেকে বের হওয়ার পর থেকেই তিনি নিখোঁজ রয়েছেন। তাঁর সঙ্গে থাকা মোবাইলে বিদেশি নম্বর থাকায় নেটওয়ার্ট মিলছে না।

সুজনের নিখোঁজ হওয়ার পর ঢাকার বিভিন্ন স্থানসহ সম্ভাব্য আত্মীয় স্বজনদের বাড়িতে খোঁজাখুঁজি করেও কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে নিখোঁজ সুজনের ভগ্নিপতি পলাশ মিয়া বলেন, সিসিটিভি ফুটেজে সুজনকে সুস্থ অবস্থায় বিমানবন্দর থেকে বের হতে দেখা গেছে। কিন্তু বের হওয়ার পরই সে কোথায় হারিয়ে গেল আমরা বুঝতে পারছি না। তাঁর নিখোঁজে চরম উৎকষ্ঠায় সময় কাটছে পরিবারের লোকজনের।

তিনি বলেন, কিছুদিন ধরে সুজনের মানসিক সমস্যা দেখা দেয়। সে দেশে ফেরার জন্য চটফট করছিল। তাই ওমানে থাকা তাঁর ভাই তাকে দেশে পাঠিয়ে দেয়। এজন্য আমরা তাকে এয়ারপোর্ট থেকে গ্রহণের জন্য গিয়েছিলাম। কিন্তু তাঁর কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।

আমরা এই বিষয়ে আইনি সহায়তার জন্য জগন্নাথপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার প্রস্তুতি নিচ্ছি।

কেউএমডি সুজনের অবস্থান সম্পর্কে কোনো তথ্য জেনে থাকলে, কিংবা কেউ যদি তাঁকে কোথাও দেখে থাকলে পরিবােরের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। যোগাযোগের নাম্বার :০১৭৩৪৭৯৬২৩০।

সিলেটের খবর এর আরও খবর