img

আটকের সময় ককোরোচ জনতা পার্টির নেতারা বললেন, ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’

প্রকাশিত :  ০৯:৫৩, ১০ অক্টোবর ২০২৬

আটকের সময় ককোরোচ জনতা পার্টির নেতারা বললেন, ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’

দিল্লির যন্তর মন্তরে পূর্বঘোষিত বিক্ষোভ কর্মসূচিতে অংশ নিতে যাওয়া ককোরোচ জনতা পার্টির (সিজিপি) শীর্ষ নেতাদের বিমানের ভেতর থেকে আটকের সময় ‘ভারত মাতা কি জয়’, ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ স্লোগান দিতে শোনা গেছে।

আজ শুক্রবার (১০ অক্টোবর) দক্ষিণ-পশ্চিম জেলা পুলিশের একটি দল ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এই অভিযান পরিচালনা করে এবং সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকেসহ সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কার আটকের বিষয়টি পুলিশের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে।

যন্তর মন্তর এলাকায় পৌঁছানোর পর কেরালার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন এবং এমএ বেবি, এমভি গোবিন্দন মাস্টার, কেকে শৈলজা ও বৃন্দা কারাটসহ বেশ কয়েকজন শীর্ষস্থানীয় সিপিআই(এম) নেতাকেও পুলিশ হেফাজতে নিয়েছে বলে দলটির তরফে জানানো হয়েছে। এছাড়া যন্তর মন্তরের আশপাশের এলাকায় বেশ কয়েকজন স্বাধীন সাংবাদিক ও আন্দোলনকারীকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

সিজিপি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, দিল্লির মাটিতে বিমান অবতরণের পরপরই নেতাদের জোরপূর্বক আটক করা মূলত শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকে পঙ্গু করে দেওয়ার একটি পূর্বপরিকল্পিত সরকারি চক্রান্ত। চলাচলের স্বাধীনতার এই নগ্ন লঙ্ঘনের তীব্র নিন্দা জানিয়ে সংগঠনটি অবিলম্বে আটক সকল নেতার নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করেছে।

এদিকে আম আদমি পার্টির (আপ) জাতীয় আহ্বায়ক অরবিন্দ কেজরিওয়াল সিজিপি নেতাদের আটকের তীব্র সমালোচনা করে একে জরুরি অবস্থার চেয়েও খারাপ পরিস্থিতি বলে অভিহিত করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় তিনি অভিযোগ করেন, দেশটিতে বর্তমানে চরম একনায়কতন্ত্র চলছে এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি চরম আতঙ্কে রয়েছেন।

সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস


আন্তর্জাতিক এর আরও খবর

img

‘পতনের দ্বারপ্রান্তে মোদি’, সোমবার দিল্লিতে বড় বিক্ষোভের ডাক ইন্ডিয়া জোটের

প্রকাশিত :  ১৯:১১, ১০ অক্টোবর ২০২৬

মানুষের ভোটাধিকার রক্ষার দাবিতে দিল্লিতে বড় ধরনের বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে ভারতের বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’। শনিবার (১০ অক্টোবর) আলাপ্পুঝায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা জানান সর্বভারতীয় কংগ্রেস কমিটির সাধারণ সম্পাদক কে সি বেণুগোপাল।

তিনি বলেন, সংবিধান ও জনগণের ভোটাধিকার সুরক্ষার চলমান লড়াইয়ের অংশ হিসেবে আগামী সোমবার রাজধানী দিল্লিতে এক বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে ইন্ডিয়া জোট। এই ইস্যুতে ইতোমধ্যে নিজেদের উদ্বেগের কথা জানাতে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন জোটের শীর্ষ নেতারা। পাশাপাশি, আগামী সোমবারে ভারতের প্রধান বিচারপতির সঙ্গেও তাদের দেখা করার কথা রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে সুরক্ষা দেওয়ার অপচেষ্টার জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর তীব্র সমালোচনা করেন বেণুগোপাল। তিনি অভিযোগ করে বলেন, নির্বাচন কমিশনারকে আড়াল করার এই প্রক্রিয়াই মোদি ও শাহের পতনের কারণ হবে।

তিনি আরও দাবি করেন, প্রধানমন্ত্রী মোদির আচরণ দেখে মনে হচ্ছে তিনি পতনের দ্বারপ্রান্তে রয়েছেন। বিরোধীদের আন্দোলনকে তিনি ভয় পাচ্ছেন। ককরোচ জনতা পার্টির ঘোষিত শনিবারের বিক্ষোভ ঠেকাতে দিল্লিতে রীতিমতো লকডাউন জারি করেছে সরকার। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে মেট্রো স্টেশন ও সারা দেশের সঙ্গে দিল্লির রেল যোগাযোগ। মাঠে নামানো হয়েছে হাজার হাজার সশস্ত্র পুলিশ সদস্য।

একটি সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন ব্যবস্থা গড়ে না ওঠা পর্যন্ত কংগ্রেস এবং ইন্ডিয়া জোট লড়াই চালিয়ে যাবে বলে জানান এই নেতা। কেরালার ভোটার তালিকা সংশোধন (এসআইআর) নিয়ে দলের সতর্ক নজরদারির কথা উল্লেখ করেন কে সি বেণুগোপাল। এছাড়া, নির্বাচন কমিশনের প্যাডে বিজেপির \'পদ্ম\' প্রতীক ফুটে ওঠার মতো সাম্প্রতিক বিতর্কের দিকেও তিনি সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

আন্তর্জাতিক এর আরও খবর