img

ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টা, মাদ্রাসা ভাঙচুর করে আগুন দিল জনতা

প্রকাশিত :  ১৫:১৯, ২৩ অক্টোবর ২০২৬

ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টা, মাদ্রাসা ভাঙচুর করে আগুন দিল জনতা

পাবনা সদর উপজেলার একটি মহিলা মাদ্রাসার আবাসিক ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে আবু ইউসুফ প্রামাণিক নামে এক শিক্ষককে আটক করেছে পুলিশ। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে বিক্ষুব্ধ জনতা মাদ্রাসাটিতে ভাঙচুর চালায় এবং কয়েকটি কক্ষে আগুন ধরিয়ে দেয়।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) ভোর রাতের দিকে ভাঁড়ারা ইউনিয়নের দড়িভাউডাঙ্গা এলাকার ‘নূরে মদিনা মহিলা মাদ্রাসা’য় এই ঘটনা ঘটে।

আটক শিক্ষক আবু ইউসুফ প্রামাণিক পার্শ্ববর্তী সাদুল্লাহপুর ইউনিয়নের খালিশপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি দীর্ঘ ৫ বছরের বেশি সময় ধরে ওই এলাকায় বহুতল ভবন ভাড়া নিয়ে মাদ্রাসা পরিচালনা করছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাদ্রাসায় আবাসিক ব্যবস্থা থাকায় ইউসুফ প্রামাণিক স্ত্রীসহ সেখানেই থাকতেন। বৃহস্পতিবার তার স্ত্রী বাড়িতে চলে যাওয়ায় রাতে তিনি একাই ছিলেন। রাত আড়াইটার দিকে মাদ্রাসার নাজেরা বিভাগের এক আবাসিক ছাত্রী টয়লেটে যাওয়ার জন্য রুম থেকে বের হলে শিক্ষক ইউসুফ তার হাত ধরে টেনে নিজের কক্ষে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা চালান। একপর্যায়ে ছাত্রীটি কৌশলে পালিয়ে মাদ্রাসা থেকে বের হয়ে স্থানীয়দের বিষয়টি জানায়।

ঘটনাটি জানাজানি হলে রাতেই উত্তেজিত এলাকাবাসী ও অভিভাবকরা মাদ্রাসায় জড়ো হন। তারা অভিযুক্ত শিক্ষক আবু ইউসুফ প্রামাণিককে আটক করে পুলিশে খবর দেন।

স্থানীয়দের দাবি, এর আগেও ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে নারী সংক্রান্ত একাধিক অপকর্মের অভিযোগ উঠেছিল।

এদিকে, এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয়রা প্রচণ্ড বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। পরে উত্তেজিত জনতা মাদ্রাসায় ভাঙচুর চালায় এবং কয়েকটি কক্ষে আগুন ধরিয়ে দেয়। তবে শিক্ষার্থীরা দ্রুত নিরাপদে স্থানান্তরিত হওয়ায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে অন্য শিক্ষার্থীদের অভিভাবকের জিম্মায় বাড়ি পাঠিয়ে দেয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে পাবনার পুলিশ সুপার আবু আশ্রাফ বলেন, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং অভিযুক্ত শিক্ষক ইউসুফকে আটক করে থানায় নিয়ে যায় এবং ভুক্তভোগী ছাত্রীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।


তিনি আরও জানান, লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে এবং এলাকাটি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। বর্তমানে সেখানে পড়াশোনার কোনো পরিবেশ না থাকায় অন্য শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ বাড়ি ফিরে গেছে।


img

ঢাকা-দাম্মামের ফ্লাইট তিন দিন বন্ধ, রিয়াদে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত

প্রকাশিত :  ১৮:৪৬, ২২ অক্টোবর ২০২৬

সৌদি আরবে নিরাপত্তাঝুঁকির কারণে ঢাকা থেকে দাম্মাম ও রিয়াদগামী ফ্লাইট চলাচল সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। এর মধ্যে দাম্মামগামী ফ্লাইটগুলো ২৩ থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আর রিয়াদগামী সব ফ্লাইট স্থগিত থাকবে আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত। তবে জেদ্দা ও মদিনাগামী ফ্লাইট যথারীতি চলবে।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত বুধবার রাতে সৌদি আরবের দাম্মামের কিং ফাহাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলার ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এর অংশ হিসেবে ২৩, ২৪ ও ২৫ অক্টোবর ঢাকা থেকে দাম্মামগামী সব ফ্লাইট স্থগিত করা হয়েছে।

এ ছাড়া চলমান বিমান হামলার পরিস্থিতি বিবেচনায় ঢাকা-রিয়াদ রুটের সব ফ্লাইট আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিমান।

তবে ঢাকা থেকে জেদ্দা ও মদিনাগামী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ফ্লাইট পূর্বনির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী চলাচল করবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস আরো জানিয়েছে, জরুরি প্রয়োজনে দাম্মাম ও রিয়াদগামী যাত্রীরা আসন খালি থাকা সাপেক্ষে জেদ্দা ও মদিনা বিমানবন্দর ব্যবহার করে সৌদি আরবে যাতায়াত করতে পারবেন।

এ ক্ষেত্রে টিকিট ও ভ্রমণসংক্রান্ত তথ্য জানতে যাত্রীদের নিকটস্থ বিমানের সেলস সেন্টারে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

স্থগিত ফ্লাইটগুলোর বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত ও সংশোধিত সময়সূচি যথাসময়ে জানানো হবে বলে জানিয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস।


বাংলাদেশ এর আরও খবর