img

মেয়াদোত্তীর্ণ শ্যাম্পু পানে ২ শিশুর মৃত্যু

প্রকাশিত :  ০৭:৫৪, ২৬ অক্টোবর ২০২৬

মেয়াদোত্তীর্ণ শ্যাম্পু পানে ২ শিশুর মৃত্যু

দক্ষিণ গফরগাঁও উপজেলায় খেলার ছলে মেয়াদোত্তীর্ণ শ্যাম্পু পানে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। নিহত শিশুরা হলো- রাহাত বেপারীর ছেলে মাহমুদ হাসান সাজিত (৩) ও জনি বেপারীর মেয়ে হুমায়রা (৬)।

আজ রোববার (২৫ অক্টোবর) সকালে উপজেলার পাইথল ইউনিয়নের গোলাবর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সন্ধ্যায় হুমায়রার এবং দুপুরে হাসান সাজিতের মৃত্যু হয়।

পাগলা থানার এসআই আনোয়ার হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, প্লাস্টিক বোতলজাতকরণ বড় শ্যাম্পু বোতল শেষ হয়ে গেলে আবর্জনা হিসাবে ঘরের এক কোণে রেখে দেয় ওই শিশুর স্বজনরা। ঘটনার দিন সকাল ১০টায় ওই মেয়াদোত্তীর্ণ শ্যাম্পুর বোতল বের করে মাহমুদ হাসান সাজিত, হুমায়রাসহ তিন শিশু প্লাস্টিকের হাড়ি পাতিল নিয়ে খেলাধুলা করছিল। ওই শ্যাম্পুর ফেনা দিয়ে প্লাস্টিকের হাড়ি পাতিল ধুয়ে পরিষ্কার করছিল। আবার নোংরা করছিল। খেলাধুলার একপর্যায়ে ওই মেয়াদোত্তীর্ণ শ্যাম্পুর বোতলে পানি ভরে ফেনা তৈরি করে। পরে ওই ফেনাসহ শ্যাম্পুর বোতলের পানি পান করে। এতে তিন শিশুই গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে।

পরে শিশুর স্বজনরা তাদের উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় স্থাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মাহমুদ হাসান সাজিতকে মৃত ঘোষণা করেন। হুমায়রাসহ আরেক শিশুকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। পরে সন্ধ্যার দিকে ময়মনসিংহ মেডিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হুমায়রার মৃত্যু হয়। তবে অপর শিশুটি সুস্থ আছে বলে জানা গেছে।

এসআই আনোয়ার হোসেন বলেন, পুলিশকে জানালে ঝামেলা হতে পারে ভেবে পারিবারের কেউ বিষয়টি থানায় জানায়নি। পরে রাত ১১টার দিকে সংবাদকর্মীরা ফোন করে বিষয়টি জানতে চাইলে আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করি। তবে, নিহত শিশুদের স্বজনদের কোনো অভিযোগ নেই বলেও জানান তিনি।


img

ডিএমপির অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায়গ্রেফতার ৫৪৩

প্রকাশিত :  ০৬:১২, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) নিয়মিত অপরাধবিরোধী অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫৪৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযানে দেশীয় অস্ত্র, ককটেল, বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্যসহ ছিনতাই ও অন্যান্য অপরাধে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। এসব ঘটনায় রাজধানীর বিভিন্ন থানায় মোট ৩৮টি মামলা দায়ের করেছে পুলিশ।

অভিযানে গ্রেফতারদের কাছ থেকে ১ হাজার ১২১ পিস ইয়াবা, ২৮ গ্রাম হেরোইন, একটি অবিস্ফোরিত ককটেল এবং একটি বিস্ফোরিত ককটেলের অংশবিশেষ উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া একটি সুইচ গিয়ার, একটি প্লায়ার্স ও একটি অ্যান্টি কাটার জব্দ করা হয়েছে।

ডিএমপি সূত্রে জানা যায়, ২৪ ঘণ্টার এ অভিযানে সবচেয়ে বেশি গ্রেফতার করা হয়েছে মিরপুর বিভাগ থেকে। এ বিভাগে ১৫০ জনকে গ্রেফতার করা হয়। এ ছাড়া ওয়ারী বিভাগে ৯৪ জন, তেজগাঁও বিভাগে ৭৪ জন এবং গুলশান বিভাগে ৬২ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

অন্যদিকে, মতিঝিল বিভাগে ৪৮ জন, লালবাগ বিভাগে ৪২ জন, উত্তরা বিভাগে ৩৭ জন এবং রমনা বিভাগে ৩৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ ছাড়া ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি) তিনজনকে গ্রেফতার করেছে। বিভিন্ন বিভাগের অভিযানে গ্রেফতার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট অপরাধের অভিযোগে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কার্যক্রম চলছে।

অভিযান চলাকালে অপরাধে ব্যবহৃত একটি অটোরিকশা, ১৫টি মোবাইল ফোন ও ১৩টি সিমকার্ডও জব্দ করা হয়। একই সঙ্গে একজন ভিকটিমকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে উদ্ধার হওয়া ব্যক্তির পরিচয়, উদ্ধারের স্থান এবং ঘটনার বিস্তারিত বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।

রাজধানীতে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, অপরাধীদের শনাক্ত এবং বিভিন্ন অপরাধে ব্যবহৃত অস্ত্র ও সরঞ্জাম উদ্ধারের লক্ষ্যে এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। অভিযানে উদ্ধার করা অস্ত্র, বিস্ফোরকসদৃশ বস্তু ও মাদকদ্রব্যের বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হচ্ছে।

ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী জানিয়েছেন, গ্রেফতার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

বাংলাদেশ এর আরও খবর