img

যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের উদ্যোগে ব্রিটিশ পার্লামেন্টের সামনে প্রবাসী বাঙালিদের বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত :  ১৮:২৯, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৪

যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের উদ্যোগে ব্রিটিশ পার্লামেন্টের সামনে প্রবাসী বাঙালিদের বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত

তথাকথিত \'কোটা আন্দোলনের\' নেপথ্যে থেকে দেশদ্রোহী গোষ্ঠী, আন্তর্জাতিক মোড়লদের সহযোগিতায় মধ্যম আয়ের বাংলাদেশকে ধ্বংসের তলানিতে নিয়ে গেছে। গণতন্ত্রের দোহাই দিয়ে আওয়ামী লীগ এবং মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সকল শক্তি নিধন করছে। মামলা-হামলা আর হত্যায় বেপরোয়া প্রফেসর ইউনুস এবং তার দোসর, জামাত এবং তাদের সমর্থকদের দ্বারা অসাংবিধানিকভাবে জোরপূর্বক বাংলাদেশ রাষ্ট্র দখল এবং  গত এক মাসেরও বেশি সময় ধরে লুটপাট, অগ্নিসংযোগ, হত্যা এবং অত্যাচার, অনাচারের বিরুদ্ধে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের উদ্যোগে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। 

গত ৯ ই সেপ্টেম্বর, সোমবার ব্রিটিশ পার্লামেন্টের সামনে শত শত প্রবাসী বাঙালি বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশে যোগ দেন। বেলা প্রায় ১টা থেকেই আওয়ালী লীগ ও অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা কর্মীরা হাউস অব কমন্সের সামনে সমবেত হতে থাকেন। দূর দূরান্ত থেকে শত শত  প্রবাসী বাঙ্গালীরা সমবেত হয়ে শেখ হাসিনার পক্ষে মূহুর্মুহ শ্লোগান দেন! তাঁরা অবৈধ বর্তমান শাসক ইউনুসের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জ্ঞাপন করেন!

দূপুর ২ টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সমাবেশের শেষে বৃটিশ পার্লামেন্টের সামনে প্রবাসী বাঙ্গালীরা সমবেত কন্ঠে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন করার মাধ্যমে সমাবেশের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। 

যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সুলতান মাহমুদ শরীফ এর সভাপতিত্বে এবং সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সাজিদুর রহমান ফারুকের পরিচালনায় সভায় বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ সভাপতি আলহাজ্ব জালাল উদ্দিন, সহ সভাপতি হরমুজ আলী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মারুফ আহমেদ চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল আহাদ চৌধুরী, প্রচার সম্পাদক মাসুক ইবনে আনিস, আ. স. ম. মিসবাহ, রবিন পাল, খসরুজ্জামান খসরু, সারব আলী, ব্যারিস্টার আবুল কালাম চৌধুরী, কাওছার চৌধুরী, আহমেদ আহসান, নজরুল ইসলাম অকিব, আলতাফর রহমান মোজাহিদ, আনসারল হক, সৈয়দ ছুরুক আলী, আফসার খান সাদেক, আব্দুল হোসেন,ফখরুল ইসলাম মধু, সেলিম আহমদ খান, জামাল আহমদ খান, মাহবুব আহমদ, তামিম আহমদ, জোবায়ের আহমদ, আজিজুল আম্বিয়া, আনজুমান আরা অন্জু , শাহিনা আক্তার, হোসনে আরা মতিন, ছালমা বেগম, মিফতা নূর, সামিরুন চৌধুরী, আব্দুল কাদির চৌধুরী মুরাদ, আব্দুল বাছির, তামিম আহমদ, সজিব ভূইয়া, জাকির আখতারুজ্জামান খান, আফজল হোসেন ও মাহবুব আহমদসহ বিভিন্ন শহর থেকে আগত প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

সভায় বক্তারা বাংলাদেশের  সংবিধান অনুযায়ী শেখ হাসিনা এখনো বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী, ও অধ্যাপক মোহাম্মদ ইউনুসের সরকার দাবী করার কোন ভিত্তি নেই বলে দাবী করে বলেন বাংলাদেশ সংবিধানের ৫৭ অনুচ্ছেদ মোতাবেক শেখ হাসিনা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী এবং ১৭১ মিলিয়ন জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্বের একমাত্র আইনানুগ দাবিদার।অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বা অনির্বাচিতভাবে সরকার প্রধান হবার কোন ব্যবস্থা উক্ত সংবিধানে নেই। সরকার প্রধান হিসেবে অধ্যাপক মোহাম্মদ ইউনুসের দাবীর কোন আইনী, সাংবিধানিক বা গণতান্ত্রিক ভিত্তি নাই বলে উল্লেখ করে বক্তারা বাংলাদেশের বর্তমান নৈরাজ্য, অস্থিতিশীলতা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের চলমান অবস্থা থেকে উত্তরণ ও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় প্রত্যর্পনে জাতিসংঘ সহ বিশ্বনেতৃবৃন্দের সহায়তা কামনা করেছেন। পরিশেষে বৃটিশ পার্লামেন্টের সামনে অনুষ্ঠিত এই  সমাবেশে প্রবাসী বাঙ্গালীরা একসাথে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা মাধ্যমে সভার সমাপ্তি ঘোষণা করেন। 

এদিকে অবিলম্বে দেশে হত্যা, অগ্নিসংযোগ, লুটপাট, মব জাস্টিস, অনাচার, অত্যাচার, গণ মামলা বন্ধের আহবান এবং অবৈধ সরকারের পদত্যাগ দাবিতে  গত ১০ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার ১২ ঘটিকায়  যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগ ওয়েলস শাখার পক্ষ থেকে বৃটেনের কার্ডিফ শহরের স্পাইস সেন্টারে এক সভার আয়োজন করা হয়েছে। 

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় জাতীয় পরিষদের সদস্য ওয়েলস আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি  জননেতা মোহাম্মদ ফিরোজ আহমদের সভাপতিত্বে ও ওয়েলস আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক  এম.এ.মালিক এর পরিচালনায় অনুষ্টিত সভায় বক্তব্য রাখেন যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সদস্য, ওয়েলস আওয়ামী লীগের সিনিয়র  সহ সভাপতি মোহাম্মদ মকিস মনসুর,সহ সভাপতি সাইফুল ইসলাম নজরুল,সহ সভাপতি এস এ রহমান মধু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গোলাম মর্তুজা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক লিয়াকত আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক মল্লিক মোসাদ্দেক আহমেদ, আইন বিষয়ক সম্পাদক হারুন তালুকদার, দফতর সম্পাদক শেখ মোহাম্মদ আনোয়ার, ওয়েলস আওয়ামী যুবলীগের সাবেক সভাপতি জয়নাল আহমদ শিবুল, কমিউনিটি সংগঠক আকতারুজ্জামান কুরেশি নিপু, মৌলভীবাজার জেলা আওয়ামী যুবলীগের সাবেক যুব বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল ওয়াহিদ বাবুল,ওয়েলস আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি ভিপি সেলিম আহমদ, সাধারণ সম্পাদক মফিকুল ইসলাম,  সিনিয়র সহ সভাপতি আবুল কালাম মুমিন, সহ সভাপতি রকিবুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এ বি রুনেল, ওয়েলস  বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি আলহাজ্ব ছালিক মিয়া, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ ইকবাল আহমেদ, ওয়েলস সেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি হাজি জুয়েল মিয়া, ও সেক্রেটারি  মোহাম্মদ কয়েস মনসুর, ওয়েলস তাতী লীগের সভাপতি জামাল আহমেদ বকুল, সেক্রেটারি জহির আলী, মৌলভীবাজার জেলা তাতী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন, ওয়েলস জাতীয় শ্রমিক লীগের সেক্রেটারি এস এ খান লেনিন, আলহাজ্ব আসাদ মিয়া, বদর উদ্দিন চৌধুরী বাবর, ইকবাল আহমেদ, মাহবুব হোসেন, আসাদ মিয়া, কামাল আহমদ, ওয়েলস  ছাত্রলীগের সভাপতি মোহাম্মদ বদরুল হক মনসুর, এম এ রউফ, আব্দুস সামাদ, দেওয়ান মাজিদ, মৌলা আফতাব, রাসেল আহমদ, ও মৌলভীবাজার জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ সভাপতি মোহাম্মদ ফয়ছল মনসুরসহ কার্ডিফ,  নিউপোর্ট, সোয়ানসি, ও পটলবাট থেকে আগত নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। 

বক্তারা অবিলম্বে দেশে হত্যা, অগ্নিসংযোগ,লুটপাট, মব জাস্টিস, অনাচার, অত্যাচার, গণ মামলা বন্ধের আহবান জানান এবং অবৈধ সরকারের পদত্যাগ দাবি করেন।


কমিউনিটি এর আরও খবর

img

উৎসবের উচ্ছ্বাস আর গভীর আবেগে ঢাকা ইউনিভার্সিটি আ্যলামনাই ইন দ্য ইউকের বর্ষবরণ

প্রকাশিত :  ১৮:৩২, ১৩ মে ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১৯:০৯, ১৩ মে ২০২৬

লন্ডন: ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই ইন দ্য ইউকে (DUAUK) অত্যন্ত আনন্দ ও উৎসবমুখর পরিবেশে ‘বর্ষবরণ ১৪৩৩ – বৈশাখী মেলা ও ভর্তা উৎসব’ আয়োজনের মাধ্যমে বাংলা নববর্ষ উদযাপন করেছে। বর্ণিল আয়োজনে বাঙালির ঐতিহ্য ধারণ করে নাচ, গান, আবৃত্তি, ফ্যাশন শো, আনন্দ উল্লাসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মিলনমেলায় অনুষ্ঠানটি এক প্রাণবন্ত পরিবেশ সৃষ্টি করে। গত ৯ই মে শনিবার পূর্ব লন্ডনের ‘লন্ডন এন্টারপ্রাইজ একাডেমিতে’ বর্ষবরনের আয়োজন করা হয়েছিল। 

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব এবং স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন সংগঠনের সভাপতি সিরাজুল বাছিত চৌধুরী, পুরো অনুষ্ঠান পরিচালনা ও অনুষ্ঠান সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরে বক্তব্য প্রদান করেন সাধারণ সম্পাদক মোঃ কামরুল হাসান। সিনিয়র সহ-সভাপতি ও অনুষ্ঠান সমন্বয়কারী মেসবাহ উদ্দিন ইকো সংক্ষিপ্ত ব্ক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানের সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন কোষাধ্যক্ষ সৈয়দ জাফরসহ একটি নিবেদিতপ্রাণ টিম। চমৎকারভাবে সাস্কৃতিক পর্ব সঞ্চালনা করেন সাংস্কৃতিক সম্পাদক এরিনা সিদ্দিকী সুপ্রভা।

সাধারণ সম্পাদক এম কিউ হাসান তাঁর বক্তব্য প্রদানকালে বলেন, বাংলা নববর্ষ আমাদের জাতীয় জীবনের সাথে গভীরভাবে সম্পৃক্ত। ব্যবসায়িক হালখাতা, বৈশাখী মেলা, পান্তা-ইলিশ, আর লোকজ গান-বাজনার মধ্য দিয়ে এই দিনটি হয়ে ওঠে এক আনন্দঘন উৎসব। পহেলা বৈশাখ আমাদেরকে শেকড়ের সাথে যুক্ত করে, আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় বাঙালির সমৃদ্ধ ইতিহাস ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের কথা। এই উৎসব তাই শুধু উদযাপন নয়, এটি আমাদের পরিচয়ের এক গর্বিত প্রকাশ।

বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত কালজয়ী গান ‘এসো হে বৈশাখ এসো এসো’ গান সমবেতভাবে পরিবেশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। 

অনুষ্ঠানে বাঙালির ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতির নানা পরিবেশনা উপস্থাপন করা হয়। যা বাংলা নববর্ষের আবহকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে। সদস্যদের অংশগ্রহণে মনোজ্ঞ সাস্কৃতিক অনুষ্ঠান মুগ্ধ হয়ে সকলে উপভোগ করেছেন। মুহুর্মুহু করতালির মাধ্যমে উপস্থিত সকলে আনন্দ প্রকাশ করেছেন।

অনুষ্ঠানে গান, নাচ, সমবেত ছড়া, প্রেম-বিরহ-রোমান্টিক কবিতা পরিবেশন,ফ্যাশনশো, ঐতিহ্যবাহী ধামাইল নৃত্য, অতিথি আপ্যায়ন এবং খাবার পরিবেশনে যারা অংশগ্রহন করেছেন এবং যাদের অক্লান্ত পরিশ্রমে, প্রশংসীয় উদ্যোগে একটি সফল অনুষ্ঠান হয়েছে তাঁরা হলেন: 

রীপা সুলতানা রাকীব, সৈয়দ জুবায়ের, তারেক সৈয়দ, নীলা নিকি খান, মেহেরুন আহমেদ মালা, এরিনা সিদ্দিকী, সৈয়াদা তামান্না, সৈয়দা ফারহানা সুবর্ণা, হাবিব, সৈয়দা লাভলী চৌধুরী, দেওয়ান গৌস সুলতান, ইসমাইল হোসেন, মতিন চৌধুরী, সাবিতা শামসাদ, এম কিউ হাসান, মাহফুজা রহমান, মারুফ চৌধুরী, মেসবাহ উদ্দিন ইকো, নিলুফা ইয়াসমীন হাসান, সৈয়দ হামিদুল হক, সৈয়দ জাফর, এমদাদ তালুকদার, মিজানুর রহমান, ডা. হাসনীন চৌধুরী, বিভা মোশাররফ, মাহমুদা চৌধুরী, খালেদা জামান পূর্ণি, আসমা আক্তার, নুসরাত জাহান, শাকির আহমেদ, খাদিজা আহমেদ বন্যা, কংকন কান্তি ঘোষ, শিরিন উল্লাহ প্রমুখ।

গানের সাথে একক নৃত্য পরিবেশন করে শিশু শিল্পী শ্রেয়সী রাজভি ইসলাম।

সাংস্কৃতিক সন্ধ্যায় আরও সংগীত পরিবেশন করে Ocopot Bangla Band UK। 

অনুষ্ঠানে সংগঠনের সদস্য ও তাঁদের পরিবারের পক্ষ থেকে আনা ঘরে তৈরি ঐতিহ্যবাহী খাবার পরিবেশন করা হয়। মুড়ি, চানাচুর, চটপটি, পিঠা, পুলি, পায়েস, শুঁটকিসহ বিভিন্ন ধরনের ভর্তা, সরিষা ইলিশ, বিরিয়ানী, সাদা ভাত, খিচুড়ি, ডাল কোন খাবারের কমতি ছিলনা। ঘরে তৈরি সুস্বাদু খাবার সকলে তৃপ্তি সহকারে ভোজন করেছেন।

বিশেষ সম্মাননা পর্ব - ‘মাস্টার শেফ’ খেতাব:

অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল “মাস্টার শেফ” সম্মাননা প্রদান। ঘরে তৈরি খাবার প্রস্তুতকারী ৩৩ জন সদস্য এবং পরিবারকে সংগঠনের লোগো সংবলিত পদক প্রদান করে সম্মানিত করা হয়। এই পর্বটি পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক মোঃ কামরুল হাসান এবং সমন্বয় করেন মেসবাহ উদ্দিন ইকো। উপস্থিত সবাই পর্বটি অত্যন্ত উপভোগ করেন।

উপদেষ্টা সম্মাননা:

উপদেষ্টাদের সংগঠনের জন‍্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ মঞ্চে ডেকে ফুলের তোড়া দিয়ে সম্মাননা জানানো হয়। তাঁরা হলেন হাবিব রহমান (অনুপস্থিত), এস বি ফারুক, মুহাম্মাদ আব্দুব রাকীব, আবু মুসা হাসান, নাজির উদ্দিন চৌধুরী বাবর এবং সোহুল আহমেদ মকু।

নতুন সদস্যদের স্বাগত:

মঞ্চে স্বাগত জানানো হয় নতুন নিবন্ধিত সদস্যদের। তাঁরা হলেন:

রফিকুল ইসলাম (কম্পিউটার সায়েন্স), বিভা মোশাররফ (আইন), খালেদা জামান পূর্ণি (রাষ্ট্রবিজ্ঞান), চৌধুরী রেজওয়ানা বাশার (মৃত্তিকা বিজ্ঞান) এবং ড. অধ্যাপক মশফিক উদ্দিন (ফাইন্যান্স), লিডস ইউনিভার্সিটি।

স্পন্সর সম্মাননা:

বর্ষবরণ অনুষ্ঠানকে স্মরণীয়  করে রাখার জন‍্য ‘বৈশাখী’ নামে একটি স্মরনীকা প্রকাশ করা হয়। বর্ষবরণ ১৪৩৩ উপলক্ষে প্রকাশিত বর্ণিল স্মরণিকাটি স্পন্সরদের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচন করা হয়। বিশেষভাবে মাহফুজা রহমান স্মরণিকাটির মোড়ক উন্মোচন করেন এবং অন্যান্য স্পন্সরবৃন্দ এতে অংশগ্রহণ করেন। স্মরণিকা প্রকাশনার স্পন্সরদের মঞ্চে আমন্ত্রণ জানিয়ে সম্মাননা প্রদান করা হয়। তাঁরা হলেন: মাহফুজা রহমান,  Advocacy for Green — সৈয়দ ইকবাল ও সৈয়দা তামান্না,  LURIS VINCE Solicitors — নজির উদ্দিন চৌধুরী, Liberty Law Solicitors — সোহুল আহমেদ মকু এবং MQ Hassan Solicitors — এম কিউ হাসান।

সংগঠনের সাবেক নেতৃবৃন্দকে অনুষ্ঠানে বিশেষভাবে সম্মাননা জানানো হয়। সাবেক সভাপতিদের স্বীকৃতিস্বরূপ মঞ্চে ডেকে ফুলের তোড়া দিয়ে সম্মাননা জানানো হয়। তাঁরা হলেন ব্যারিস্টার আনিসুর রহমান (অনুপস্থিত), দেওয়ান গৌস সুলতান, মারুফ চৌধুরী এবং প্রশান্ত পুরকায়স্থ BEM (অনুপস্থিত)। সাবেক সাধারণ সম্পাদকদেরও স্বীকৃতিস্বরূপ মঞ্চে ডেকে ফুলের তোড়া দিয়ে সম্মাননা জানানো হয়। তাঁরা হলেন: মারুফ চৌধুরী, মুহাম্মাদ আব্দুর রাকীব, ইসমাইল হোসেন এবং মেসবাহ উদ্দিন ইকো। 

সাবেক কোষাধ্যক্ষদের স্বীকৃতিস্বরূপ মঞ্চে ডেকে ফুলের তোড়া দিয়ে সম্মাননা জানানো হয়। তাঁরা হলেন এম এ কালাম এবং সৈয়দ হামিদুল হক। এছাড়াও “Slum in Mega City” শীর্ষক গবেষণার মাধ্যমে পিএইচডি সম্পন্ন করায় সংগঠনের সদস্য  ড. মুসফিকা আশরাফ-কে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে কমিউনির অনেক গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে সভাপতি সিরাজুল বাছিত চৌধুরীর পক্ষে সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মেজবাহ উদ্দিন ইকো ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন এবং সকল সদস্য, পরিবার, অতিথি, শিল্পী, স্বেচ্ছাসেবক, স্পন্সর ও সংগঠকদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় অনুষ্ঠানটির সফল সমাপ্তির জন্য সবাইকে ধন্যবাদ জানান। নববর্ষের কেক কেটে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। 

অনুষ্ঠান শেষে কারোই বাড়ি ফেরার তাড়া ছিলনা।  নববর্ষ উদযাপনের এতো চমৎকার অনুষ্ঠানের রেশ দীর্ঘদিন মনে থাকবে।

-সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

কমিউনিটি এর আরও খবর