img

কোরবানি পশুর হাটে মহিষের তাণ্ডব, নিহত ২

প্রকাশিত :  ০৯:৫৯, ২৬ মে ২০২৬

কোরবানি পশুর হাটে মহিষের তাণ্ডব, নিহত ২

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার একটি কোরবানির পশুর হাটে পশু কিনতে গিয়ে মহিষের আক্রমণে আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুজনের মৃত্যু হয়েছে। আহতদের মধ্যে একজন গত রোববার রাতে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে এবং অপরজন সোমবার রাতে জামালপুর সদর হাসপাতালে মারা যান।

এর আগে গত রোববার বিকেলে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার চর আমখাওয়া ইউনিয়নের সানন্দবাড়ী কোরবানির পশুর হাটে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত দুজন হলেন সানন্দবাড়ী এলাকার চর মাদার গ্রামের মজিবুর রহমান (৫৫) ও কুড়িগ্রামের রাজিবপুর উপজেলার জাউনিয়ার কড়াইডাঙ্গীপাড়া গ্রামের রুহুল আমিন (৫৮)।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত রোববার দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার আকন্দপাড়া গ্রামের এক ব্যক্তি বিক্রির জন্য কয়েকটি মহিষ নিয়ে সানন্দবাড়ী হাটে আসেন। সেখানে আনার পর একটি মহিষ হঠাৎ অস্বাভাবিক আচরণ শুরু করেন। একপর্যায়ে মহিষটি হাটজুড়ে ছোটাছুটি করে লোকজনকে আক্রমণ করতে থাকে। এতে আতঙ্কিত হয়ে হাটে থাকা মানুষজন দৌড়াদৌড়ি শুরু করেন।

পরে মহিষের গুঁতায় রুহুল আমিন ও মজিবুর রহমানসহ অন্তত ছয়জন আহত হন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রুহুল আমিন মারা যান। পরে মজিবুর রহমানকে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।

দুজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে দেওয়ানগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন বলেন, এ বিষয়ে থানায় কেউ লিখিত অভিযোগ করেননি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

img

রাজধানীর কালশী বস্তির আগুন নিয়ন্ত্রণে

প্রকাশিত :  ১৭:৫৭, ২৫ মে ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১৮:৪৯, ২৫ মে ২০২৬

রাজধানীর কালশী বস্তির আগুন ২ ঘণ্টা পর নিয়ন্ত্রণে এসেছে । সোমবার (২৫ মে) রাত ৯টা ২৫ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।

এর আগে, ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে জানানো হয়, সন্ধ্যা ৭টা ২৩ মিনিটে কালশী বস্তিতে আগুন লাগার খবর পাওয়া যায়। সংবাদ পাওয়ার পরপরই ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট দ্রুততম সময়ের মধ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নির্বাপণের কাজ শুরু করে। তবে বাতাসের গতি এবং বস্তির ভেতরের দাহ্য পদার্থের কারণে আগুনের তীব্রতা চারদিকে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পরবর্তীতে পর্যায়ক্রমে ফায়ার সার্ভিসের আরও বেশ কয়েকটি ইউনিট উদ্ধারকাজে যোগ দেয়। মিডিয়া কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম জানান, প্রথমে দুটি ইউনিট কাজ শুরু করার পর আরও তিনটি ইউনিট পাঠানো হয়। এরপর একে একে আরও দুটি এবং একপর্যায়ে ১৩টি ইউনিট একসঙ্গে আগুন নিয়ন্ত্রণে অংশ নেয়। সর্বশেষ আগুনের ভয়াবহতা বিবেচনায় এনে মোট ১৫টি ইউনিট একযোগে কাজ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।

দুর্ঘটনাস্থলে আগুন নেভানোর কাজে সবচেয়ে বড় প্রতিবন্ধকতা ছিল তীব্র পানির সংকট। ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, কালশী এলাকার ওই বস্তি ও তার আশেপাশে পর্যাপ্ত পানির উৎস না থাকায় ফায়ার ফাইটারদের আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে বেশ বেগ পেতে হয়েছে এবং প্রতিকূল পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছে।

ভয়াবহ এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি বলে ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে প্রাথমিকভাবে ঠিক কী কারণে এই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে এবং কী পরিমাণের ক্ষ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।

বাংলাদেশ এর আরও খবর