img

পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী হচ্ছেন শামসুল আলম

প্রকাশিত :  ০৭:০৭, ১৬ জুলাই ২০২১

পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী হচ্ছেন শামসুল আলম

জনমত ডেস্ক: পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী হচ্ছেন পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের (জিইডি) সদ্য সাবেক হওয়া সদস্য (সিনিয়র সচিব) ড. শামসুল আলম। তিনি দীর্ঘ ১২ বছর ধরে চুক্তিভিত্তিক এই বিভাগের দায়িত্ব পালন করেছেন। রবিবার (১৮ জুলাই) প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন তিনি।

বিষয়টি নিশ্চিত করে গণমাধ্যমকে ড. শামসুল আলম বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাকে জিইডিতে যে দায়িত্ব দিয়েছিলেন সেটি আমি সূচারুভাবে পালন করেছি। এখন যে বিশ্বাস ও আস্থা রেখে নতুন দায়িত্ব দিচ্ছেন সেটিও যথাযথভাবে পালন করবো ইনশাআল্লাহ। আমার প্রধান কাজ হবে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে গতি বৃদ্ধি করা।

ড. শামসুল আলমের হাত ধরে তৈরি হয়েছে বেশ কয়েকটি উন্নয়ন পরিকল্পনা। যেগুলো এখন চলমান। ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক ও সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণীত হয়েছে তার হাত ধরে। সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের আলোকে দ্বিতীয় দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র (২০০৯-১১) সংশোধন ও পুনর্বিন্যাস করে ‘দিনবদলের পদক্ষেপ’ ২০১১ সাল পর্যন্ত বাস্তবায়িত হয়েছে। রূপকল্প ২০২১-এর আলোকে বাংলাদেশের প্রথম পরিপ্রেক্ষিত পরিকল্পনা (২০১০-২০২১) তৈরি করে জিইডি। এ ছাড়া প্রথমবারের মতো বাংলাদেশে টেকসই উন্নয়ন কৌশলপত্র, সামাজিক সুরক্ষা কৌশলপত্র প্রণীত হয়েছে তার সময়ে। বর্তমানে ১০০ বছরের বদ্বীপ পরিকল্পনা প্রণয়নের কাজ শেষের পথে। এগুলোর বাইরে তার দায়িত্ব পালনকালে এমডিজি অর্জন বিষয়ক ১৫টি গ্রন্থ, তার তত্ত্বাবধান ও সম্পাদনায় ৬৩টি মূল্যায়ন প্রতিবেদন, অধ্যয়ন ও গবেষণাগ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে।

ড. শামসুল আলম এ বছর সাউথ এশিয়ান নেটওয়ার্ক ফর ইকোনমিক মডেলিং কর্তৃক বাংলাদেশে এ সময়ে ইকোনমিস্ট অব ইনফ্লুয়েন্স অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেন। এ ছাড়া বাংলাদেশ কৃষি অর্থনীতিবিদ সমিতির ১৬তম বার্ষিক সম্মেলনে এ বছর তাকে স্বর্ণপদকে ভূষিত করা হয়। বাংলাদেশ শিক্ষা পর্যবেক্ষণ সোসাইটি তাকে বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম স্মৃতি পদক ২০১৮-এ ভূষিত করে। তার গবেষণাগ্রন্থ, পাঠ্যপুস্তকসহ অর্থনীতি বিষয়ক প্রকাশিত গ্রন্থ সংখ্যা ১২টি। মন্ত্রিসভায় টেকনোক্র্যাট কোটায় প্রতিমন্ত্রী হচ্ছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক অধ্যাপক ড. শামসুল আলম।

img

ট্রাম্পের শান্তি চুক্তির ইঙ্গিতে কমলো তেলের দাম

প্রকাশিত :  ১০:৪৩, ০৬ মে ২০২৬

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য শান্তি চুক্তির ইঙ্গিত দেওয়ার পর আন্তর্জাতিক বাজারে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো কমেছে তেলের দাম।

আজ বুধবার (৬ মে) রয়টার্সের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ১.৬৯ ডলার বা ১.৫ শতাংশ কমে ১০৮.১৮ ডলারে নেমে এসেছে। এর আগের দিনও এটির দাম ৪ শতাংশ কমেছিল। একইভাবে, যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) তেলের দাম ১.৬৭ ডলার বা ১.৬ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১০০.৬০ ডলারে।

মঙ্গলবার ট্রাম্প হঠাৎ করে জানান, হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল নিরাপদ রাখতে যুক্তরাষ্ট্র যে অভিযান চালাচ্ছিল, তা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হবে। তিনি বলেন, ইরানের সঙ্গে একটি সম্ভাব্য সমঝোতার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি। এ নিয়ে ইরানের পক্ষ থেকেও তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘোষণা মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কমার ইঙ্গিত দিচ্ছে। এখন উপসাগরীয় অঞ্চলে আটকে থাকা তেলবাহী জাহাজগুলো ধীরে ধীরে চলাচল শুরু করতে পারবে। ফলে বাজারে তেলের সরবরাহ বাড়তে পারে।

তবে অনিশ্চয়তা এখনো পুরোপুরি কাটেনি। সম্ভাব্য চুক্তি হলেও সরবরাহ স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে সময় লাগবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

এদিকে, ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের বন্দরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ অব্যাহত থাকবে। এই অবরোধের কারণে বৈশ্বিক বাজারে সরবরাহ কমে যাওয়ায় গত সপ্তাহে ব্রেন্ট তেলের দাম ২০২২ সালের মার্চের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়।

অন্যদিকে, হরমুজ প্রণালিতে উত্তেজনার কারণে বৈশ্বিক মজুতও কমে এসেছে। উৎপাদন ঘাটতি পুষিয়ে নিতে শোধনাগারগুলো চাপের মুখে রয়েছে।

বাজার সূত্রে জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রে টানা তৃতীয় সপ্তাহে অপরিশোধিত তেলের মজুত কমেছে। ১ মে মজুত কমেছে প্রায় ৮.১ মিলিয়ন ব্যারেল। একই সময়ে পেট্রোলের মজুত কমেছে ৬.১ মিলিয়ন ব্যারেল এবং অন্যান্য জ্বালানি তেলের মজুত কমেছে ৪.৬ মিলিয়ন ব্যারেল।