img

লন্ডনে প্রকাশ্যে দেখা গেল সাবেক প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদকে

প্রকাশিত :  ০৩:৫৮, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
সর্বশেষ আপডেট: ০৪:০৯, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

লন্ডনে প্রকাশ্যে দেখা গেল সাবেক প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদকে

সাবেক নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরীকে এবার লন্ডনে প্রকাশ্যে দেখা গেছে। স্থানীয় সময় রোববার (২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় লন্ডনে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন তিনি।

গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মুখে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর আওয়ামী লীগের অনেক নেতা, মন্ত্রী-সংসদ সদস্য দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান। ইতিমধ্যে তাদের মধ্যে বেশ কয়েকজনকে লন্ডনে দেখা গেছে। সাবেক প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরীও লন্ডনে বলে গুঞ্জন ছিল।

যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগ সূত্র জানায়, লন্ডনের স্থানীয় সময় রোববার সন্ধ্যায় ইস্ট লন্ডনের একটি হলে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগ এক কর্মী সভার আয়োজন করে। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে বক্তব্য দেন খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। এরপর বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের পদত্যাগ ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের নামে হওয়া মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের আয়োজিত মাসব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে ইস্ট লন্ডনের বিভিন্ন স্থানে লিফলেট বিতরণ করেন তিনি।

যুক্তরাজ্য যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জামাল খান বলেন, যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের আমন্ত্রণে কর্মী সমাবেশে সাবেক প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ ছাড়াও সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য আবদুর রহমান, সাবেক প্রতিমন্ত্রী শফিকুর রহমান চৌধুরী ও সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুর রহমান যোগ দিয়েছিলেন।

এর আগে লন্ডনে সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য আবদুর রহমান, সাবেক প্রতিমন্ত্রী শফিকুর রহমান চৌধুরী, সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুর রহমান ও সাবেক সচিব কবির বিন আনোয়ারকে শেখ হাসিনার ভার্চু৵য়াল সমাবেশে দেখা গিয়েছিল।


কমিউনিটি এর আরও খবর

img

সাংস্কৃতিক বিনিয়োগে গোল্ডেন ভিসা দিচ্ছে পর্তুগাল

প্রকাশিত :  ০৮:১৫, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

মো : ফেরদৌস আহমাদ: আবাসন খাতে গোল্ডেন ভিসা বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর থেকে সাংস্কৃতিক বিনিয়োগের মাধ্যমে ভিসা দিচ্ছে পর্তুগাল সরকার। এক্ষেত্রে বেশকিছু বাংলাদেশিও সাংস্কৃতিক বিনিয়োগের মাধ্যমে গোল্ডেন ভিসার সুবিধা নিয়েছেন।

সাংস্কৃতিক বিনিয়োগের মাধ্যমে গোল্ডেন ভিসার সবচেয়ে বেশি সুবিধা নিয়েছেন মার্কিন নাগরিকরা। তারা মোট ১২০টি অনুদান দিয়েছেন। ৭০টি অনুদান দিয়ে তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন চীনারা।

এরপরই ৩০টি ভিসা নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে আছেন ভারতীয়রা। এ তালিকায় ব্রিটিশ, পাকিস্তানি, তুর্কি ও ইরাকি নাগরিকদের পাশাপাশি শীর্ষ দেশগুলোর কাতারে রয়েছে বাংলাদেশ, ইরান ও জর্ডান।

এছাড়া ৩৬টি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে দাতার জাতীয়তা উল্লেখ করা হয়নি।

২০২৫ সালের সরকারি তথ্য অনুযায়ী, গোল্ডেন ভিসা পাওয়ার লক্ষ্যে দেশটির সাংস্কৃতিক কর্মসূচিতে বিদেশি কোটিপতিদের অনুদানের পরিমাণ আগের বছরের তুলনায় ২৯৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৪৬ মিলিয়ন ইউরোতে পৌঁছেছে।

২০২৪ সালে এ খাতে বিনিয়োগের পরিমাণ ছিল মাত্র ১১ মিলিয়ন ইউরো। অনুদানের এই উল্লম্ফনের ফলে চলতি বছর এ প্রক্রিয়ায় বসবাসের অনুমতি পাওয়ার হারও প্রায় পাঁচ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।

সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্যমতে, এই বিশাল বিনিয়োগের বিপরীতে ২০২৫ সালে ২১১টি বসবাসের অনুমতিপত্র বা রেসিডেন্স পারমিট জারি করা হয়েছে, যা ২০২৪ সালে ছিল মাত্র ৫০টি। বর্তমানে পর্তুগিজ আইন অনুযায়ী কোনো বিদেশি নাগরিক দেশটির শিল্পকলা বা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের রক্ষণাবেক্ষণে ন্যূনতম ২ লাখ ৫০ হাজার ইউরো দান করলে এই গোল্ডেন ভিসার জন্য আবেদন করতে পারেন।

সাংস্কৃতিক অনুদান ছাড়াও অন্তত ১০টি কর্মসংস্থান সৃষ্টি অথবা ৫ লাখ ইউরো বা তার বেশি মূলধন স্থানান্তরের মাধ্যমেও পর্তুগালে গোল্ডেন ভিসার মাধ্যমে বসবাসের সুযোগ পাওয়া সম্ভব।


কমিউনিটি এর আরও খবর