img

দয়ামীর ইউনিয়ন ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট ইউকে এর নতুন কমিটি ঘোষণা

প্রকাশিত :  ০৬:৫৪, ০৯ এপ্রিল ২০২৬

দয়ামীর ইউনিয়ন ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট ইউকে এর নতুন কমিটি ঘোষণা

দয়ামীর ইউনিয়ন ওয়েলফেয়ার ইউকে- এর ত্রি-বার্ষিক সাধারণ সভা ও নতুন কমিটি ঘোষিত হয়েছে। গত সোমবার( ৩০ মার্চ) পুর্ব লন্ডনের স্হানীয় এক রেস্টুরেন্টে এ বদরুল আলমের কোরআন তেলেওয়াতের মাধ্যমে শুরু হয়। সাধারণ সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি বদরুল হোসাইন জুনা। সাধারণ সম্পাদক ইকবাল আহমেদ এর পরিচালনায় সংগঠনের বিগত তিন বছরের নানা কার্যক্রমের উপর রিপোর্ট পেশ করেন, সভাপতি বদরুল হোসাইন জুনা, সাধারণ সম্পাদক ইকবাল আহমেদ ও কোষাধ্যক্ষ আব্দুল খালিক।

সাধারণ সভায় ট্রাস্টের চলমান কাজের পাশাপাশি এলাকার পিছিয়ে পড়া মানুষের পাশে দাঁড়াতে সবার সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান ট্রাস্টিরা। এসময়, আগামী তিন বছরের জন্য নির্বাচিত নতুন কমিটির নাম ঘোষণা করেন নির্বাচক কমিশনারবৃন্দ। নির্বাচন কমিশনার জামাল আহমেদ খান ও মানিক খান নতুন কার্যকরী কমিটির সদস্যদের পরিচয় করে দেন।

নির্বাচিতরা হলেন, সভাপতি আলমাছ খান, সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল খালেক, সহসভাপতি মকবুল আলী, সহ-সভাপতি নাসির উদ্দিন খান, সাধারণ সম্পাদক সাইফুর রহমান ও কোষাধ্যক্ষ সুলেমান উল্লাহ, সহ-সাধারণ সম্পাদক আব্দুল শহীদ, সহ-কোষাধ্যক্ষ মোঃ এনামুল ইসলাম চৌধুরি, সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাক আহমেদ, শিক্ষা সম্পাদক জহির আহমেদ মোহন, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক বদরুল আলম, মহিলা সম্পাদিকা হেনা আফসার, সহ মহিলা সম্পাদিকা মিসেস সাজনা আক্তার চৌধুরি।

এছাড়া কার্যকরী কমিটির সদস্যরা হলেন, তহুর আলী, আবুল কালাম, বদরুল হোসাইন জুনা, মুহিবুর রহমান লাভলু, ইকবাল আহমেদ, শাহ মোঃ একলিম হোসাইন, কামরুল আলী, সুরমান আলী, শোয়েব আলম।

সভায় দয়ামীর ইউনিয়ন ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট ইউকে এর বাংলাদেশ প্রতিনিধি জামাতুল ইসলাম জামাল এর মৃত্যুতে শোক ও বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া পরিচালনা করেন মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস। এতে বক্তব্য রাখেন, আব্দুল আজিজ,সদরুজ্জামান খান, আবুল কালাম, বিদু মিয়া, আব্দুর রব, মইজুল ইসলাম শাহজাহান, তহুর আলী, বালাগঞ্জ ওসমানী নগর আদর্শ উপজেলা সমিতির সেক্রেটারি আযাদুর রহমান আযাদ প্রমুখ।

কমিউনিটি এর আরও খবর

img

সাংস্কৃতিক বিনিয়োগে গোল্ডেন ভিসা দিচ্ছে পর্তুগাল

প্রকাশিত :  ০৮:১৫, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

মো : ফেরদৌস আহমাদ: আবাসন খাতে গোল্ডেন ভিসা বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর থেকে সাংস্কৃতিক বিনিয়োগের মাধ্যমে ভিসা দিচ্ছে পর্তুগাল সরকার। এক্ষেত্রে বেশকিছু বাংলাদেশিও সাংস্কৃতিক বিনিয়োগের মাধ্যমে গোল্ডেন ভিসার সুবিধা নিয়েছেন।

সাংস্কৃতিক বিনিয়োগের মাধ্যমে গোল্ডেন ভিসার সবচেয়ে বেশি সুবিধা নিয়েছেন মার্কিন নাগরিকরা। তারা মোট ১২০টি অনুদান দিয়েছেন। ৭০টি অনুদান দিয়ে তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন চীনারা।

এরপরই ৩০টি ভিসা নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে আছেন ভারতীয়রা। এ তালিকায় ব্রিটিশ, পাকিস্তানি, তুর্কি ও ইরাকি নাগরিকদের পাশাপাশি শীর্ষ দেশগুলোর কাতারে রয়েছে বাংলাদেশ, ইরান ও জর্ডান।

এছাড়া ৩৬টি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে দাতার জাতীয়তা উল্লেখ করা হয়নি।

২০২৫ সালের সরকারি তথ্য অনুযায়ী, গোল্ডেন ভিসা পাওয়ার লক্ষ্যে দেশটির সাংস্কৃতিক কর্মসূচিতে বিদেশি কোটিপতিদের অনুদানের পরিমাণ আগের বছরের তুলনায় ২৯৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৪৬ মিলিয়ন ইউরোতে পৌঁছেছে।

২০২৪ সালে এ খাতে বিনিয়োগের পরিমাণ ছিল মাত্র ১১ মিলিয়ন ইউরো। অনুদানের এই উল্লম্ফনের ফলে চলতি বছর এ প্রক্রিয়ায় বসবাসের অনুমতি পাওয়ার হারও প্রায় পাঁচ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।

সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্যমতে, এই বিশাল বিনিয়োগের বিপরীতে ২০২৫ সালে ২১১টি বসবাসের অনুমতিপত্র বা রেসিডেন্স পারমিট জারি করা হয়েছে, যা ২০২৪ সালে ছিল মাত্র ৫০টি। বর্তমানে পর্তুগিজ আইন অনুযায়ী কোনো বিদেশি নাগরিক দেশটির শিল্পকলা বা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের রক্ষণাবেক্ষণে ন্যূনতম ২ লাখ ৫০ হাজার ইউরো দান করলে এই গোল্ডেন ভিসার জন্য আবেদন করতে পারেন।

সাংস্কৃতিক অনুদান ছাড়াও অন্তত ১০টি কর্মসংস্থান সৃষ্টি অথবা ৫ লাখ ইউরো বা তার বেশি মূলধন স্থানান্তরের মাধ্যমেও পর্তুগালে গোল্ডেন ভিসার মাধ্যমে বসবাসের সুযোগ পাওয়া সম্ভব।


কমিউনিটি এর আরও খবর