img

টাওয়ার হ্যামলেটসে বিনামূল্যে সাঁতার কর্মসূচি আরো বড় হচ্ছে

প্রকাশিত :  ০৫:৪৩, ০৯ এপ্রিল ২০২৬

টাওয়ার হ্যামলেটসে বিনামূল্যে সাঁতার কর্মসূচি আরো বড় হচ্ছে

টাওয়ার হ্যামলেটসবাসীর জন্য বিনামূল্যে সাঁতারের সুবিধা আরও বড় করা হয়েছে। কাউন্সিল সম্প্রতি এক ঘোষণায় জানিয়েছে, এখন ৩৫ বছর বা তার বেশি বয়সী পুরুষ এবং অভিভাবকরা তাদের দুই সন্তানকে নিয়ে বিনামূল্যে সাঁতার কাটার সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন। ইতিমধ্যেই ১৬ বছর বা তার বেশি বয়সী সব নারী ও মেয়ে এবং ৫৫ বছর বা তার বেশি বয়সী পুরুষ বাসিন্দারা এই সুবিধা পেয়ে আসছেন। নতুন এই সিদ্ধান্তের ফলে টাওয়ার হ্যামলেটসের আরও হাজার হাজার বাসিন্দা বিনামূল্যে সাঁতারের আওতায় আসবেন।

কাউন্সিল জানিয়েছে, টাওয়ার হ্যামলেটসে অর্ধেক প্রাপ্তবয়স্ক ওজনাধিক্য বা স্থূলকায় এবং এক-চতুর্থাংশের মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা রয়েছে। সাঁতারকে স্বাস্থ্য সমস্যা সমাধানের একটি কার্যকর উপায় হিসেবে বিবেচনা করে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সাঁতার শরীরের সব প্রধান পেশী শক্তিশালী করে এবং মানসিক সুস্থতা বাড়ায়।

উল্লেখ্য, যুক্তরাজ্যে গত ১৫ বছরে ১ হাজারের বেশি পুল বন্ধ হয়েছে, যার মধ্যে ৫০০ টি কাউন্সিল পরিচালিত পুল ছিল। টাওয়ার হ্যামলেটস সেই প্রবণতার বিপরীতে গিয়ে আগামী দশ বছরে লেজার সুবিধার জন্য ৪০ মিলিয়ন পাউন্ড বিনিয়োগের পরিকল্পনা করেছে। বিনামূল্যে সাঁতারের সুবিধা পাওয়া যাবে \'বি ওয়েল\' লেজার সেন্টারগুলোতে। কাউন্সিল ২০২১ সালে লেজার সেন্টার গুলো নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে \'বি ওয়েল\' নামে পুনরায় চালু করে।

গত বছর জুলাইয়ে এই কর্মসূচি চালু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত ২০ হাজার ৫৮৩ জন বাসিন্দা বিনামূল্যে সাঁতারের সুবিধা নিয়েছেন। এদের মধ্যে ১৮ হাজারের বেশি নারী ও মেয়ে এবং প্রায় ৩ হাজার ৯০০ জন ৫৫ বছর বা তার বেশি বয়সী বাসিন্দা রয়েছেন।

বিনামূল্যের সদস্যপদ নিতে বাসিন্দাদের অনলাইনে নিবন্ধন করতে হবে অথবা যেকোনো বি ওয়েল লেজার সেন্টারে যেতে হবে। সদস্যপদ সক্রিয়করণের জন্য যোগ্যতার প্রমাণ দিতে হবে এবং বয়স ও টাওয়ার হ্যামলেটসের বাসিন্দা হওয়ার প্রমান সহ বৈধ আইডি দেখাতে হবে।

সাঁতারের সেশনগুলো ৬ এপ্রিল থেকে বুকিং দেওয়া যাবে। কাউন্সিল জানিয়েছে, সেশন দ্রুত পূর্ণ হতে পারে, তাই দ্রুত নিবন্ধন করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। ভবিষ্যতে হোয়াইটচ্যাপেল লেজার সেন্টারে একটি নতুন ছয় লেনের সুইমিং পুল, শিশুদের পুল, বড় জিম স্পেস এবং নারীদের জন্য আলাদা জোন তৈরির পরিকল্পনাও রয়েছে।

কমিউনিটি এর আরও খবর

img

সাংস্কৃতিক বিনিয়োগে গোল্ডেন ভিসা দিচ্ছে পর্তুগাল

প্রকাশিত :  ০৮:১৫, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

মো : ফেরদৌস আহমাদ: আবাসন খাতে গোল্ডেন ভিসা বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর থেকে সাংস্কৃতিক বিনিয়োগের মাধ্যমে ভিসা দিচ্ছে পর্তুগাল সরকার। এক্ষেত্রে বেশকিছু বাংলাদেশিও সাংস্কৃতিক বিনিয়োগের মাধ্যমে গোল্ডেন ভিসার সুবিধা নিয়েছেন।

সাংস্কৃতিক বিনিয়োগের মাধ্যমে গোল্ডেন ভিসার সবচেয়ে বেশি সুবিধা নিয়েছেন মার্কিন নাগরিকরা। তারা মোট ১২০টি অনুদান দিয়েছেন। ৭০টি অনুদান দিয়ে তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন চীনারা।

এরপরই ৩০টি ভিসা নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে আছেন ভারতীয়রা। এ তালিকায় ব্রিটিশ, পাকিস্তানি, তুর্কি ও ইরাকি নাগরিকদের পাশাপাশি শীর্ষ দেশগুলোর কাতারে রয়েছে বাংলাদেশ, ইরান ও জর্ডান।

এছাড়া ৩৬টি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে দাতার জাতীয়তা উল্লেখ করা হয়নি।

২০২৫ সালের সরকারি তথ্য অনুযায়ী, গোল্ডেন ভিসা পাওয়ার লক্ষ্যে দেশটির সাংস্কৃতিক কর্মসূচিতে বিদেশি কোটিপতিদের অনুদানের পরিমাণ আগের বছরের তুলনায় ২৯৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৪৬ মিলিয়ন ইউরোতে পৌঁছেছে।

২০২৪ সালে এ খাতে বিনিয়োগের পরিমাণ ছিল মাত্র ১১ মিলিয়ন ইউরো। অনুদানের এই উল্লম্ফনের ফলে চলতি বছর এ প্রক্রিয়ায় বসবাসের অনুমতি পাওয়ার হারও প্রায় পাঁচ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।

সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্যমতে, এই বিশাল বিনিয়োগের বিপরীতে ২০২৫ সালে ২১১টি বসবাসের অনুমতিপত্র বা রেসিডেন্স পারমিট জারি করা হয়েছে, যা ২০২৪ সালে ছিল মাত্র ৫০টি। বর্তমানে পর্তুগিজ আইন অনুযায়ী কোনো বিদেশি নাগরিক দেশটির শিল্পকলা বা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের রক্ষণাবেক্ষণে ন্যূনতম ২ লাখ ৫০ হাজার ইউরো দান করলে এই গোল্ডেন ভিসার জন্য আবেদন করতে পারেন।

সাংস্কৃতিক অনুদান ছাড়াও অন্তত ১০টি কর্মসংস্থান সৃষ্টি অথবা ৫ লাখ ইউরো বা তার বেশি মূলধন স্থানান্তরের মাধ্যমেও পর্তুগালে গোল্ডেন ভিসার মাধ্যমে বসবাসের সুযোগ পাওয়া সম্ভব।


কমিউনিটি এর আরও খবর