img

‘প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভোটাধিকার’ বিষয়ে ব্রিটিশ-বাংলাদেশিদের নিয়ে লন্ডনে আলোচনা সভা

প্রকাশিত :  ১৬:২৭, ১০ মার্চ ২০২৫
সর্বশেষ আপডেট: ১৬:৩৪, ১০ মার্চ ২০২৫

‘প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভোটাধিকার’ বিষয়ে ব্রিটিশ-বাংলাদেশিদের নিয়ে লন্ডনে আলোচনা সভা

“প্রবাসী বাংলাদেশীদের ভোটাধিকার” বিষয়ে গত শুক্রবার ৭ই মার্চ ব্রিটিশ-বাংলাদেশীদের নিয়ে লন্ডনে এক আলোচনা সভা অনুষ্টিত হয়। আইনজীবি মিছবাহ উদ্দিনের পরিচালনায় উক্ত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট আইনজীবী ব্যারিষ্টার নাজির আহমেদ এবং ⁠বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মানবাধিকার কর্মী ও সাংবাদিক মো: আব্দুল মুনিম জাহেদী ক্যারল। 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ব্যারিস্টার নাজির আহমেদ বলেন, আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে দেড় কোটি প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করুন, প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রবাস থেকে যেন ভোট দিতে পারেন, এটা তাদের দীর্ঘদিনের দাবি। দুঃখজনক হলেও সত্য যে অতীতের কোনো সরকারই এই দাবি পূরণে সত্যিকার আন্তরিকতা দেখায়নি। বিগত ৫৪ বছর শুধু মুলা ঝুলিয়ে রাখা হয়েছিল। অথচ এই দেড় কোটি প্রবাসী বাংলাদেশের নাগরিক। তারা রেমিট্যান্স পাঠিয়ে দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখেন। ভোটের অধিকার তাদের মৌলিক ও সাংবিধানিক অধিকার। এবার যদি প্রবাসীদের ভোট দেয়ার ব্যবস্থা করা না হয় আর কখনও হয়তো করা হবে না। কোনো রাজনৈতিক সরকার করবে না। আশ্বাসের মধ্যেই রাখা হবে। সুতরাং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে সব প্রবাসীদের ঐক্যবদ্ধভাবে দাবি জানাতে হবে – আসন্ন নির্বাচনে যেকোনো উপায়ে প্রবাসীরা যেন ভোট দিতে পারেন তা নিশ্চিত করতে হবে। এবার না হলে আমাদের জীবদ্দশায় হয়তো আর হবে না। তাই সমস্বরে আওয়াজ তুলতে হবে। বিশেষ অতিথি বক্তব্যে সাংবাদিক ক্যারল বলেন  বিপুলসংখ্যক প্রবাসীদের ভোটাধিকারের মতো মৌলিক ও সাংবিধানিক অধিকার দিতে অবহেলা করে রাষ্ট্রের টেকসই সংস্কার বা মেরামত করা সম্ভব নয়। প্রবাসী বাংলাদেশীদের ভোটাধিকার বাস্তবায়নের জন্য পৃথিবীর সকল দেশে অবস্থানরত বাংলাদেশীরা যার যার অবস্থান থেকে আন্দোলন করা এখন সময়ের দাবী।

অনুষ্ঠানে আরো উপস্তিত ছিলেন বিশিষ্ট কমিনিটি ব্যক্তিত আইনজীবী মিছবাহ উদ্দিন, ব্যারিস্টার আমীন, কমিউনিটি ব্যক্তিত ও সাংবাদিক  হাসনাত চৌধুরী,  ক্বারী মাওলানা মোহাম্মদ মুজিবুর রহমান, কমিনিটি ব্যক্তিত শাহ চেরাগ আলী, লিলু মিয়া, কয়েছ আহমদ, মুহা. জিলানী,  জাকির হোসেন , রিয়াজ আহমদ, সাদিক আহমদ, শুকুর মিয়া,  সাজিদুর রহমানসহ আরও অনেক। 

উক্ত সভায় পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করার জন্য একমত পোষণ করেন।

কমিউনিটি এর আরও খবর

img

সাংস্কৃতিক বিনিয়োগে গোল্ডেন ভিসা দিচ্ছে পর্তুগাল

প্রকাশিত :  ০৮:১৫, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

মো : ফেরদৌস আহমাদ: আবাসন খাতে গোল্ডেন ভিসা বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর থেকে সাংস্কৃতিক বিনিয়োগের মাধ্যমে ভিসা দিচ্ছে পর্তুগাল সরকার। এক্ষেত্রে বেশকিছু বাংলাদেশিও সাংস্কৃতিক বিনিয়োগের মাধ্যমে গোল্ডেন ভিসার সুবিধা নিয়েছেন।

সাংস্কৃতিক বিনিয়োগের মাধ্যমে গোল্ডেন ভিসার সবচেয়ে বেশি সুবিধা নিয়েছেন মার্কিন নাগরিকরা। তারা মোট ১২০টি অনুদান দিয়েছেন। ৭০টি অনুদান দিয়ে তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন চীনারা।

এরপরই ৩০টি ভিসা নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে আছেন ভারতীয়রা। এ তালিকায় ব্রিটিশ, পাকিস্তানি, তুর্কি ও ইরাকি নাগরিকদের পাশাপাশি শীর্ষ দেশগুলোর কাতারে রয়েছে বাংলাদেশ, ইরান ও জর্ডান।

এছাড়া ৩৬টি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে দাতার জাতীয়তা উল্লেখ করা হয়নি।

২০২৫ সালের সরকারি তথ্য অনুযায়ী, গোল্ডেন ভিসা পাওয়ার লক্ষ্যে দেশটির সাংস্কৃতিক কর্মসূচিতে বিদেশি কোটিপতিদের অনুদানের পরিমাণ আগের বছরের তুলনায় ২৯৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৪৬ মিলিয়ন ইউরোতে পৌঁছেছে।

২০২৪ সালে এ খাতে বিনিয়োগের পরিমাণ ছিল মাত্র ১১ মিলিয়ন ইউরো। অনুদানের এই উল্লম্ফনের ফলে চলতি বছর এ প্রক্রিয়ায় বসবাসের অনুমতি পাওয়ার হারও প্রায় পাঁচ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।

সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্যমতে, এই বিশাল বিনিয়োগের বিপরীতে ২০২৫ সালে ২১১টি বসবাসের অনুমতিপত্র বা রেসিডেন্স পারমিট জারি করা হয়েছে, যা ২০২৪ সালে ছিল মাত্র ৫০টি। বর্তমানে পর্তুগিজ আইন অনুযায়ী কোনো বিদেশি নাগরিক দেশটির শিল্পকলা বা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের রক্ষণাবেক্ষণে ন্যূনতম ২ লাখ ৫০ হাজার ইউরো দান করলে এই গোল্ডেন ভিসার জন্য আবেদন করতে পারেন।

সাংস্কৃতিক অনুদান ছাড়াও অন্তত ১০টি কর্মসংস্থান সৃষ্টি অথবা ৫ লাখ ইউরো বা তার বেশি মূলধন স্থানান্তরের মাধ্যমেও পর্তুগালে গোল্ডেন ভিসার মাধ্যমে বসবাসের সুযোগ পাওয়া সম্ভব।


কমিউনিটি এর আরও খবর