img

বাংলাদেশকে ১০ উইকেটে হারিয়ে সেমিফাইনালে অস্ট্রেলিয়া

প্রকাশিত :  ১৬:৪৭, ১৬ অক্টোবর ২০২৫

বাংলাদেশকে ১০ উইকেটে হারিয়ে সেমিফাইনালে অস্ট্রেলিয়া

নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপ জয় দিয়ে শুরু করেছিল বাংলাদেশ। এরপর টানা তিন হারের তেঁতো স্বাদ পায় টাইগ্রেসরা। সেমিফাইনালের আশা বাঁচিয়ে রাখতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে জয়ের বিকল্প ছিল না লাল-সবুজের প্রতিনিধিদের সামনে। এমন ম্যাচে অজিদের কাছে ১০ উইকেটের বড় ব্যবধানে হেরেছে বাংলাদেশের মেয়েরা। 

এই জয়ে প্রথম দল হিসেবে চলমান নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল নিশ্চিত করলো অস্ট্রেলিয়া। পাঁচ ম্যাচ খেলে এখনো অপরাজিত রয়েছে রেকর্ড শিরোপাজয়ীরা। 

বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) বিশাখাপত্নমে বিশ্বকাপে নিজেদের পঞ্চম ম্যাচে অজিদের বিপক্ষে টস জিতে আগে ব্যাটি করার সিদ্ধান্ত নেন টাইগ্রেস অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি। সোবহানা মোস্তারির ফিফটিতে ভর করে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৯৮ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ।

আগে ব্যাট করতে নেমে উদ্বোধনী জুটিতে ৩২ রান যোগ করেন দুই ওপেনার রুবাইয়া ঝিলিক ও ফারজানা হক। ২৪ বলে মাত্র ৮ রান করে সাজঘরে ফিরে যান ফারজানা। 

এরপর ক্রিজে আসা শারমিনকে সঙ্গে নিয়ে রানের চাকা সচল রাখেন ঝিলিক। দলীয় ৭২ রানে ৫৯ বলে ৪৪ রান করে আউট হন এই ওপেনার। ঝিলিকের বিদায়ের পর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে বাংলাদেশ।

তবে একপ্রান্ত আগলে রেখে ফিফটি তুলে নেন সোবহানা মোস্তারি। ৮০ বলে ৬৬ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি। অজিদের পক্ষে অ্যাশলে গার্ডনার, অ্যানাবেল সাদারল্যান্ড ও জর্জিয়া ওয়্যারহাম নেন ২টি করে উইকেট।     

১৯৯ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকে আগ্রাসী ব্যাটিং করতে থাকেন দুই অজি ওপেনার অ্যালিসা হিলি ও ফোবি লিচফিল্ড। বাংলাদেশের বোলারদের ওপর চড়াও হন এই দুই ব্যাটার।

তাদের সামনে পাত্তাই পায়নি বাংলাদেশের বোলাররা। টি-টোয়েন্টি স্টাইলে ব্যাটিং করতে থাকেন দুই অজি ওপেনার। মারমুখি ব্যাটিংয়ে সেঞ্চুরি তুলে নেন হিলি। 

তাদের ব্যাটে ভর করে কোনো উইকেট না হারিয়েই ১৫১ বল হাতে রেখে জয় তুলে নেয় অস্ট্রেলিয়া। হিলি ৭৭ বলে ১১৩ ও লিচফিল্ড ৭২ বলে ৮৪ রানে অপরাজিত থাকেন। এই হারে সেমিফাইনালে খেলার স্বপ্ন শেষ হলো বাংলাদেশের। 


img

টাইব্রেকার রোমাঞ্চে আর্সেনালকে হারিয়ে ফের ইউরোপসেরা পিএসজি

প্রকাশিত :  ১৬:৩১, ৩০ মে ২০২৬

কয়েক দিন আগেই ২২ বছরের দীর্ঘ খরা কাটিয়ে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ট্রফি উঁচিয়ে ধরেছিল আর্সেনাল। গানার্সদের সামনে সুযোগ ছিল একই মৌসুমে ঘরোয়া ও ইউরোপসেরার ‘ডাবল’ জয়ের ইতিহাস গড়ার। কিন্তু মিকেল আর্তেতার সেই স্বপ্নপূরণ হতে দিল না প্যারিস সেন্ট জার্মেইন (পিএসজি)। নির্ধারিত ৯০ মিনিট এবং এরপর আরও ৩০ মিনিটের অতিরিক্ত সময়েও কোনো দল জয়সূচক গোল না পাওয়ায় ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে। সেখানে আর্সেনালকে ৫-৪ ব্যবধানে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার ইউরোপীয় শিরোপা ধরে রাখে ফরাসি ক্লাবটি।

প্রথমার্ধে পিছিয়ে পড়ার পর দ্বিতীয়ার্ধে গোল শোধ করে ম্যাচে সমতা ফেরায় পিএসজি। পুরো ম্যাচ জুড়ে ফরাসি ক্লাবটি একের পর এক আক্রমণ চালায়। আর্সেনাল মূলত মেতেছিল তাদের অতি-রক্ষণাত্মক ‘বাস পার্কিং’ কৌশলে। শেষ পর্যন্ত এই অতি-রক্ষণাত্মক ফুটবলই কাল হলো আর্তেতার দলের জন্য। নির্ধারিত ৯০ মিনিট এবং অতিরিক্ত ৩০ মিনিটেও আর কোনো গোল না হওয়ায় ১-১ সমতায় শেষ হয় ম্যাচ।

সেখান থেকে টাইব্রেকারে দুই দলের খেলোয়াড়দের ওপর জেঁকে বসে পাহাড়সম চাপ। পিএসজির হয়ে গনজালো রামোস এবং আর্সেনালের ভিক্টর গিওকেরেস প্রথম শটেই গোল করেন। পিএসজি তাদের দ্বিতীয় শটেও সফল হয়। তবে আর্সেনালের ইংলিশ মিডফিল্ডার এবেরেচি এজে বল গোলপোস্টের বাইরে মারলে পেনাল্টিতেই শিরোপার সুবাস পেতে শুরু করে ফরাসিরা।

ঠিক পরের শটে পিএসজির মেন্দেসের শট রুখে দিয়ে আর্সেনালকে আবারও লাইফলাইন এনে দিয়েছিলেন গানার্স গোলকিপার ডেভিড রায়া। এরপর আর্সেনালের ডেকলান রাইস ও গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেলি এবং পিএসজির আশরাফ হাকিমিরা যার যার শটে জাল কাঁপায়। শেষ পর্যন্ত ৫-৪ ব্যবধানের জয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো ইউরোপসেরা হওয়ার বন্য উল্লাসে মাতে পিএসজি।