img

ইউকের কমিউনিটি নেতা সেলিম রেজার সাথে নিউইয়র্কের বাংলাদেশী কমিউনিটির সৌজন্য সাক্ষাৎ

প্রকাশিত :  ১৭:৩৯, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬

ইউকের কমিউনিটি নেতা সেলিম রেজার সাথে নিউইয়র্কের বাংলাদেশী কমিউনিটির সৌজন্য সাক্ষাৎ

নিউইয়র্কে সফররত যুক্তরাজ্যের বিশিষ্ট কমিউনিটি লিডার চুনারুঘাট ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি ইউকের সভাপতি সেলিম রেজার সাথে সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হয়েছেন নিউইয়র্কের বাংলাদেশী কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ।

গত ১৫ই জানুয়ারি বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসে স্ট্রালিন বাংলাবাজারের নিউ ফাইভ স্টার রেস্টুরেন্টে আয়োজিত হয় এই সৌজন্য মতবিনিময়। নেতৃবৃন্দের মধ্যে ছিলেন বিশিষ্ট কমিউনিটি নেতা সাবেক বাংলাদেশ সোসাইটি অব ব্রঙ্কসের উপদেষ্টা ও ব্রঙ্কস আওয়ামী লীগের সভাপতি এমসি কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল মুহিত, বাংলাদেশ সোসাইটি অব ব্রঙ্কসের প্রচার সম্পাদক ও নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক সাংবাদিক শেখ শফিকুর রহমান, চুনারুঘাট এসোসিয়েশন অব ইউএসএ ইনকের সদস্য ও হবিগঞ্জ বৃন্দাবন কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সমাজকল্যাণ সম্পাদক আহাদ তালুকদার বাবুল প্রমুখ।

নেতৃবৃন্দরা অনেক দিন পর প্রিয় বন্ধুকে কাছে পেয়ে প্রবাস জীবনের বিভিন্ন বিষয়ে আলাপ আলোচনার মাধ্যমে জমজমাট চায়ের আড্ডায় কিছুটা সময় কাটান।

সফররত চুনারুঘাট উপজেলার বাসিন্দা বর্তমানে যুক্তরাজ্য লন্ডনের ক্যামডেন এলাকায় বসবাসকারী সাবেক ছাত্রনেতা পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি এবং কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক সেলিম রেজা প্রবাসে থেকেও নিজ উপজেলার উন্নয়নে বিভিন্ন কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে চলেছেন চুনারুঘাট ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি ইউকে সংগঠনের উদ্যোগে।

নিউইয়র্কে বসবাসরত তার আত্মীয়-স্বজন নিজ এলাকার বন্ধু ও পরিচিতদের সাথে দেখা সাক্ষাৎ করতে সংক্ষিপ্ত সফরে নিউইয়র্ক ও মিশিগান বেড়াতে আসেন তিনি।

এ ছাড়াও সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন মৌলভীবাজার ডিস্ট্রিক্ট সোসাইটি অব ইউএসএ ইনকের সভাপতি সোহান আহমেদ টুটুল, সাবেক বাহুবল উপজেলার ভাদেশ্বর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান বসিরসহ অন্যান্যরা।

কমিউনিটি এর আরও খবর

img

সাংস্কৃতিক বিনিয়োগে গোল্ডেন ভিসা দিচ্ছে পর্তুগাল

প্রকাশিত :  ০৮:১৫, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

মো : ফেরদৌস আহমাদ: আবাসন খাতে গোল্ডেন ভিসা বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর থেকে সাংস্কৃতিক বিনিয়োগের মাধ্যমে ভিসা দিচ্ছে পর্তুগাল সরকার। এক্ষেত্রে বেশকিছু বাংলাদেশিও সাংস্কৃতিক বিনিয়োগের মাধ্যমে গোল্ডেন ভিসার সুবিধা নিয়েছেন।

সাংস্কৃতিক বিনিয়োগের মাধ্যমে গোল্ডেন ভিসার সবচেয়ে বেশি সুবিধা নিয়েছেন মার্কিন নাগরিকরা। তারা মোট ১২০টি অনুদান দিয়েছেন। ৭০টি অনুদান দিয়ে তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন চীনারা।

এরপরই ৩০টি ভিসা নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে আছেন ভারতীয়রা। এ তালিকায় ব্রিটিশ, পাকিস্তানি, তুর্কি ও ইরাকি নাগরিকদের পাশাপাশি শীর্ষ দেশগুলোর কাতারে রয়েছে বাংলাদেশ, ইরান ও জর্ডান।

এছাড়া ৩৬টি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে দাতার জাতীয়তা উল্লেখ করা হয়নি।

২০২৫ সালের সরকারি তথ্য অনুযায়ী, গোল্ডেন ভিসা পাওয়ার লক্ষ্যে দেশটির সাংস্কৃতিক কর্মসূচিতে বিদেশি কোটিপতিদের অনুদানের পরিমাণ আগের বছরের তুলনায় ২৯৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৪৬ মিলিয়ন ইউরোতে পৌঁছেছে।

২০২৪ সালে এ খাতে বিনিয়োগের পরিমাণ ছিল মাত্র ১১ মিলিয়ন ইউরো। অনুদানের এই উল্লম্ফনের ফলে চলতি বছর এ প্রক্রিয়ায় বসবাসের অনুমতি পাওয়ার হারও প্রায় পাঁচ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।

সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্যমতে, এই বিশাল বিনিয়োগের বিপরীতে ২০২৫ সালে ২১১টি বসবাসের অনুমতিপত্র বা রেসিডেন্স পারমিট জারি করা হয়েছে, যা ২০২৪ সালে ছিল মাত্র ৫০টি। বর্তমানে পর্তুগিজ আইন অনুযায়ী কোনো বিদেশি নাগরিক দেশটির শিল্পকলা বা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের রক্ষণাবেক্ষণে ন্যূনতম ২ লাখ ৫০ হাজার ইউরো দান করলে এই গোল্ডেন ভিসার জন্য আবেদন করতে পারেন।

সাংস্কৃতিক অনুদান ছাড়াও অন্তত ১০টি কর্মসংস্থান সৃষ্টি অথবা ৫ লাখ ইউরো বা তার বেশি মূলধন স্থানান্তরের মাধ্যমেও পর্তুগালে গোল্ডেন ভিসার মাধ্যমে বসবাসের সুযোগ পাওয়া সম্ভব।


কমিউনিটি এর আরও খবর