img

সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়কে বাস ও পিকআপের সংঘর্ষে চালক নিহত, আহ ৮

প্রকাশিত :  ০৯:৩৪, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ০৯:৩৭, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬

 সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়কে বাস ও পিকআপের সংঘর্ষে চালক নিহত, আহ ৮

সুনামগঞ্জ–সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কে এনা পরিবহণের একটি যাত্রীবাহী বাস ও পিকআপ ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে রাকিব হোসেন (৩০) নামে এক পিকআপচালক নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন অন্তত ৮ জন।

আজ শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সকাল ৭টার দিকে ছাতক উপজেলার সৈদেরগাঁও ইউনিয়নের বুড়াইরগাঁও-আলমপুর সড়কে এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত রাকিব হোসেন যশোরের মনিরামপুর উপজেলার বেগারিতলা বাজার এলাকার লেয়াকত হোসেনের ছেলে। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পিকআপটি সম্পূর্ণ দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং এনা পরিবহণের বাসটি সড়কের পাশের একটি ছোট খালে পড়ে উল্টে যায়। দুর্ঘটনার পর গাড়ি দুটি হাইওয়ে পুলিশ জব্দ করেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঢাকা থেকে সুনামগঞ্জগামী এনা পরিবহণের এসি বাসের সঙ্গে পিকআপ ভ্যানটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে পিকআপচালক রাকিব ঘটনাস্থলেই মারা যান। এ ঘটনায় বাস ও পিকআপের অন্তত ৯ থেকে ১০ জন যাত্রী গুরুতরভাবে আহত হন। গুরুতর আহত দুইজনকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আহতদের মধ্যে এনা বাসের চালকও রয়েছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।

দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা দ্রুত এগিয়ে এসে বাসের ভেতরে আটকে পড়া যাত্রীদের উদ্ধার করেন। এ খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কাজে অংশ নেয়।

জয়কলস হাইওয়ে থানার ওসি সুমন কুমার চৌধুরী দুর্ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ছাতকের বুড়াইরগাঁও এলাকায় একটি পিকআপ ভ্যান ও এনা পরিবহণের বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে পিকআপ চালক ঘটনাস্থলেই নিহত হন।

সিলেটের খবর এর আরও খবর

img

আজমিরীগঞ্জে নিখোঁজের পরদিন নদীতে ভেসে উঠল গৃহবধূর মরদেহ

প্রকাশিত :  ০৭:৩৯, ২৩ অক্টোবর ২০২৬

হবিগঞ্জ জেলার আজমিরীগঞ্জে কালনী নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজের এক দিন পর মরিয়ম বিবি (২৮) নামে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ বুধবার সকালে আজমিরীগঞ্জের বাঁশবাজার এলাকার নদীতে মরদেহটি ভাসতে দেখেন স্থানীয় জেলেরা। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

মরিয়ম বিবি উপজেলার কাকাইলছেও ইউনিয়নের শাহনগর নরজাকান্দা গ্রামের আমজাদ মিয়ার স্ত্রী। মঙ্গলবার দুপুরে বাড়ির পাশে কালনী নদীতে গোসল করতে নেমে পানির স্রোতে নিখোঁজ হন তিনি।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মরিয়ম নিখোঁজ হওয়ার পর পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশকে খবর দেন। পরে হবিগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের একটি ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে সন্ধ্যা পর্যন্ত উদ্ধার অভিযান চালায়। তবে সেদিন তাঁর সন্ধান পাওয়া যায়নি।

কাকাইলছেও নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ অপু দাস মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, পরিবারের পক্ষ থেকে বিনা ময়নাতদন্তে মরদেহ হস্তান্তরের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করা হয়েছে। আবেদন গৃহীত হলে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। অন্যথায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. মহিবুর মিয়া জানান, এক বছর আগে মরিয়ম ও আমজাদের বিয়ে হয়। নদীতে গোসল করতে নেমে স্রোতে নিখোঁজ হওয়ার পর বুধবার তাঁর মরদেহ ভেসে ওঠে।

সিলেটের খবর এর আরও খবর