img

৩ দিন টানা বৃষ্টির আভাস

প্রকাশিত :  ১৬:৫৭, ০৬ এপ্রিল ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১৭:৪০, ০৬ এপ্রিল ২০২৬

৩ দিন টানা বৃষ্টির আভাস

টানা দাবদাহের পর সারা দেশে তিন দিন বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সংস্থাটির পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামীকাল মঙ্গলবার থেকে দেশের আট বিভাগেই কম-বেশি বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এতে সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা আরো কমতে পারে।

আজ সোমবার (৬ এপ্রিল) বিকালে আবহাওয়াবিদ তরিফুল নেওয়াজ বলেন, আগামী ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে কম-বেশি বৃষ্টি হতে পারে।

তবে আগামী বুধবার ও বৃহস্পতিবার বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বাড়তে পারে। এরপর আগামী ১০ এপ্রিল থেকে ধীরে ধীরে বৃষ্টি কমে আবারও তাপমাত্রা বাড়তে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, তাপমাত্রা ৩৬ থেকে ৩৭ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত থাকলে তাকে মৃদু তাপপ্রবাহ বলা হয়। তাপমাত্রা ৩৮ থেকে ৩৯ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে তা মাঝারি তাপপ্রবাহ।

তাপমাত্রা ৪০ থেকে ৪১ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে তীব্র তাপপ্রবাহ ধরা হয়। তাপমাত্রা ৪২-এর বেশি হলে তা অতি তীব্র তাপপ্রবাহ বলে গণ্য হয়।

 এদিক থেকে গত দুই দিন থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিচ্ছিন্নভাবে বৃষ্টি হওয়ায় তাপমাত্রা দ্রুত কমে এসেছে। এতে বর্তমানে দেশের কোথাও তাপপ্রবাহ নেই।

আজ মঙ্গলবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল খুলনায় ৩৫ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় তেঁতুলিয়ায় ১৮ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগের দিন গতকাল রবিবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল রাজশাহীতে ৩৪.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

img

রাজধানীর কালশী বস্তির আগুন নিয়ন্ত্রণে

প্রকাশিত :  ১৭:৫৭, ২৫ মে ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১৮:৪৯, ২৫ মে ২০২৬

রাজধানীর কালশী বস্তির আগুন ২ ঘণ্টা পর নিয়ন্ত্রণে এসেছে । সোমবার (২৫ মে) রাত ৯টা ২৫ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।

এর আগে, ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে জানানো হয়, সন্ধ্যা ৭টা ২৩ মিনিটে কালশী বস্তিতে আগুন লাগার খবর পাওয়া যায়। সংবাদ পাওয়ার পরপরই ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট দ্রুততম সময়ের মধ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নির্বাপণের কাজ শুরু করে। তবে বাতাসের গতি এবং বস্তির ভেতরের দাহ্য পদার্থের কারণে আগুনের তীব্রতা চারদিকে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পরবর্তীতে পর্যায়ক্রমে ফায়ার সার্ভিসের আরও বেশ কয়েকটি ইউনিট উদ্ধারকাজে যোগ দেয়। মিডিয়া কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম জানান, প্রথমে দুটি ইউনিট কাজ শুরু করার পর আরও তিনটি ইউনিট পাঠানো হয়। এরপর একে একে আরও দুটি এবং একপর্যায়ে ১৩টি ইউনিট একসঙ্গে আগুন নিয়ন্ত্রণে অংশ নেয়। সর্বশেষ আগুনের ভয়াবহতা বিবেচনায় এনে মোট ১৫টি ইউনিট একযোগে কাজ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।

দুর্ঘটনাস্থলে আগুন নেভানোর কাজে সবচেয়ে বড় প্রতিবন্ধকতা ছিল তীব্র পানির সংকট। ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, কালশী এলাকার ওই বস্তি ও তার আশেপাশে পর্যাপ্ত পানির উৎস না থাকায় ফায়ার ফাইটারদের আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে বেশ বেগ পেতে হয়েছে এবং প্রতিকূল পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছে।

ভয়াবহ এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি বলে ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে প্রাথমিকভাবে ঠিক কী কারণে এই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে এবং কী পরিমাণের ক্ষ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।

বাংলাদেশ এর আরও খবর