img

ভিক্টোরিয়া পার্কে হাফটার্মে নৌকা চালানোর মজার আয়োজন

প্রকাশিত :  ১৮:২১, ১৪ মে ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১৮:২১, ১৪ মে ২০২৬

ভিক্টোরিয়া পার্কে হাফটার্মে নৌকা চালানোর মজার আয়োজন

হাফটার্ম ছুটিতে শিশুদের জন্য আনন্দঘন সময় কাটাতে পূর্ব লন্ডনের ভিক্টোরিয়া পার্ক-এ আয়োজন করা হয়েছে বোটিং ও প্যাডালো কার্যক্রম।

টাওয়ার হ্যামলেটস্ কাউন্সিলের উদ্যোগে আগামী ২৬ মে, মঙ্গলবার পার্কের ওয়েস্ট লেকে সকাল ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত এই কার্যক্রম চলবে। এতে অংশ নিয়ে শিশু-কিশোররা পানিতে নৌকা চালানোর অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারবে, যা তাদের জন্য হবে এক নতুন ও রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা।

এই কার্যক্রমে অংশগ্রহণের জন্য কোনো আগাম বুকিংয়ের প্রয়োজন নেই। অংশগ্রহণকারীরা সরাসরি উপস্থিত হয়ে লাইনে দাঁড়িয়ে সুযোগ নিতে পারবেন। ৫ থেকে ১২ বছর বয়সী শিশুদের জন্য এটি উপযোগী হলেও ৩ থেকে ১৫ বছর বয়সী সবাই এতে অংশ নিতে পারবে।

কার্যক্রমটি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে এবং প্রতিটি শিশুকে অবশ্যই একজন প্রাপ্তবয়স্কের সঙ্গে থাকতে হবে।

আয়োজকরা জানিয়েছেন, খোলামেলা পরিবেশে এমন আয়োজন শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে ইতিবাচক ভূমিকা রাখে। হাফটার্ম ছুটিকে আনন্দময় করতে পরিবারসহ এই কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার জন্য সবাইকে আহ্বান জানানো হয়েছে।

কমিউনিটি এর আরও খবর

img

লন্ডনে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ইমামের যাবজ্জীবন, ‘জিনের আছর’ তাড়ানোর নামে করতেন যৌন নিপীড়ন

প্রকাশিত :  ১৩:১৪, ১৫ মে ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১৩:৪৬, ১৫ মে ২০২৬

নারী ও শিশুদের যৌন হয়য়ানি ও পাশবিক নির্যাতনের দায়ের কারণে লন্ডনের একটি আদালত বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সাবেক ইমাম আব্দুল হালিম খানকে (৫৪) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার ( ১৪ মে) স্নারেসব্রুক ক্রাউন কোর্ট এই চূড়ান্ত রায় ঘোষণা করেন।

সাজা অনুযায়ী, প্যারোলে মুক্তির আবেদনের আগে তাকে অন্তত ২০ বছর কারাগারে থাকতে হবে।

আব্দুল হালিম খান ‘জিনের আছর’ বা অশুভ শক্তির ভয় দেখিয়ে এই যৌন নিপীড়ন চালাতেন বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী। ২০০৪ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে মোট ৭ জন ভুক্তভোগীর ওপর ২১টি ভয়াবহ অপরাধ সংঘটিত করেছেন আব্দুল হালিম খান। এর মধ্যে ৯টি ধর্ষণ এবং ১৩ বছরের কম বয়সী শিশুদের ওপর ৫টি ধর্ষণের ঘটনা রয়েছে।

পূর্ব লন্ডনের টাওয়ার হ্যামলেটস এলাকার সাবেক এই ইমামের কর্মকাণ্ডকে বিচারক লেসলি কাথবার্ট ‘পরিকল্পিত এবং দীর্ঘস্থায়ী যৌন লালসা চরিতার্থ করার অভিযান’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।

শুনানি চলাকালে রাষ্ট্রপক্ষ জানায়, আব্দুল হালিম খান অত্যন্ত সুকৌশলে ‘জিনের আছর’ বা অশুভ শক্তির ভয় দেখিয়ে ভুক্তভোগীদের বশে রাখতেন। নিজেকে আধ্যাত্মিক সাধক দাবি করে তিনি বলতেন, তিনি জিন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। এ ছাড়া পরিবারের ক্ষতি করার জন্য কালো জাদুর হুমকি দিয়ে ভুক্তভোগীদের মুখ বন্ধ রাখতেন। এই মনস্তাত্ত্বিক ফাঁদে ফেলে তিনি ১২ বছর বয়সী শিশু থেকে শুরু করে প্রাপ্তবয়স্ক নারীদের ওপর এক দশকেরও বেশি সময় ধরে নির্যাতন চালিয়েছেন।

শৈশবে নির্যাতিত হওয়া এক নারী আদালতে বিচারককে বলেন, ‘আমার কাছে খান কোনও মানুষ নয়, সে সাক্ষাৎ শয়তান।’ অপর এক ভুক্তভোগী জানান, খান তাকে ডিম্বাশয়ের ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার মিথ্যা ভয় দেখিয়েছিলেন এবং বলেছিলেন কেবল তিনিই এর প্রতিকার করতে পারেন। এরপর তাকে নির্জন স্থানে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করা হয়।

লিড প্রসিকিউশন ব্যারিস্টার সারাহ মরিস কেসি বলেন, খান অত্যন্ত চতুরভাবে মানুষের ধর্মবিশ্বাসকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করেছেন।

কমিউনিটি এর আরও খবর