img

হাফটার্মে ভিক্টোরিয়া পার্কে শিশুদের জন্য মাছ ধরার আয়োজন

প্রকাশিত :  ১৮:২১, ১৪ মে ২০২৬

হাফটার্মে ভিক্টোরিয়া পার্কে শিশুদের জন্য মাছ ধরার আয়োজন

আসন্ন হাফটার্ম ছুটি উপলক্ষে পূর্ব লন্ডনের বিখ্যাত ভিক্টোরিয়া পার্ক -এ শিশু, কিশোর ও পরিবারের সদস্যদের জন্য টাওয়ার হ্যামলেটস্ কাউন্সিলের উদ্যোগে আয়োজন করা হয়েছে বড়শি দিয়ে মাছ ধরার একটি ব্যতিক্রমধর্মী কার্যক্রম।

আগামী ২৮ মে, বৃহস্পতিবার পার্কের ইস্ট অংশের মডেল বোটিং লেকে সকাল ১০টা ৩০ মিনিট থেকে দুপুর ২টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত এই আয়োজন অনুষ্ঠিত হবে। এতে অংশ নিয়ে শিশুরা হাতে-কলমে মাছ ধরার অভিজ্ঞতা অর্জনের পাশাপাশি প্রকৃতির মাঝে সময় কাটানোর সুযোগ পাবে।

এই কার্যক্রমে অংশ নিতে হলে একই দিনে পার্কের হাব বা রিসেপশনে গিয়ে আধা ঘণ্টার একটি সেশন বুক করতে হবে। নির্ধারিত সময়গুলো হলো সকাল ১০:৩০, ১১:১০, ১১:৫০ এবং দুপুর ১২:৫০, ১:৩০ ও ২:১০।

৫ থেকে ১২ বছর বয়সী শিশুদের জন্য এটি বিশেষভাবে পরিকল্পিত হলেও ৩ থেকে ১৫ বছর বয়সী সবাই অংশ নিতে পারবে। অংশগ্রহণ সম্পূর্ণ বিনামূল্যে, তবে প্রতিটি শিশুকে অবশ্যই একজন প্রাপ্তবয়স্ক অভিভাবকের তত্ত্বাবধানে থাকতে হবে।

আয়োজকদের মতে, এ ধরনের কার্যক্রম শিশুদের শেখার আগ্রহ বাড়ানোর পাশাপাশি তাদের সৃজনশীলতা ও আত্মবিশ্বাস গড়ে তুলতে সহায়তা করে। বিস্তারিত তথ্যের জন্য আগ্রহীরা [email protected]এ যোগাযোগ করতে পারেন।


কমিউনিটি এর আরও খবর

img

লন্ডনে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ইমামের যাবজ্জীবন, ‘জিনের আছর’ তাড়ানোর নামে করতেন যৌন নিপীড়ন

প্রকাশিত :  ১৩:১৪, ১৫ মে ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১৩:৪৬, ১৫ মে ২০২৬

নারী ও শিশুদের যৌন হয়য়ানি ও পাশবিক নির্যাতনের দায়ের কারণে লন্ডনের একটি আদালত বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সাবেক ইমাম আব্দুল হালিম খানকে (৫৪) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার ( ১৪ মে) স্নারেসব্রুক ক্রাউন কোর্ট এই চূড়ান্ত রায় ঘোষণা করেন।

সাজা অনুযায়ী, প্যারোলে মুক্তির আবেদনের আগে তাকে অন্তত ২০ বছর কারাগারে থাকতে হবে।

আব্দুল হালিম খান ‘জিনের আছর’ বা অশুভ শক্তির ভয় দেখিয়ে এই যৌন নিপীড়ন চালাতেন বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী। ২০০৪ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে মোট ৭ জন ভুক্তভোগীর ওপর ২১টি ভয়াবহ অপরাধ সংঘটিত করেছেন আব্দুল হালিম খান। এর মধ্যে ৯টি ধর্ষণ এবং ১৩ বছরের কম বয়সী শিশুদের ওপর ৫টি ধর্ষণের ঘটনা রয়েছে।

পূর্ব লন্ডনের টাওয়ার হ্যামলেটস এলাকার সাবেক এই ইমামের কর্মকাণ্ডকে বিচারক লেসলি কাথবার্ট ‘পরিকল্পিত এবং দীর্ঘস্থায়ী যৌন লালসা চরিতার্থ করার অভিযান’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।

শুনানি চলাকালে রাষ্ট্রপক্ষ জানায়, আব্দুল হালিম খান অত্যন্ত সুকৌশলে ‘জিনের আছর’ বা অশুভ শক্তির ভয় দেখিয়ে ভুক্তভোগীদের বশে রাখতেন। নিজেকে আধ্যাত্মিক সাধক দাবি করে তিনি বলতেন, তিনি জিন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। এ ছাড়া পরিবারের ক্ষতি করার জন্য কালো জাদুর হুমকি দিয়ে ভুক্তভোগীদের মুখ বন্ধ রাখতেন। এই মনস্তাত্ত্বিক ফাঁদে ফেলে তিনি ১২ বছর বয়সী শিশু থেকে শুরু করে প্রাপ্তবয়স্ক নারীদের ওপর এক দশকেরও বেশি সময় ধরে নির্যাতন চালিয়েছেন।

শৈশবে নির্যাতিত হওয়া এক নারী আদালতে বিচারককে বলেন, ‘আমার কাছে খান কোনও মানুষ নয়, সে সাক্ষাৎ শয়তান।’ অপর এক ভুক্তভোগী জানান, খান তাকে ডিম্বাশয়ের ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার মিথ্যা ভয় দেখিয়েছিলেন এবং বলেছিলেন কেবল তিনিই এর প্রতিকার করতে পারেন। এরপর তাকে নির্জন স্থানে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করা হয়।

লিড প্রসিকিউশন ব্যারিস্টার সারাহ মরিস কেসি বলেন, খান অত্যন্ত চতুরভাবে মানুষের ধর্মবিশ্বাসকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করেছেন।

কমিউনিটি এর আরও খবর