img

লন্ডন বারা অফ টাওয়ার হ্যামলেটের যারা কেবিনেট সদস্য হলেন যারা

প্রকাশিত :  ০৯:৪৬, ২২ মে ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১০:১৮, ২২ মে ২০২৬

লন্ডন বারা অফ টাওয়ার হ্যামলেটের যারা কেবিনেট সদস্য হলেন যারা

লন্ডন বারা অফ টাওয়ার হ্যামলেটের যারা কেবিনেট সদস্য হয়েছেন তাদের কে কোন পজিশন পেয়েছেন তা ঘোষণা করেছেন টাওয়ার হ্যামলেটের চতুর্থবারের মতো নির্বাচিত নির্বাহী মেয়র লুৎফর রহমান।

গত ২০ মে, টাওয়ার হ্যামলেট কাউন্সিলের বার্ষিক সাধারণ সভায় কাউন্সিলর ব্যারিস্টার মুশতাক আহমদকে স্পিকার এবং লেন্সবারির কাউন্সিলর ইকবাল হোসেনকে ডেপুটি স্পিকার হিসেবে নির্বাচিত করা হয়। এছাড়া মেয়রসহ দশজন কেবিনেটের নাম ঘোষণা করেছেন লুৎফর রহমান। এর মধ্যে ডেপুটি মেয়র হিসেবে আবারো পুনর্নির্বাচিত করা হয়েছে কাউন্সিলর মায়ুম মিয়া তালুকদারকে। তিনি কস্ট এন্ড লিভিং এন্ড ইকুয়ালিটি বিভাগেরও দায়িত্ব পালন করবেন। ফাইন্যান্সের দায়িত্ব পেয়েছেন কাউন্সিলর আবু তালহা চৌধুরী। আর হাউজিংয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন কাউন্সিলর সাঈদ আহমদ।

পুলিশের তথা কমিউনিটি সেফটি বিভাগের দায়িত্ব পেয়েছেন কাউন্সিলর কবির আহমদ। এনভায়রনমেন্টের দায়িত্ব পেয়েছেন কাউন্সিলর সাফি আহমদ এবং কালচার অ্যান্ড লেজারের দায়িত্ব পেয়েছেন কাউন্সিলর মিনারাউদ্দিন। এছাড়া হেলথ অ্যান্ড সোশ্যাল কেয়ারের দায়িত্ব পেয়েছেন কাউন্সিলর সাবিনা আক্তার। চিলড্রেন অ্যান্ড ইয়ুথ সার্ভিসের দায়িত্ব পেয়েছেন কাউন্সিলর ফয়সল আহমদ এবং জব অ্যান্ড স্কিলের দায়িত্ব পেয়েছেন নতুন কাউন্সিলর সোনালি বেগম।

নির্বাহী মেয়র লুৎফর রহমান এ নিয়ে টাওয়ার হ্যামলেট কাউন্সিলের দশজন কেবিনেট মেম্বার পূর্ণ করলেন। নবগঠিত কেবিনেট সদস্যদের ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করে মেয়র লুৎফর রহমান বলেন, যাদেরকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে তারা সততা, নিষ্ঠা এবং আন্তরিকতার সাথে টাওয়ার হ্যামলেটাসের সর্বস্তরের মানুষের সাথে কাজ করবেন এবং তাদের জীবনমান উন্নয়নে নিয়োজিত হবেন ।

কমিউনিটি এর আরও খবর

img

শ্রীমঙ্গলে মাদক ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধের আহ্বান

প্রকাশিত :  ০৭:৪৯, ২২ মে ২০২৬

সংগ্রাম দত্ত: শ্রীমঙ্গলে মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছে ‘শ্রীমঙ্গল উপজেলা নাগরিক পরিষদ’। সংগঠনটির নেতৃবৃন্দ অভিযোগ করেছেন, একটি প্রভাবশালী গোষ্ঠী দীর্ঘদিন ধরে শহরের বিভিন্ন সড়ক, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও মার্কেট থেকে চাঁদাবাজি চালিয়ে যাচ্ছে।

রোববার (১৭ মে) সকাল ১১টায় শহরের একটি রেস্টুরেন্টে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে নাগরিক পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা মো. মোসাব্বির আল মাসুদ এসব অভিযোগ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, স্থানীয় রাজনৈতিক প্রভাবকে কাজে লাগিয়ে কিছু ব্যক্তি ব্যবসায়ীদের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে। ফলে অনেকেই প্রতিবাদ করতে সাহস পাচ্ছেন না।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি দাবি করেন, শহরের একটি পরিবহন প্রতিষ্ঠান থেকে প্রতি মাসে ৫০ হাজার টাকা এবং পৌরসভার মামলাধীন একটি মার্কেটের ২০-২৫টি দোকান থেকে নিয়মিত চাঁদা আদায় করা হচ্ছে। এ বিষয়ে তিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে লিখিত অভিযোগ পাঠিয়েছেন বলেও জানান।

মাদক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে মোসাব্বির আল মাসুদ বলেন, শ্রীমঙ্গলে চিহ্নিত মাদক কারবারিদের দৌরাত্ম্যে সামাজিক পরিবেশ ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। সাম্প্রতিক কয়েকটি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গেও মাদকাসক্তদের সম্পৃক্ততার অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ায় তাকেসহ কয়েকজনকে হত্যার হুমকি দেওয়া হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে মাদকাসক্তদের হাতে নিহত ব্যক্তিদের স্বজনরা নিহতদের ছবি নিয়ে উপস্থিত হন। তারা আবেগঘন বক্তব্যে মাদকের ভয়াবহতা তুলে ধরে সমাজের সবাইকে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।

মোসাব্বির আল মাসুদ শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জ উপজেলায় মাদক নির্মূলে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের প্রস্তাব দেন। তিনি স্থানীয় সংসদ সদস্য, ইউএনও, পুলিশ প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্টদের নিয়ে জরুরি সভা আয়োজনের দাবি জানান। পাশাপাশি মাদক সংশ্লিষ্টদের আত্মসমর্পণের সুযোগ দিয়ে পুনর্বাসন ও বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থার কথাও উল্লেখ করেন। তবে যারা মাদক কার্যক্রম চালিয়ে যাবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর সামাজিক ও আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

এর আগে ‘সবার শ্রীমঙ্গল-সাবাস শ্রীমঙ্গল’ স্লোগানে মাদক ও চাঁদাবাজিবিরোধী মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের নেতা, সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধি ও নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

কমিউনিটি এর আরও খবর