img

পুশইন ও চামড়া পাচার ঠেকাতে সীমান্তে বাড়তি নজরদারিতে বিজিবি

প্রকাশিত :  ০৮:২৫, ২৯ মে ২০২৬

পুশইন ও চামড়া পাচার ঠেকাতে সীমান্তে বাড়তি নজরদারিতে বিজিবি

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে যশোর ও খুলনার সীমান্তবর্তী এলাকায় চোরাচালান, পুশইন এবং কোরবানির পশুর চামড়া পাচার ঠেকাতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

এ ছাড়া ঈদের আগে ও পরে সীমান্ত এলাকায় যেকোনো ধরনের অপরাধ দমনে নজরদারি বৃদ্ধি এবং টহল কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে।

আজ শুক্রবার (২৮ মে) ইত্তেফাক ডিজিটালকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন যশোর ৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল গোলাম মোহাম্মদ সাইফুল আলম খান।

তিনি জানান, ঈদুল আজহায় বিপুল পরিমাণ পশু কোরবানি হওয়ায় প্রতিবছরের মতো এবারও চামড়া পাচারের আশঙ্কা রয়েছে। এ কারণে সীমান্ত দিয়ে যাতে কোনোভাবেই পশুর চামড়া ভারতে পাচার না হতে পারে, সেজন্য বিজিবি সদস্যরা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। বিশেষ করে রাতের টহল আরও বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে মাইকিং করে স্থানীয় জনগণকে সচেতন করা হচ্ছে।

বিজিবির এই কর্মকর্তা আরও বলেন, পুশইন, চামড়া পাচার, মাদক ও অন্যান্য চোরাচালান প্রতিরোধে সীমান্ত এলাকায় সার্বক্ষণিক নজরদারি চালানো হচ্ছে। সীমান্তজুড়ে টহল কার্যক্রমও জোরদার করা হয়েছে।

ঈদকে কেন্দ্র করে যশোরের বিভিন্ন সীমান্ত পথকে চামড়া পাচারের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। বিশেষ করে শার্শা উপজেলার ১০২ কিলোমিটার সীমান্তের কাশিপুর, শালকোনা, শিকারপুর, ধান্যখোলা, রঘুনাথপুর, বেনাপোলের পুটখালি, দৌলতপুর, সাদিপুর, ঘিবা, গোগা, রুদ্রপুর, অগ্রভুলোট, পাঁচভুলোট ও দাদখালি সীমান্ত এলাকায় বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হয়েছে।

 


বাংলাদেশ এর আরও খবর

img

খুলনা সিটি মেডিকেলে ভয়াবহ আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ১২ ইউনিট

প্রকাশিত :  ১৮:৪২, ১১ জুন ২০২৬

খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আজ বৃহস্পতিবার (১১ জুন) রাত সাড়ে ৯টার দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। 

খবর পেয়ে ইতোমধ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করেছে ফায়ার সার্ভিসের ১২ ইউনিট।

এদিকে আগুন লাগার খবর ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে থাকা রোগী ও তাদের স্বজনরা আতঙ্কিত হয়ে বাইরে ছুটে আসছেন। অনেকে এখনো হাসপাতালের মধ্যে আটকে আছেন। ফায়ার সার্ভিসের সদস্য আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে।

হাসপাতালের একটি সূত্র জানিয়েছে, জেনারেটর থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। পরে আগুন হাসপাতালের বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে পড়ে।

ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, রাত ৯টা ৩৫ মিনিটের দিকে সিটি মেডিকেলের নিচতলায় আগুনের খবর পাওয়া যায়। এর ৫ মিনিটের মাথায় ঘটনাস্থলে যায় ফায়ার সার্ভিস। বর্তমানে ১২টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে।

খুলনা ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার আরিফ উল ইসলাম বলেন, আমাদের ১২টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে। তবে আগুনের ঘটনায় রাত ১১টা পর্যন্ত হতাহতের বিষয়ে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া, আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে জানা যায়নি।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাতে খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে আগুনের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসেছে ফায়ার সার্ভিস। তাদের সঙ্গে পুলিশ ও স্থানীয়রা আগুন নেভানোর কাজে অংশ নিচ্ছেন। হাসপাতালে থাকা রোগী ও তাদের স্বজনরা আগুন লাগার পর আতঙ্কিত হয়ে বাইরে ছুটে এসেছেন।


বাংলাদেশ এর আরও খবর