চেয়ারম্যানের পদত্যাগের পর ইসলামী ব্যাংক নিয়ে নতুন ব্যাখ্যা গভর্নরের
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান ইসলামী ব্যাংকের আমানতকারীদের উদ্বিগ্ন বা আতঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, আমানতকারীরা যেকোনো সময় তাদের জমাকৃত অর্থ উত্তোলন করতে পারবেন এবং এ বিষয়ে কোনো ধরনের সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা নেই।বাংলাদেশ সংবাদ
শুক্রবার বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলনে গভর্নর এ আশ্বাস দেন। তিনি বলেন, ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ বা ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ ব্যাংক কিংবা সরকারের কোনো অবৈধ বা অযাচিত হস্তক্ষেপ নেই।
গভর্নর জানান, অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদে পাঁচজন সদস্য ছিলেন। পরে একজন সদস্যের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ ওঠায় গত ১৬ মার্চ তাকে পরিবর্তন করা হয়। এর বাইরে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ব্যাংকের ঋণ বিতরণ, নিয়োগ কিংবা পদোন্নতির মতো বিষয়ে কোনো নির্দেশনা দেয়নি।
তিনি অভিযোগ করেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাংকটিকে ঘিরে নানা বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে, যা বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
ঈদের আগে ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যানের পদত্যাগের বিষয়ে গভর্নর বলেন, এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সিস্টেমিক ব্যাংক হওয়ায় কার্যক্রম সচল রাখতে দ্রুত নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে পরিচালনা পর্ষদে ন্যূনতম সদস্যসংখ্যা নিশ্চিত করাও প্রয়োজন ছিল।
ব্যাংকটির আর্থিক অবস্থার বিষয়ে তিনি বলেন, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে ইসলামী ব্যাংকের অ্যাডভান্স-ডিপোজিট রেশিও (এডিআর) ছিল প্রায় ৯৩ শতাংশ, যা চলতি বছরের মার্চে বেড়ে প্রায় ৯৮ শতাংশে পৌঁছেছে। এটি স্বাভাবিক সীমার তুলনায় বেশি হলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে নয়।
গভর্নর আরও জানান, বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে ব্যাংকিং খাত তদারকির জন্য প্রয়োজনীয় নীতিগত ও নিয়ন্ত্রণমূলক ব্যবস্থা রয়েছে এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।


















