img

লেকে গোসলে নেমে একই পরিবারের ৩ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত :  ১৫:২০, ১৩ জুন ২০২৬

লেকে গোসলে নেমে একই পরিবারের ৩ জনের মৃত্যু

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে ডিএনডি লেকে গোসল করতে নেমে একই পরিবারের ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। 

শনিবার (১৩ জুন) বিকেল ৩টার দিকে দক্ষিণ কদমতলী নাভানা ভূঁইয়া সিটি সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আদমজী ইপিজেড ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল প্রায় ২ ঘণ্টা লেকে তল্লাশি চালিয়ে ৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করে। 

নিহতরা হলেন, গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানী থানার মনাগ গ্রামের দেলোয়ারের ছেলে মো. রাশেদুজ্জামান (২২), নড়াইল জেলার কালিয়া থানার রঘুনাথপুর গ্রামের আকরামের ছেলে মো. গালিব (১৮) ও মেয়ে সুরাইয়া (১২)। তারা সিদ্ধিরগঞ্জের দক্ষিণ কদমতলী কাশেমপাড়া এলাকার অ্যাডভোকেট জালালের বাড়ির ভাড়াটিয়া। রাশেদুজ্জামান হলেন গালিব ও সুরাইয়ার ভগ্নিপতি। 

 প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নিহত ৩ জন সাঁতার জানতেন। তারা লেকে গোসল করতে নেমে সাঁতার কাটছিলেন। একপর্যায় তারা প্রথমে লেকে নির্মিত ঘাটের নিচ দিয়ে ডুব ও সাঁতার কেটে একপাশ থেকে অন্যপাশে যায়। ফিরে আসার সময় ডুব দেওয়ার পর প্রায় আধা ঘণ্টা পার হলেও আর পানির নিচ থেকে ভেসে ওঠেনি। পরে পুলিশ ও আদমজী ইপিজেড ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে নিখোঁজদের উদ্ধারের কাজ শুরু করে। বিকেল ৪টা থেকে ৬টা পর্যন্ত তল্লাশি চালিয়ে প্রথমে ভগ্নিপতি রাশেদুজ্জামান ও তার শ্যালক গালিবের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এর ১ ঘণ্টা পর উদ্ধার করা হয় শ্যালিকা সুরাইয়ার মরদেহ।

আদমজী ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন মাস্টার মিরন মিয়া বলেন, লেকের পানিতে ৩ জন তলিয়ে যাওয়ার খবর পেয়ে আমাদের ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে ছুটে যায়। বিকেল ৫টার দিকে দুজন ও ৬টার দিকে আরেকজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় তাদের মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। 

সিদ্ধিরগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মিজানুর রহমান বলেন, শ্যালক ও শ্যালিকাকে নিয়ে ভগ্নিপতি রাশেদুজ্জামান লেকে গোসল করতে আসেন। একপর্যায় তারা সবাই পানিতে ডুবে যায়। পরে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।


বাংলাদেশ এর আরও খবর

img

হাম ও হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ৭৯৬

প্রকাশিত :  ১২:৫১, ১৩ জুন ২০২৬

হাম ও হামের উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকায় ৩ জন। এ সময় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে ৭৯৬ জন।

আজ শনিবার (১৩ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। 

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গত ১৫ মার্চ থেকে হাম এবং হামের উপসর্গ নিয়ে এখন পর্যন্ত সারা দেশে ৬৪৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হামে মৃত্যু হয়েছে ৯২ শিশুর। আর হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৫৫৬ জন।

একই সময়ে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছে (পরীক্ষায় প্রমাণিত) ১০ হাজার ২৪৮ জন। আর হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে এসেছে ৮৪ হাজার ৮৯৯ জন। আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি। এ বিভাগের হাম ও উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে ২৯১ জন ও আক্রান্ত ৪৬ হাজার ৫১৪ জন।

এই হিসাব গত ১৫ মার্চ সকাল ৮টা থেকে ১৩ জুন সকাল ৮টা পর্যন্ত সময়ের।