img

নেইমারকে নিজের বিশ্বকাপ জয় উৎসর্গ করলেন স্পেনের স্ট্রাইকার

প্রকাশিত :  ১০:২৯, ২০ জুলাই ২০২৬

নেইমারকে নিজের বিশ্বকাপ জয় উৎসর্গ করলেন স্পেনের স্ট্রাইকার

ব্রাজিল তারকা নেইমার ক্যারিয়ারের আজন্ম স্বপ্ন বিশ্বকাপ জিততে চেয়েছিলেন। ৪ বার খেলার সুযোগ পেয়েও স্বপ্ন পূরণ করতে পারেননি ব্রাজিলিয়ান তারকা। প্রতিবারই চোখের জলে স্বপ্নকে বিসর্জন দিতে হয়েছে তাকে। 

২০৩০ বিশ্বকাপে নেইমার খেলবেন কি না তার নিশ্চয়তা নেই। শেষ পর্যন্ত যদি শতবর্ষী বিশ্বকাপে দেখা না যায়, তাহলে সোনালি ট্রফিটা আক্ষেপ হয়েই থাকবে ৩৪ বছর বয়সী স্ট্রাইকারের কাছে। 

বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হতে না পারলেও নেইমারকে সেই ‘স্বাদ’ দিচ্ছেন নিকো উইলিয়ামস।

আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে স্পেন বিশ্বকাপ জিতেই সোনালি ট্রফিটা নেইমারকে উৎসর্গ করেছেন উইলিয়ামস। এটি যেন নেইমারের জন্য ‘দুধের স্বাদ ঘোলে মেটানো’।

নেইমারকে আদর্শ হিসেবে মানেন উইলিয়ামস। সেদিক থেকেই প্রিয় খেলোয়াড়ের প্রতি অর্ঘ্য প্রদান করলেন স্পেনের স্ট্রাইকার।

ফাইনাল শেষে মেটলাইফ মাঠে সাংবাদিকদের তিনি বলেছেন, ‘আমি খুবই খুশি। এটা আমার জীবনের সবচেয়ে সুন্দর মুহূর্ত। নেইমার আমার আইডল। আশা করি, তিনি আমাদের খেলা দেখেছেন। এই শিরোপা তার জন্যও।

ট্রফি জয়ের মুহূর্তটা আরো স্মরণীয় করার সুযোগ পেয়েছিলেন উইলিয়ামস। অতিরিক্ত সময়ে গোল করে সুযোগটা কাজেও লাগিয়েছিলেন। তবে আর্জেন্টিনার এক খেলোয়াড়কে মিকেল মেরিনো ফাউল করায় গোলটি বাতিল হয়। জয়ে অবশ্য ঠিকই অবদান রেখেছেন। তার অ্যাসিস্ট থেকেই জয়সূচক গোল করেন ফেরান তোরেস। বাতিল হওয়া গোল নিয়ে উইলিয়ামস বলেছেন, ‘গোল বাতিল হওয়ায় কোনো সমস্যা নেই। আমরা তো জিতেছি!’নেইমারকে বিশ্বকাপ উৎসর্গ করলেন স্পেনের স্ট্রাইকার


খেলাধূলা এর আরও খবর

খুলনাকে হারিয়ে প্রথম জয়ের স্বাদ নিল সিলেট

img

ফাইনালে হারের পর প্রথমবারের মতো মুখ খুললেন মেসি

প্রকাশিত :  ০৮:৫৯, ২১ জুলাই ২০২৬

বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেনের কাছে হারের একদিন পরও হতাশা কাটিয়ে উঠতে পারেননি লিওনেল মেসি। সোমবার দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি পরাজয়ের বেদনার কথা তুলে ধরেন। একই সঙ্গে সমর্থক ও সতীর্থদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বিশ্বকাপজয়ী স্পেনকে অভিনন্দন জানান।

স্প্যানিশ ভাষায় লেখা এ বিবৃতিটি মেসি নিজের ইনস্টাগ্রাম পেজে পোস্ট করেছেন। এর বাংলা ভাবার্থ এমন- ‘কষ্টটা অনেক বড়, আর এই ক্ষত সারতে সময় লাগবে। তবে আমি ভালো স্মৃতিগুলোও মনে রাখতে চাই... আমরা যে ম্যাচগুলো খেলেছি, নিজেদের সবটুকু উজাড় করে দিয়েছি, সেগুলো আমাদের স্মৃতিতে চিরদিন থেকে যাবে। পুরো একটা দেশের সমর্থন নিয়ে, দলের কঠোর পরিশ্রম আর প্রচেষ্টায়, আমরা আবারও বিশ্বসেরা দলগুলোর একটি হতে পেরেছি। আমরা কী অর্জন করেছি, তা আজ পুরোপুরি উপলব্ধি করা কঠিন, তবে এই দল টানা দুবার বিশ্বকাপ ফাইনালে পৌঁছেছে। প্রতিটি শুভেচ্ছা আর প্রতিটি বার্তার জন্য আমি হৃদয়ের গভীর থেকে কৃতজ্ঞতা জানাই। আমরা আবারও একটা দেশ হিসেবে একসঙ্গে জড়ো হয়েছি, আর্জেন্টাইন হওয়ার গর্বে। চ্যাম্পিয়ন হওয়ার জন্য আমি স্পেনকেও অভিনন্দন জানাতে চাই।’

মেসির এই বার্তা আবেগঘন হলেও, রোববারের ম্যাচের পর দুই দলের মধ্যে সম্পর্ক মোটেও বন্ধুত্বপূর্ণ ছিল না। ওই ম্যাচে স্পেন ১-০ গোলে জেতার পর মাঠে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় মেসি জড়িত ছিলেন না। তবে জানা গেছে, এ ঘটনা নিয়ে তদন্ত করবে ফিফা।

এ ম্যাচটি সম্ভবত মেসির বিশ্বকাপ ক্যারিয়ারেরও শেষ ম্যাচ হতে পারে। পরের বিশ্বকাপের সহ-আয়োজক থাকবে আর্জেন্টিনা। কিন্তু তখন মেসির বয়স হবে ৪৩ বছর। তিনি তখনও খেলতে পারবেন, এমনটা কল্পনা করা গেলেও বাস্তবে তা অসম্ভবই মনে হচ্ছে।

রোববার রানার্সআপ পদক হাতে নেওয়ার সময় কান্না চেপে রেখে মাঠ ছাড়েন মেসি। তার এ আচরণেই হয়তো ইঙ্গিত মিলেছিল, বিশ্বকাপের সঙ্গে তার পথচলা এখানেই শেষ হতে যাচ্ছে।

বয়স হলেও ২০২৬ বিশ্বকাপে নিজের সেরাটাই দিয়েছেন মেসি। এই আসরে অনেক রেকর্ড গড়েছেন তিনি। এমনকি গোল্ডেন বুট জেতার লড়াইয়েও ছিলেন তিনি। মেসি আর তার শেষ মুহূর্তের নৈপুণ্য না থাকলে, ফাইনালের অনেক আগেই হয়তো বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে যেত আর্জেন্টিনা।

তবে এত কিছুর পরও, টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জিততে পারেনি আর্জেন্টিনা। এ লক্ষ্য পূরণ না হওয়ার কষ্ট এখনো স্পষ্ট। মেসির পোস্টে সেটাই ফুটে উঠল।


খেলাধূলা এর আরও খবর