img

৫৬ পরীক্ষার্থীর ৫৫ জনই পেলো জিপিএ-৫

প্রকাশিত :  ০৭:১১, ১০ আগষ্ট ২০২৬

৫৬ পরীক্ষার্থীর ৫৫ জনই পেলো জিপিএ-৫

এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে সাফল্যের ধারা অব্যাহত রেখেছে ফেনী গার্লস ক্যাডেট কলেজ। চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষায় প্রতিষ্ঠানটির ৫৬ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়ে ৫৫ জনই জিপিএ-৫ পেয়েছে। সোমবার (১০ আগস্ট) সকালে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

সোমবার সকালে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। ফলাফলে সন্তোষ প্রকাশ করে কলেজের ১৮তম ইনটেকের শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন অধ্যক্ষ এস এম ফয়সল, পিএসসি।

অধ্যক্ষ বলেন, চমৎকার ফলাফলের পেছনে সেনাসদরের সঠিক নির্দেশনা, কলেজ প্রশাসনের সময়োপযোগী উদ্যোগ, অনুষদ সদস্যদের আন্তরিক পাঠদান ও প্রেরণা এবং ক্যাডেটদের অবিরাম অধ্যবসায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

তিনি আরও বলেন, ক্যাডেট কলেজে অনুসৃত শৃঙ্খলা, কঠোর অনুশাসন ও যুগোপযোগী শিক্ষাদান পদ্ধতির কারণেই ক্যাডেটরা প্রতিবছর একাডেমিক ক্ষেত্রে দৃষ্টান্তমূলক ফল করছে। নিয়মিত অনুশীলন ও অধ্যবসায় থাকলে অল্প সময়ের পাঠপরিক্রমাতেও বড় অর্জন সম্ভব।

ফেনী গার্লস ক্যাডেট কলেজ প্রতিষ্ঠার পর থেকেই কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের অন্যতম শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান হিসেবে নিজেদের অবস্থান ধরে রেখেছে বলেও জানান অধ্যক্ষ।

এ বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ পরীক্ষার্থী অংশ নেন। এর মধ্যে ছাত্র ৯ লাখ ৩০ হাজার ৩০৫ এবং ছাত্রী ৯ লাখ ২৭ হাজার ৩৯ জন।

৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষার্থী ছিল ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩৯৮ জন। মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে দাখিলে ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮৬ এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন পরীক্ষায় অংশ নেয়।

সারা দেশে ৩ হাজার ৮৮৫টি কেন্দ্রে ৩০ হাজার ৬৬৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এবারের পরীক্ষায় অংশ নেয়।

বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. সৈয়দ আকতারুজ্জামান জানিয়েছেন, নির্ধারিত ওয়েবসাইট ও এসএমএসের পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকেও ফল সংগ্রহ করা যাবে।


 


img

ইসলামপুরে ৩ শিক্ষার্থীর জন্য ৯ শিক্ষক, সবাই ফেল

প্রকাশিত :  ০৭:২০, ১১ আগষ্ট ২০২৬

জামালপুরের ইসলামপুরে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নেওয়া দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। শতভাগ অকৃতকার্য প্রতিষ্ঠান দুটির মধ্যে একটি উচ্চবিদ্যালয় এবং অন্যটি দাখিল মাদ্রাসা।

সোমবার প্রকাশিত ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে এ তথ্য জানা গেছে। প্রতিষ্ঠান দুটির কোনো শিক্ষার্থীই কৃতকার্য না হওয়ায় সেখানে শতভাগ অকৃতকার্যের হার দেখা গেছে।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, প্রতিষ্ঠান দুটি হলো—ইসলামপুরের কদমতলী ক্বারীপাড়া উচ্চবিদ্যালয় এবং বীর মাইজবাড়ী দাখিল মাদ্রাসা।

জানা গেছে, কদমতলী ক্বারীপাড়া উচ্চবিদ্যালয়ে নয়জন শিক্ষক থাকলেও মাত্র তিনজন শিক্ষার্থীকে পাঠদান করিয়ে তাদের একজনকেও এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ করাতে পারেনি প্রতিষ্ঠানটি। অন্যদিকে, বীর মাইজবাড়ী দাখিল মাদ্রাসায় আটজন শিক্ষক থাকলেও দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ১৮ শিক্ষার্থীর কেউই উত্তীর্ণ হতে পারেনি।

কদমতলী ক্বারীপাড়া উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. সাইফুল্লাহ বলেন, ‘বিদ্যালয়টি গত বছর পাঠদানের অনুমতি পেয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী, বিদ্যালয়টির শিক্ষার্থীদের ২০২৭ সালে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার কথা। রেজিস্ট্রেশন ও পরীক্ষা-সংক্রান্ত বিষয় যাচাইয়ের জন্য তিনজন শিক্ষার্থীকে এবার পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল।’

বীর মাইজবাড়ী দাখিল মাদ্রাসার সুপার হাবিবুর রহমান বলেন, ‘প্রতিষ্ঠানে বিজ্ঞান বিভাগের বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক সংকট রয়েছে। এ কারণে শিক্ষার্থীদের ফলাফলে প্রভাব পড়েছে।’

ইসলামপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একাডেমিক সুপারভাইজার মোহাম্মদ মামুন অর রশীদ বলেন, ‘কদমতলী ক্বারীপাড়া উচ্চবিদ্যালয় থেকে তিনজন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। তাদের কেউই পাস করতে পারেনি। বিদ্যালয়টিতে নয়জন শিক্ষক রয়েছেন।’

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আরিফা আক্তার বলেন, ‘শতভাগ অকৃতকার্য হওয়ার বিষয়ে আমরা প্রতিষ্ঠান দুটির কাছে জবাবদিহি চাইব। পরবর্তীতে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’


শিক্ষা এর আরও খবর