img

রংপুরে চার হত্যাকাণ্ড: খুনের দায় স্বীকার, কারাগারে সিদ্ধার্থ-মুগ্ধ

প্রকাশিত :  ০৬:১২, ২৪ আগষ্ট ২০২৬

রংপুরে চার হত্যাকাণ্ড: খুনের দায় স্বীকার, কারাগারে সিদ্ধার্থ-মুগ্ধ

রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী ও দুই সন্তান হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার দুই যুবক আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। রোববার (২৩ আগস্ট) রাতে রংপুর চিফ মেট্রোপলিটন আদালত-২-এ ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাস। জবানবন্দি গ্রহণ শেষে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। 

রোববার (২৩ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে দুই আসামিকে রংপুর মেট্রোপলিটন মুখ্য হাকিম আদালতে হাজির করে পুলিশ। পরে বিচারক মো. রফিকুল ইসলামের কাছে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় তারা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মিলন চ্যাটার্জি বলেন, ‘গ্রেপ্তার দুই যুবক আদালতে হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করেছেন। তারা নিজেদের দায় স্বীকার করায় পুলিশ রিমান্ডের আবেদন করেনি।’

তদন্ত কর্মকর্তা আরও জানান, জবানবন্দিতে আসামিরা হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন। তবে তদন্তের স্বার্থে এই মুহূর্তে তা প্রকাশ করা যাচ্ছে না। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত অন্য সবার নামও বের করে আইনের আওতায় আনা হবে।

আইনি প্রক্রিয়া শেষে রাত সাড়ে ১১টার দিকে সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত। পরে প্রিজন ভ্যানে করে তাদের কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।

এর আগে শনিবার রাতে নগরীর মাছুয়াপাড়া এলাকার নিজ বাড়ি থেকে রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী ও দুই সন্তানের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনার পর রোববার ভোরে একই এলাকার দুই যুবক মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাসকে আটক করা হয়।

এ ঘটনায় নিহত গণপতি চক্রবর্তীর বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী বাদী হয়ে রোববার কোতোয়ালি থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন।


img

ইয়াবাসহ পল্লবী থানার এএসআই শফিকুল গ্রেফতার

প্রকাশিত :  ১৯:১৫, ২৪ আগষ্ট ২০২৬

মাদক কারবারের অভিযোগে ৫ হাজার ৩১০ পিস ইয়াবাসহ ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) পল্লবী থানার এএসআই মো. শফিকুল ইসলাম (৪৩) ও ওয়াসিম (২৪)কে গ্রেপ্তার করেছে দক্ষিণখান থানা পুলিশ।

রোববার দিনগত রাতে উত্তরা আজমপুর কাঁচাবাজার ও বিসমিল্লাহ পল্লী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে দক্ষিণখান থানার এসআই বখতিয়ার হোসেন যুগান্তরকে জানান, মাদক বিক্রির গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজমপুর কাঁচাবাজার এলাকায় অভিযান চালানো হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর সময় ওয়াসিমকে তল্লাশি করে ৫০ পিস ইয়াবা পাওয়া যায়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একটি ভাড়া বাসায় অভিযান চালিয়ে এএসআই শফিকুলকে ২০০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার করা হয়।

পরে তাদের তথ্যের ভিত্তিতে আজমপুর কাঁচাবাজারের বিসমিল্লাহ পল্লীর ৬৭ নম্বর নূর বিল্ডিংয়ের একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালিয়ে আরও ৫ হাজার ১১০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ নিয়ে মোট ৫ হাজার ৩১০ পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়েছে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দক্ষিণখান থানা এসআই শাহিনুর রহমান যুগান্তরকে বলেন, এ ঘটনায় সোমবার দক্ষিণখান থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে। মামলায় গ্রেফতার দুজন ছাড়াও অজ্ঞাতনামা আরও ২-৩ জনকে আসামি করা হয়েছে। পরে তাদের আদালতে পাঠানো হলে বিচারক কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতাররা দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ইয়াবা এনে দক্ষিণখানসহ আশপাশের এলাকায় বিক্রির কথা স্বীকার করেছেন।

পল্লবী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) এমদাদুল হক যুগান্তরকে বলেন, এএসআই মো. শফিকুল ইসলাম এ থানায় অনিয়মিত হিসাবে দায়িত্বরত ছিলেন। তার গ্রেফতারের বিষয়টি আমরাও শুনেছি। 

বাংলাদেশ এর আরও খবর