img

গলফ টুর্নামেন্টে যোগ দিতে আয়ারল্যান্ড যাচ্ছেন ট্রাম্প

প্রকাশিত :  ০৭:৪৮, ২৪ আগষ্ট ২০২৬

গলফ টুর্নামেন্টে যোগ দিতে আয়ারল্যান্ড যাচ্ছেন ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর আয়ারল্যান্ড সফর করবেন। সফরের মূল উদ্দেশ্য, কাউন্টি ক্লেয়ারের ডুনবেগে তার মালিকানাধীন গলফ কোর্সে অনুষ্ঠিত আইরিশ ওপেন গলফ টুর্নামেন্টে উপস্থিত থাকা। হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা এ তথ্য জানিয়েছেন।

সফরকালে ট্রাম্প মার্কিন দূতাবাসের কর্মী ও ব্যবসায়ী কর্মকর্তাদের সঙ্গে একটি অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন। এরপর তিনি ‘ট্রাম্প ইন্টারন্যাশনাল গলফ লিংকস আয়ারল্যান্ডে’ আয়োজিত টুর্নামেন্টে যোগ দেবেন।

তবে এই সফরকে ঘিরে আবারও প্রশ্ন উঠেছে—ট্রাম্পের প্রেসিডেন্ট হিসেবে সরকারি সফর এবং তার পরিবারের ব্যবসায়িক স্বার্থ কতটা পরস্পরের সঙ্গে জড়িয়ে আছে।

ট্রাম্পের দুই ছেলে বর্তমানে ট্রাম্প অর্গানাইজেশনের দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। আয়ারল্যান্ড সফরও এমন একটি উদাহরণ হিসেবে সামনে এসেছে, যেখানে প্রেসিডেন্টের সরকারি সফরের পাশাপাশি পরিবারের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানও সুবিধা পেতে পারে।

হোয়াইট হাউসের ওই কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, সেপ্টেম্বরে দুই দিনের সফরে আয়ারল্যান্ডে থাকবেন ট্রাম্প।

আয়ারল্যান্ড সফরের ঠিক আগে, ৯ ও ১০ সেপ্টেম্বর ডালাসে রিপাবলিকান পার্টির একটি জাতীয় সম্মেলনে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে ট্রাম্পের। নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে রিপাবলিকান প্রার্থীদের পক্ষে প্রচারণা জোরদার করতেই এই আয়োজন করা হচ্ছে।

ট্রাম্পের বিভিন্ন গলফ কোর্সও তার সরকারি ও ব্যক্তিগত সফরসূচিতে নিয়মিত গুরুত্ব পাচ্ছে। আগস্টে নিউ জার্সির বেডমিনস্টারে তার গলফ কোর্সে ‘এলআইভি গলফ টুর্নামেন্ট’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এ ছাড়া দক্ষিণ ফ্লোরিডার ডোরালে ট্রাম্পের আরেকটি গলফ কোর্সে ২০২৮ সালের মার্চে ‘ক্যাডিলাক চ্যাম্পিয়নশিপ’ আয়োজনের কথা রয়েছে।

স্কটল্যান্ডের টার্নবেরিতে অবস্থিত ট্রাম্পের গলফ কোর্সে আবার ‘ব্রিটিশ ওপেন’ আয়োজনের আগ্রহের কথাও জানিয়েছেন তিনি। সেখানে সর্বশেষ ২০০৯ সালে এই টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়েছিল। তবে বর্তমানে সেখানে আবার আয়োজন করতে বড় ধরনের অবকাঠামোগত ও ব্যবস্থাপনাগত চ্যালেঞ্জ রয়েছে।

img

বাংলাদেশের বিপক্ষে বিধ্বংসী ফাইফারে স্টার্কের নতুন ইতিহাস

প্রকাশিত :  ০৮:১১, ২২ আগষ্ট ২০২৬

ডারউনে সিরিজের প্রথম টেস্টে হারের পর ঘুরে দাঁড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে ম্যাকাই টেস্টে মাঠে নেমেছিল অস্ট্রেলিয়া। শুরুতেই সেই বার্তার জোরালো প্রমাণ দিলেন মিচেল স্টার্ক। মাত্র ১২ রানের মধ্যেই বাংলাদেশের ৫ উইকেট তুলে নিয়ে একাই সফরকারীদের ব্যাটিংয়ে ধস নামান বাঁহাতি এই পেসার। 

ইনিংসের প্রথম বলেই সাদমান ইসলামকে গোল্ডেন ডাকে ফেরান স্টার্ক। এরপর একে একে তানজিদ হাসান তামিম, নাজমুল হোসেন শান্ত, মুমিনুল হক ও লিটন দাসকে সাজঘরে পাঠিয়ে পূর্ণ করেন ৫ উইকেট। মাত্র ২২ বলে ফাইফার নিয়ে টেস্ট ইতিহাসে দ্রুততম ৫ উইকেট শিকারের তালিকায় চতুর্থ স্থানে উঠে এসেছেন তিনি।

তবে দ্রুততম ফাইফারের রেকর্ডও স্টার্কেরই দখলে। গত বছর ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মাত্র ১৫ বলেই ৫ উইকেট নিয়েছিলেন তিনি। ১৯ বলে ফাইফার নেওয়ার কীর্তি রয়েছে আর্নেস্ট টশাক, স্টুয়ার্ট ব্রড ও স্কট বোল্যান্ডের। আর ২১ বলে ৫ উইকেট নেওয়া শেন ওয়াটসনের পর এবার ২২ বলে ফাইফার করে সেই তালিকায় জায়গা করে নিলেন স্টার্ক।

বাংলাদেশের বিপক্ষে এই বিধ্বংসী স্পেলে স্টার্ক খরচ করেছেন মাত্র ৪ রান। তার শিকার হওয়া ৫ ব্যাটারের মধ্যে শুধু মুমিনুল হকই রানের খাতা খুলতে পেরেছেন।

এদিকে এই ৫ উইকেটের মাধ্যমে টেস্টে পেসারদের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারির তালিকায় আরও এক ধাপ এগিয়েছেন স্টার্ক। বাংলাদেশের বিপক্ষে ৫ উইকেট নিয়ে তিনি ছাড়িয়ে গেছেন দক্ষিণ আফ্রিকার কিংবদন্তি ডেল স্টেইনকে, যার শিকার ৪৩৯ উইকেট। পেসারদের মধ্যে সর্বোচ্চ ৭০৪ উইকেট নিয়ে শীর্ষে রয়েছেন ইংল্যান্ডের জেমস অ্যান্ডারসন।


খেলাধূলা এর আরও খবর