img

জম্মু-কাশ্মীরে পাকিস্তানি ড্রোনের অনুপ্রবেশ, সতর্ক ভারতীয় বাহিনী

প্রকাশিত :  ০৫:৪৪, ২৯ আগষ্ট ২০২৬

জম্মু-কাশ্মীরে পাকিস্তানি ড্রোনের অনুপ্রবেশ, সতর্ক ভারতীয় বাহিনী

জম্মু ও কাশ্মীরের নিয়ন্ত্রণরেখা (এলওসি) এলাকায় নতুন করে ড্রোন তৎপরতা শনাক্ত হওয়ায় নিরাপত্তা জোরদার করেছে ভারতীয় বাহিনী। রাজৌরির নওশেরা সেক্টরের রুমলিধারা এলাকায় সীমান্তের ওপার থেকে সন্দেহভাজন ড্রোন উড়তে দেখা যাওয়ার পর সেখানে তল্লাশি অভিযানও চালানো হয়েছে। নিরাপত্তা বাহিনী জানিয়েছে, পরিস্থিতি বিবেচনায় এলওসি বরাবর সর্বোচ্চ সতর্কতা বজায় রাখা হচ্ছে। 

সেনাবাহিনী সূত্র জানিয়েছে, শুক্রবার, ২৮ আগস্ট রাত প্রায় ৮টা ৫ মিনিটে পাকিস্তানের দিক থেকে একটি চালকবিহীন আকাশযান বা ড্রোনের চলাচল শনাক্ত করা হয়। সেনাবাহিনীর সদস্যরা রাজৌরির বেহরুটি এলাকার আকাশে ড্রোনটিকে চক্কর দিতে দেখেন। এলাকাটি ২২ জম্মু ও কাশ্মীর রাইফেলসের দায়িত্বাধীন অভিযানের এলাকার মধ্যে পড়ে। ড্রোনটির গতিবিধি নজরদারিতে রাখেন সেনাসদস্যরা।

একপর্যায়ে এটি মঙ্গলনার-দাবরোতে এলাকার দিকে এগিয়ে যায়। বিষয়টি শনাক্ত হওয়ার পর নিরাপত্তা বাহিনী সম্ভাব্য অনুপ্রবেশের ঘটনা হিসেবে তা নথিভুক্ত করে।

এরপর নিয়ন্ত্রণরেখার সামনের পুরো এলাকায় নজরদারি আরও বাড়ানো হয়েছে। আকাশ ও স্থল- দুই পথেই কঠোরভাবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

নিরাপত্তা বাহিনীর লক্ষ্য হলো, ড্রোনের মাধ্যমে মাদক, অস্ত্র বা অন্য কোনো অবৈধ পণ্য সীমান্তের এপারে ফেলে যাওয়া হয়েছে কি না, তা খুঁজে দেখা। একই সঙ্গে নতুন করে কোনো অনুপ্রবেশের চেষ্টা হয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সীমান্তের কাছের এলাকাগুলোতে তল্লাশি অভিযানও জোরদার করা হয়েছে। সন্দেহজনক কোনো বস্তু বা ব্যক্তির সন্ধান পেতে বিভিন্ন স্থানে নজরদারি চালানো হচ্ছে।

সেনাবাহিনী জানিয়েছে, সীমান্ত এলাকায় নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।

তবে ড্রোনটির তৎপরতার উদ্দেশ্য বা এর মাধ্যমে কোনো কিছু সীমান্তের এপারে পাঠানো হয়েছিল কি না, সে বিষয়ে এখনো বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। ঘটনাটি নিয়ে আরো সরকারি তথ্যের অপেক্ষা করা হচ্ছে।

আন্তর্জাতিক এর আরও খবর

img

নেপালের বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৬২৩

প্রকাশিত :  ০৬:৫৮, ২৯ আগষ্ট ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ০৭:০৩, ২৯ আগষ্ট ২০২৬

নেপালে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৬২৩ জনে দাঁড়িয়েছে। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন ১ হাজার ৫০০ জনের বেশি মানুষ। শনিবার (২৯ আগস্ট) পর্যন্ত নদীর ভাটি অঞ্চল থেকে একের পর এক মরদেহ উদ্ধারের তথ্য জানিয়েছে আনাদোলু এজেন্সি। উদ্ধার অভিযান অব্যাহত থাকায় হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

নেপাল পুলিশ জানিয়েছে, তারা এ পর্যন্ত ৬১৬টি মরদেহ উদ্ধার করেছে, যার মধ্যে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত চিতওয়ানে ২৩৩টি এবং পূর্ব নওয়ালপরাসিতে ১৫৮টি মৃতদেহ পাওয়া গেছে। এছাড়া হিমালয় থেকে উৎপন্ন হওয়া ভোটেকোশী ও ত্রিশূলি নদীর উপচে পড়া পানিতে ভেসে যাওয়া ডজনখানেক মানুষের লাশ গোর্খা, ধাদিং ও নুয়াকোট অঞ্চল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে, যাদের অনেকের মরদেহ ভারত সীমান্ত পর্যন্ত ভেসে গেছে।

নেপাল অংশে ৫১১ জন বিদেশী নাগরিকসহ মোট ৬৩৮ জন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। অন্যদিকে চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম সিনহুয়ার বরাতে জানা গেছে, দেশটির তিব্বত অংশে সাতজনের মৃত্যু হয়েছে এবং ৫৫৪ জন মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।

উদ্ধার অভিযানের অংশ হিসেবে নেপালি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ২ হাজার ৩০১ জন মানুষকে উদ্ধার বা আহত অবস্থায় চিকিৎসা প্রদান করা হয়েছে, যাদের বেশিরভাগই নুয়াকোট ও রসুয়া জেলার বাসিন্দা।

বর্তমানে ক্ষতিগ্রস্ত কেন্দ্রীয় জেলাগুলোতে ৪ হাজার ৮১১ জন পুলিশ সদস্য উদ্ধারকাজে নিয়োজিত রয়েছেন। এছাড়া দায়িত্ব পালনকালে ২৭ জন পুলিশ সদস্য এখনও নিখোঁজ রয়েছেন বলে পুলিশি তথ্যে উল্লেখ করা হয়েছে।

সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

আন্তর্জাতিক এর আরও খবর