img

'আমার শরীর, পোশাক নিয়ে সিদ্ধান্তও আমার'

প্রকাশিত :  ১৬:০১, ৩১ আগষ্ট ২০২৬

'আমার শরীর, পোশাক নিয়ে সিদ্ধান্তও আমার'

জার্মানিতে ভ্রমণের একটি ভিডিও গত শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশের পর নিজের পোশাক ও শরীর নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের শিকার হয়েছেন অভিনেত্রী প্রিয়ন্তী উর্বী।

বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেছেন, শরীর আমার, পোশাক আমার; সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার অন্য কারও নেই।

শনিবার (২৯ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করে প্রিয়ন্তী লেখেন, কিছু মানুষের মন্তব্য পড়ে আমি সত্যিই অস্বস্তিতে আছি। একটি মেয়ের শরীর, পোশাক ও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে নোংরা ভাষায় কথা বলার মধ্যে মানুষ কী আনন্দ খুঁজে পায়, তা আমার বোধগম্য নয়।

তিনি আরও বলেন, একটা কথা পরিষ্কার করে বলতে চাই, আমার শরীর, আমার পোশাক, আমার ফেসবুক প্রোফাইল এসব নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার আপনাদের নেই। ভালো না লাগলে দেখবেন না, পছন্দ না হলে আনফলো করবেন।

আপত্তিকর মন্তব্য প্রসঙ্গে অভিনেত্রী বলেন, যারা এ ধরনের মন্তব্য করছেন, তাদের পরিবার বা কাছের মানুষদের কাছে সেসব মন্তব্যের স্ক্রিনশট পাঠালে কেমন হয়।

প্রিয়ন্তী বলেন, যারা আমার পোশাক এবং শরীর নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেছেন, এমন অনুসারী থাকার চেয়ে না থাকাই ভালো।

প্রসঙ্গত, ২০২১ সালে অভিনয়ে অভিষেক হয় প্রিয়ন্তী উর্বীর। এরপর কয়েকটি আলোচিত নাটক ও ওয়েব কনটেন্টে অভিনয়ের মাধ্যমে পরিচিতি পান তিনি। সিনেমাতেও কাজ করেছেন এই অভিনেত্রী। বর্তমানে মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে তার অভিনীত নতুন সিনেমা ‘বকুলের বুকে রক্তকরবী’।


বিনোদন এর আরও খবর

img

তাহলে কি ভেঙে যাচ্ছে সাবিলার ৭ বছরের সংসার?

প্রকাশিত :  ০৬:৪৮, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ০৬:৫২, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

শোবিজ অঙ্গনে একের পর এক তারকার দাম্পত্য টানাপড়েন ও বিচ্ছেদ সংবাদের মাঝে এবার আলোচনায় এসেছে ছোট ও বড় পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাবিলা নূরের নাম। স্বামী নেহাল সুনন্দ তাহেরের সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পর্কের টানাপড়েন এবং আলাদা থাকার গুঞ্জন নিয়ে বিনোদনপাড়ায় তুমুল চর্চা চলছে। সাত বছরের প্রেমের পর ২০১৯ সালে পারিবারিকভাবে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়া এই তারকা জুটির বিচ্ছেদ এখন কেবলই সময়ের ব্যাপার বলে বাতাসে খবর ভাসছে।

সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্রের বরাতে জানা গেছে, সাবিলা নূরের দাম্পত্য কলহের পেছনে রয়েছে শোবিজপাড়ারই একজন ডিরেক্টর অব ফটোগ্রাফি (ডিওপি) আবদুল মামুনের সঙ্গে নতুন সম্পর্কের সূচনা। ‘রকস্টার’ সিনেমার দৃশ্যধারণের সময় কাজের সূত্রে দুজনের পরিচয় ঘটে, যা পরবর্তীতে ব্যক্তিগত সম্পর্কে রূপ নেয়। কাজের সেটে তাদের এই ঘনিষ্ঠতা পুরো টিমের কাছে ‘ওপেন সিক্রেট’ ছিল বলেও সংশ্লিষ্ট ইউনিট সূত্রে দাবি করা হচ্ছে। এমনকি এতে কাজের ব্যাঘাত ঘটায় প্রযোজনা পক্ষ তাকে পরিবর্তনের কথাও ভেবেছিল, তবে শেষ পর্যন্ত কাজ সম্পন্ন করার স্বার্থেই বিষয়টি চেপে রাখা হয়।

এদিকে অভিনেত্রীর এই নতুন সম্পর্কের প্রভাব কেবল তার নিজের সংসারেই সীমাবদ্ধ থাকেনি; এর ফলে তিশা নামের এক তরুণীর দীর্ঘ সাত বছরের ভালোবাসার সম্পর্ক ও প্রায় চূড়ান্ত হয়ে যাওয়া বিয়ে ভেঙে গেছে বলে জোরালো অভিযোগ উঠেছে। সহকারী পরিচালক থেকে প্রযোজনা জগতে আসা তিশা জানান, ‘রকস্টার’ সিনেমার কাজ শেষ হওয়ার পরপরই মে মাসের ১৫ তারিখে ডিওপি আবদুল মামুনের সঙ্গে তার সামাজিক বিয়ের দিনক্ষণ চূড়ান্ত ছিল।

গণমাধ্যমে ক্ষোভ ও কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিশা অভিযোগ করেন, সাবিলা নূরের সঙ্গে সম্পর্কের জেরে বিয়ের মাত্র ১০ দিন আগে মামুন হঠাৎ করেই তাকে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানান। অনেক বোঝানোর চেষ্টা করেও তার মন ঘোরানো সম্ভব হয়নি।

তিশার ভাষ্য, ‘সাবিলা নূর আমাদের দীর্ঘ প্রেমের সম্পর্কের কথা পুরোপুরি জানতেন। একজন নারী হয়েও তিনি আরেকজন নারীর ক্ষতির কথা ভাবেননি। মামুন একজন বড় তারকাকে পেয়ে আমার সাত বছরের ভালোবাসা ও আত্মত্যাগের কোনো মূল্য দিল না।’ তিশা আরও জানান, মামুনের ক্যারিয়ারের কথা বিবেচনা করেই তিনি নিজে উদ্যোগ নিয়ে পূর্বনির্ধারিত বিয়ের তারিখ পিছিয়ে দিয়েছিলেন, যা পরবর্তীতে তার ব্যক্তিগত জীবনের জন্য কাল হয়ে দাঁড়াল। পরিবার আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা ভাবলেও মামুনের প্রতি আবেগ থেকে তিনি তাতে সম্মতি দেননি।

উল্লেখ্য, সাবিলা নূরের দাম্পত্য দূরত্বের খবর প্রকাশ্যে আসার শুরুতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সহশিল্পী শাকিব খানের সঙ্গে তার নাম জড়িয়ে কিছু জল্পনাকল্পনা ছড়ানো হয়েছিল। তবে অনুসন্ধানে জানা যায়, শাকিব খানের বিষয়টি পুরোপুরি ভিত্তিহীন ও নিছক গুঞ্জন ছিল। পুরো পরিস্থিতির কেন্দ্রবিন্দুতে মূলত সংশ্লিষ্ট ডিওপির সঙ্গে গড়ে ওঠা সম্পর্কই প্রধান কারণ হিসেবে আলোচিত হচ্ছে।

চলমান এই বিতর্ক, দাম্পত্য কলহ এবং নতুন সম্পর্কের গুঞ্জন নিয়ে গণমাধ্যম থেকে চলচ্চিত্রটির পরিচালক আজমান রুশোর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষয়টি নিয়ে তাৎক্ষণিক মন্তব্য এড়িয়ে যান এবং পরবর্তীতে কথা বলবেন বলে জানান।

অন্যদিকে ব্যাপক আলোচনা ও অভিযোগের মুখেও অভিনেত্রী সাবিলা নূর কিংবা তার স্বামী নেহাল সুনন্দ তাহেরের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য বা স্পষ্টীকরণ আসেনি।