img

ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে অভিনয় করে সমালোচনার মুখে নায়িকা রুক্মিণী

প্রকাশিত :  ০৭:০৫, ২৯ আগষ্ট ২০২৬

ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে অভিনয় করে সমালোচনার মুখে নায়িকা রুক্মিণী

বহুল প্রতীক্ষিত কন্নড় সিনেমা ‘টক্সিক: আ ফেয়ারিটেল ফর গ্রোন–আপস’ ২৬ আগস্ট বিশ্বজুড়ে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির পর থেকেই নানা কারণে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। ‘কেজিএফ: চ্যাপ্টার ২’–এর পর দীর্ঘ চার বছর পর এই সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় ফিরেছেন জনপ্রিয় অভিনেতা যশ।

গীতু মোহনদাস পরিচালিত এবং গোয়ার পর্তুগিজ আমলের পটভূমিতে নির্মিত এই গ্যাংস্টার ড্রামাটি মুক্তির পর থেকেই দর্শকের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছে। তবে ছবির গল্প ও নির্মাণশৈলীর পাশাপাশি এবার অভিনেত্রী রুক্মিণী বসন্তের একটি ‘সাহসী’ দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছে।

সিনেমায় যশের সঙ্গে কিয়ারা আদভানি, নয়নতারা, হুমা কুরেশি, তারা সুতারিয়া ও রুক্মিণী বসন্তের মতো তারকারা অভিনয় করেছেন। মুক্তির পরপরই রুক্মিণীর একটি নির্দিষ্ট দৃশ্য নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার ঝড় ওঠে। এক্সে (সাবেক টুইটার) এক দর্শক ক্ষোভ প্রকাশ করে লেখেন, রুক্মিণীর কাছ থেকে এমন কিছু অপ্রত্যাশিত ছিল। আরেকজন একে ‘সস্তা চিত্রনাট্য’ বলে মন্তব্য করেছেন। তবে এর বিপরীতে কিছু অনুসারী অভিনেত্রীর পক্ষে অবস্থান নিয়ে দাবি করেছেন যে, সিনেমায় তার কোনো চুম্বন বা অন্তরঙ্গ দৃশ্য নেই, তাই তাকে নিয়ে অপ্রয়োজনীয় বিতর্ক তৈরি করা হচ্ছে।

কেবল রুক্মিণীই নন, এর আগে কিয়ারা আদভানি ও যশের ঘনিষ্ঠ দৃশ্য নিয়েও সোশ্যাল মিডিয়ায় নানা আলোচনা হয়েছিল। অবশ্য সিনেমার প্রচারের সময় কিয়ারা ও যশ দুজনেই স্পষ্ট করেছিলেন যে, কেবল টিজার বা গানের বিচ্ছিন্ন কোনো দৃশ্য দেখে পুরো সিনেমা নিয়ে মন্তব্য করা উচিত নয়, গল্পের খাতিরেই এসব দৃশ্য রাখা হয়েছে। প্রাপ্তবয়স্ক দর্শকের জন্য রূপকথার আবহে তৈরি গ্যাংস্টার ধাঁচের এই সিনেমাটি অপরাধজগৎ ও ক্ষমতার লড়াই তুলে ধরলেও, মুক্তির পর এর গল্প ও চিত্রনাট্য নিয়ে দর্শকদের একাংশের মধ্যে অসন্তোষ দেখা গেছে।

img

এই অবস্থা চলতে থাকলে গৃহযুদ্ধ আসন্ন : মম

প্রকাশিত :  ১০:৪২, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১১:০৯, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ইতালির ভেনিসে আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে যোগ দিতে গিয়ে অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন হেনস্তার শিকার হয়েছেন। এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অভিনেত্রী জাকিয়া বারী মম।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানান, এই অবস্থা চলতে থাকলে গৃহযুদ্ধ আসন্ন।

তিনি বলেন, ‘কিচ্ছু ঠিক হচ্ছে না! এই কর্মকাণ্ডগুলোর কোনটাই ভালো হচ্ছে না!’

পোস্টে মম নাগরিক জীবন অনিরাপদ জানিয়ে লেখেন, মাদ্রাসায় যৌন হয়রানি, ভিন্নমত ও ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের ওপর নির্যাতন, রাজনৈতিক দল বা মতের প্রতি অন্ধ আনুগত্য, খুন, সন্ত্রাস, রাহাজানি, শিশু নিখোঁজ ও ধর্ষণের মতো ঘটনাগুলো সমাজে নিরাপত্তাহীনতার অনুভূতি তৈরি করছে।

তিনি আরও বলেন, ‘শিক্ষিত বেকারত্ব, নারীর প্রতি অসম্মান এবং নিজের মতের বাইরে থাকা মানুষকে ‘খারাপ’ হিসেবে চিহ্নিত করার প্রবণতাও পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।’

তার বক্তব্যে ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক বিষয় নিয়েও উদ্বেগের কথা উঠে এসেছে। মাজার উচ্ছেদ, মুক্তিযুদ্ধের প্রতি অসম্মান, ঐতিহাসিক মুরাল ভেঙে ফেলা, সিনেমা প্রদর্শনী বন্ধের দাবি, নাচ-গান, শিল্প-সাহিত্য ও নৌকাবাইচের মতো সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে আপত্তি সমাজের জন্য উদ্বেগজনক হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।

অভিনেত্রী তার পোস্টে রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। সাধারণ মানুষের আবেগকে পুঁজি করে এনসিপির জামায়াতের সাথে যোগদান এবং ধর্মের নামে রাজনীতির চর্চা নিয়েও তিনি সংশয় প্রকাশ করেন।

এর পাশাপাশি ভুতুড়ে বিদ্যুৎ বিল, গ্যাসের সংকট, সড়কে অনিয়ম ও নাগরিক নিরাপত্তাহীনতার মতো দৈনন্দিন সমস্যার কথাও তুলে ধরেছেন তিনি।

তার ভাষ্য, ‘আমরা সাধারণ মানুষ প্রতারিত হয়েছি এবং হচ্ছি।’

সামাজিক মাধ্যমে মম নিজের রাজনৈতিক অবস্থান পরিষ্কার করেন। তার ভাষায়, ‘আমি কোনও রাজনৈতিক দল করি না, আমার একটাই দল—বাংলাদেশ। এ দেশটা সুস্থ থাকুক, সেটাই চাই।’

বিনোদন এর আরও খবর