img

অল্পের জন্য বেঁচে ফিরে নেপালের ভয়াবহ অভিজ্ঞতা জানালেন অপু বিশ্বাস

প্রকাশিত :  ০৫:১০, ২৯ আগষ্ট ২০২৬

অল্পের জন্য বেঁচে ফিরে নেপালের ভয়াবহ অভিজ্ঞতা জানালেন অপু বিশ্বাস

নেপালে ভয়াবহ হড়পা বানে মৃতের সংখ্যা ৬০০ ছাড়িয়েছে, নিখোঁজ রয়েছেন দুই হাজারের বেশি মানুষ। এই ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যে দেশটিতে শুটিংয়ে থাকা ঢাকাই চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস ও তার নতুন সিনেমা ‘শিকার’-এর পুরো ইউনিটও আটকা পড়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত সবাই নিরাপদে দেশে ফিরেছেন। পরিস্থিতি ও মানবিক দিক বিবেচনায় নেপালের শুটিং আপাতত স্থগিত করা হয়েছে। 

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) ঢাকায় ফিরে গণমাধ্যমকর্মীদের মুখোমুখি হয়ে নেপালের সেই ভয়ংকর অভিজ্ঞতার কথা জানান অপু বিশ্বাস।

জানান, গত ২৬ আগস্ট কাঠমান্ডু থেকে প্রায় দুই-তিন ঘণ্টার দূরত্বের একটি পাহাড়ি এলাকায় ভয়াবহ দুর্যোগটি ঘটে। কাকতালীয়ভাবে তাদের পরিকল্পনা ছিল ২৭ আগস্ট একই পথ দিয়ে যাত্রা করার। ভ্রমণের সময় একদিন পর হওয়ায় অলৌকিকভাবে বড় দুর্ঘটনার হাত থেকে বেঁচে যায় ‘শিকার’ সিনেমার শুটিং টিম।

ভয়ংকর সেই মুহূর্তের বিবরণ দিয়ে অপু বলেন, ‘আমাদের যে রাস্তা দিয়ে কাঠমান্ডু ঢোকার কথা ছিল, ঠিক তার কাছাকাছি সময়েই এই দুর্ঘটনা ঘটে। এটি আল্লাহর অশেষ রহমত যে ২৬ তারিখ নয়, ২৭ তারিখ আমাদের মুভ করার কথা ছিল। তবে দুর্যোগটি এতটাই ভয়াবহ ছিল যে, ওই রাস্তাটি আগামী ১৫ থেকে ২০ দিনের জন্য যাতায়াত সম্পূর্ণ বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।’

দুর্ভোগের মাঝে কাজ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত প্রসঙ্গে এই নায়িকা বলেন, ‘এমন ভয়াবহ পরিস্থিতিতে মানুষের দুর্ভোগের মাঝে গানের শুটিং করা অত্যন্ত অমানবিক দেখায়। তাই আমি পুরো টিমের সঙ্গে আলোচনা করে শুটিং স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিই এবং সবাই নিরাপদে দেশে ফিরে আসি।’

উল্লেখ্য, বেশ কিছুদিন ধরে নেপালে ‘শিকার’ সিনেমার শুটিং চলছিল। ছবিতে অপুর পাশাপাশি অভিনয় করছেন ওপার বাংলার অভিনেতা খরাজ মুখার্জিও। যখন নেপালে বন্যা, ভূমিধসের ঘটনায় প্রাণহানির কথা খবরে আসতে থাকে, তখনই তাদের নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়ে ভক্তরা। গতকাল কলকাতা বিমানবন্দরে খরাজ পা রাখতেই ভক্ত সকলকে আশ্বস্ত করেন তারা নিরাপদে ছিলেন; তার ঘণ্টা কয়েক পর অপু বিশ্বাস ঢাকায় ফিরে সেখানকার অবস্থার কথা জানালেন। 

img

এই অবস্থা চলতে থাকলে গৃহযুদ্ধ আসন্ন : মম

প্রকাশিত :  ১০:৪২, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১১:০৯, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ইতালির ভেনিসে আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে যোগ দিতে গিয়ে অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন হেনস্তার শিকার হয়েছেন। এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অভিনেত্রী জাকিয়া বারী মম।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানান, এই অবস্থা চলতে থাকলে গৃহযুদ্ধ আসন্ন।

তিনি বলেন, ‘কিচ্ছু ঠিক হচ্ছে না! এই কর্মকাণ্ডগুলোর কোনটাই ভালো হচ্ছে না!’

পোস্টে মম নাগরিক জীবন অনিরাপদ জানিয়ে লেখেন, মাদ্রাসায় যৌন হয়রানি, ভিন্নমত ও ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের ওপর নির্যাতন, রাজনৈতিক দল বা মতের প্রতি অন্ধ আনুগত্য, খুন, সন্ত্রাস, রাহাজানি, শিশু নিখোঁজ ও ধর্ষণের মতো ঘটনাগুলো সমাজে নিরাপত্তাহীনতার অনুভূতি তৈরি করছে।

তিনি আরও বলেন, ‘শিক্ষিত বেকারত্ব, নারীর প্রতি অসম্মান এবং নিজের মতের বাইরে থাকা মানুষকে ‘খারাপ’ হিসেবে চিহ্নিত করার প্রবণতাও পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।’

তার বক্তব্যে ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক বিষয় নিয়েও উদ্বেগের কথা উঠে এসেছে। মাজার উচ্ছেদ, মুক্তিযুদ্ধের প্রতি অসম্মান, ঐতিহাসিক মুরাল ভেঙে ফেলা, সিনেমা প্রদর্শনী বন্ধের দাবি, নাচ-গান, শিল্প-সাহিত্য ও নৌকাবাইচের মতো সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে আপত্তি সমাজের জন্য উদ্বেগজনক হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।

অভিনেত্রী তার পোস্টে রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। সাধারণ মানুষের আবেগকে পুঁজি করে এনসিপির জামায়াতের সাথে যোগদান এবং ধর্মের নামে রাজনীতির চর্চা নিয়েও তিনি সংশয় প্রকাশ করেন।

এর পাশাপাশি ভুতুড়ে বিদ্যুৎ বিল, গ্যাসের সংকট, সড়কে অনিয়ম ও নাগরিক নিরাপত্তাহীনতার মতো দৈনন্দিন সমস্যার কথাও তুলে ধরেছেন তিনি।

তার ভাষ্য, ‘আমরা সাধারণ মানুষ প্রতারিত হয়েছি এবং হচ্ছি।’

সামাজিক মাধ্যমে মম নিজের রাজনৈতিক অবস্থান পরিষ্কার করেন। তার ভাষায়, ‘আমি কোনও রাজনৈতিক দল করি না, আমার একটাই দল—বাংলাদেশ। এ দেশটা সুস্থ থাকুক, সেটাই চাই।’

বিনোদন এর আরও খবর