img

হেগসেথের সঙ্গে বিরোধ, ইস্তফা দিলেন মার্কিন সেনাপ্রধান

প্রকাশিত :  ০৬:৫২, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

হেগসেথের সঙ্গে বিরোধ, ইস্তফা দিলেন মার্কিন সেনাপ্রধান

প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের সঙ্গে দীর্ঘদিনের মতপার্থক্যের পর যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী প্রধানের পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন ড্যান ড্রিসকল। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে আনাদোলু এজেন্সি।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেওয়া ড্রিসকল আগামী কয়েকদিনের মধ্যে পেন্টাগন ত্যাগ করবেন। হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র অ্যানা কেলি এক বিবৃতিতে জানান, ট্রাম্পের এজেন্ডা বাস্তবায়নে ড্রিসকল অনন্য ভূমিকা রেখেছেন এবং তার নেতৃত্বে মার্কিন সেনাবাহিনী আরও শক্তিশালী হয়েছে।

ড্রিসকলের বিদায়ের ফলে সেনাবাহিনীতে সিনেট অনুমোদিত কোনো বেসামরিক বা সামরিক প্রধান রইল না। সাবেক জেনারেল র‍্যান্ডি জর্জকে হেগসেথ সরিয়ে দেওয়ার পর থেকে জেনারেল ক্রিস্টোফার লানেভ ভারপ্রাপ্ত প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ ছয় মাস পার হওয়ার মধ্যে সশস্ত্র বাহিনীর এই শূন্যতা নিয়ে উদ্বিগ্ন আইনপ্রণেতারা।

অ্যাক্সিওসের মতে, ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের সঙ্গে বন্ধুত্বের কারণে এতদিন ড্রিসকল রক্ষা পেলেও হেগসেথের সঙ্গে তার দ্বন্দ্ব কমেনি। ড্রিসকলের অসম্মতির পরেও পদোন্নতির তালিকা থেকে চারজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাকে বাদ দেওয়ার চেষ্টার কারণে এই উত্তেজনার সৃষ্টি হয় বলে দ্য নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে।

এর আগে ড্রিসকলের জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা কর্নেল ডেভিড বাটলারকে বরখাস্ত করার জন্য হেগসেথ চাপ দিলেও ড্রিসকল তা প্রতিহত করার চেষ্টা করেছিলেন বলে ফক্স নিউজ জানিয়েছিল। আধুনিকায়নের কাজের জন্য ‘ড্রোন গাই’ নামে পরিচিত ড্রিসকল মার্কিন সেনাবাহিনীর বার্ষিক বাজেট, ১০ লক্ষাধিক সেনা ও ৩ লাখ ৩০ হাজারের বেশি বেসামরিক কর্মচারীর দায়িত্বে ছিলেন।

সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি।

আন্তর্জাতিক এর আরও খবর

img

নেপাল-তিব্বতে আকস্মিক বন্যায় মৃতের সংখ্যা ছাড়াল ১০০০

প্রকাশিত :  ০৮:০৩, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নেপাল ও চীনের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল তিব্বতে আকস্মিক বন্যায় মৃতের সংখ্যা এক হাজার ছাড়িয়েছে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দুই দেশের সর্বশেষ তথ্যের বরাতে এ খবর জানিয়েছে বার্তাসংস্থা এএফপি।

নেপালের জাতীয় দুর্যোগ প্রশমন সংস্থা বলেছে, তাদের দেশে মৃতের সংখ্যা পৌঁছেছে ৯৮৭ জনে। অপরদিকে তিব্বতে ১৬ জনের মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছিল চীন। এতে দুই দেশ মিলিয়ে মৃতের সংখ্যা ১ হাজার ৩ জনে পৌঁছেছে।

৯৮৭টি মরদেহের পাশাপাশি অনেককে জীবিত উদ্ধার করেছে নেপাল। এতে করে দেশটিতে এখন নিখোঁজের সংখ্যা কমে ৩ হাজার ৯১৬ জনে পৌঁছেছে। অপরদিকে তিব্বতে নিখোঁজ আছেন ৫৪৬ জন।

ফলে দুই দেশে মোট নিখোঁজ আছেন ৪ হাজার ৪৬২ জন। ভয়াবহ ওই প্রাকৃতিক দুর্যোগের সপ্তম দিনের উদ্ধার কাজ চলছে আজ। এখনো যেহেতু সাড়ে চার হাজার মানুষ নিখোঁজ আছেন, তাই নিহতের সংখ্যা আরও অনেক বেশি বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এদিকে নেপালে নিখোঁজদের মধ্যে ৫৮৩ জন বিদেশি। যারা বিশ্বের ৩০টি দেশ থেকে হিমালয়ের দেশটিতে ঘুরতে এসেছিলেন। অপরদিকে চীনে ২৩ দেশের ২৬১ বিদেশি নিখোঁজ রয়েছেন।

নেপালের রাসুয়া জেলার ভোটেকোশি নদীতে গত বুধবার আকস্মিক বন্যার ঘটনা ঘটে। কিন্তু ওই পানির শক্তি এত বেশি ছিল যে বন্যায় নিহত মানুষের মরদেহ ভেসে কয়েকশ মাইল দূরে চলে এসেছে। পর্যাপ্ত ফ্রিজার না থাকায় মরদেহগুলো নিয়ে হিমশিম খাচ্ছিল নেপাল। তাই আপাতত ডিএনএ সংগ্রহ করে সেগুলো গণকবরে সমাহিত করা হচ্ছে। পরবর্তীতে পরিচয় শনাক্ত হলে কবর থেকে তুলে সেগুলো পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

সূত্র: এএফপি


আন্তর্জাতিক এর আরও খবর