img

বিয়ের পাঁচ মাসেই ভাঙল বাদশাহ-ইশার সংসার

প্রকাশিত :  ১৩:০৪, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১৩:১০, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বিয়ের পাঁচ মাসেই ভাঙল বাদশাহ-ইশার সংসার

জনপ্রিয় ভারতীয় র‍্যাপার বাদশাহ ও পাঞ্জাবি অভিনেত্রী ইশা রিখি তাদের দাম্পত্য জীবনের ইতি টানার ঘোষণা দিয়েছেন। 

সোমবার (৩১ আগস্ট) রাতে যৌথ বিবৃতির মাধ্যমে বিচ্ছেদের বিষয়টি নিশ্চিত করেন তারা। এর মধ্য দিয়ে গত এক মাস ধরে তাদের সম্পর্ক নিয়ে চলা নানা জল্পনার অবসান হলো।

মার্চে ঘরোয়া আয়োজনে বিয়ে করেছিলেন বাদশাহ ও ইশা। বিচ্ছেদের ঘোষণা দিয়ে দুজনই নিজেদের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে একই ধরনের বিবৃতি প্রকাশ করেন।

বাদশাহ লেখেন, আমি ও ইশা পারস্পরিক সিদ্ধান্তে আলাদা হওয়ার এবং নিজেদের পৃথক পথে এগিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। পারস্পরিক সম্মানের ভিত্তিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই সময়ে সবাইকে আমাদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তার প্রতি সম্মান দেখানোর অনুরোধ করছি।

তিনি আরও বলেন, আমাদের সম্পর্ক নিয়ে আর কোনো ধরনের জল্পনা বা অনুমান না করার জন্য আন্তরিকভাবে অনুরোধ করছি।

জুলাই থেকেই বাদশাহ ও ইশার সম্পর্কের টানাপোড়েন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা আলোচনা শুরু হয়। ওই মাসে ইশা নিজের ও বাদশাহর একাধিক ছবি ও ভিডিও নিয়ে একটি মন্টাজ প্রকাশ করেছিলেন।

পোস্টটির ক্যাপশনে তিনি লিখেছিলেন, প্রতিটি ঝড়ই একটি শিক্ষা। প্রতিটি প্রার্থনাই একটি আশা। এর সঙ্গে তিনি ভাঙা হৃদয় ও প্রার্থনার ইমোজি ব্যবহার করেন। এরপরই অনেক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারী ধারণা করতে শুরু করেন, তাদের সম্পর্কে হয়তো কোনো সমস্যা তৈরি হয়েছে।

সম্প্রতি ইশার মা পুনম রিখিও ‘কর্মফল’ বা ‘কর্মা’ নিয়ে একাধিক পোস্ট করেন। সেগুলোও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা আলোচনার জন্ম দেয়।

এর আগে জুনে ইনস্টাগ্রামে ‘আস্ক মি এনিথিং’ পর্বে বাদশাহর সঙ্গে তার বিয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছিলেন ইশা রিখি।

এদিকে বিচ্ছেদের ঘোষণা এমন এক সময়ে এলো, যখন গুঞ্জন চলছিল—ইশা রিখি সালমান খানের উপস্থাপনায় আসন্ন ‘বিগ বস ২০’-এর প্রতিযোগীদের একজন হতে পারেন।

এর আগে জেসমিন মাসিহকে বিয়ে করেছিলেন বাদশাহ। ২০২০ সালে তাদের বিচ্ছেদ হয়। সাবেক এই দম্পতির একটি মেয়ে রয়েছে। 

তথ্যসূত্র: এনডিটিভি


বিনোদন এর আরও খবর

img

তাহলে কি ভেঙে যাচ্ছে সাবিলার ৭ বছরের সংসার?

প্রকাশিত :  ০৬:৪৮, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ০৬:৫২, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

শোবিজ অঙ্গনে একের পর এক তারকার দাম্পত্য টানাপড়েন ও বিচ্ছেদ সংবাদের মাঝে এবার আলোচনায় এসেছে ছোট ও বড় পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাবিলা নূরের নাম। স্বামী নেহাল সুনন্দ তাহেরের সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পর্কের টানাপড়েন এবং আলাদা থাকার গুঞ্জন নিয়ে বিনোদনপাড়ায় তুমুল চর্চা চলছে। সাত বছরের প্রেমের পর ২০১৯ সালে পারিবারিকভাবে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়া এই তারকা জুটির বিচ্ছেদ এখন কেবলই সময়ের ব্যাপার বলে বাতাসে খবর ভাসছে।

সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্রের বরাতে জানা গেছে, সাবিলা নূরের দাম্পত্য কলহের পেছনে রয়েছে শোবিজপাড়ারই একজন ডিরেক্টর অব ফটোগ্রাফি (ডিওপি) আবদুল মামুনের সঙ্গে নতুন সম্পর্কের সূচনা। ‘রকস্টার’ সিনেমার দৃশ্যধারণের সময় কাজের সূত্রে দুজনের পরিচয় ঘটে, যা পরবর্তীতে ব্যক্তিগত সম্পর্কে রূপ নেয়। কাজের সেটে তাদের এই ঘনিষ্ঠতা পুরো টিমের কাছে ‘ওপেন সিক্রেট’ ছিল বলেও সংশ্লিষ্ট ইউনিট সূত্রে দাবি করা হচ্ছে। এমনকি এতে কাজের ব্যাঘাত ঘটায় প্রযোজনা পক্ষ তাকে পরিবর্তনের কথাও ভেবেছিল, তবে শেষ পর্যন্ত কাজ সম্পন্ন করার স্বার্থেই বিষয়টি চেপে রাখা হয়।

এদিকে অভিনেত্রীর এই নতুন সম্পর্কের প্রভাব কেবল তার নিজের সংসারেই সীমাবদ্ধ থাকেনি; এর ফলে তিশা নামের এক তরুণীর দীর্ঘ সাত বছরের ভালোবাসার সম্পর্ক ও প্রায় চূড়ান্ত হয়ে যাওয়া বিয়ে ভেঙে গেছে বলে জোরালো অভিযোগ উঠেছে। সহকারী পরিচালক থেকে প্রযোজনা জগতে আসা তিশা জানান, ‘রকস্টার’ সিনেমার কাজ শেষ হওয়ার পরপরই মে মাসের ১৫ তারিখে ডিওপি আবদুল মামুনের সঙ্গে তার সামাজিক বিয়ের দিনক্ষণ চূড়ান্ত ছিল।

গণমাধ্যমে ক্ষোভ ও কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিশা অভিযোগ করেন, সাবিলা নূরের সঙ্গে সম্পর্কের জেরে বিয়ের মাত্র ১০ দিন আগে মামুন হঠাৎ করেই তাকে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানান। অনেক বোঝানোর চেষ্টা করেও তার মন ঘোরানো সম্ভব হয়নি।

তিশার ভাষ্য, ‘সাবিলা নূর আমাদের দীর্ঘ প্রেমের সম্পর্কের কথা পুরোপুরি জানতেন। একজন নারী হয়েও তিনি আরেকজন নারীর ক্ষতির কথা ভাবেননি। মামুন একজন বড় তারকাকে পেয়ে আমার সাত বছরের ভালোবাসা ও আত্মত্যাগের কোনো মূল্য দিল না।’ তিশা আরও জানান, মামুনের ক্যারিয়ারের কথা বিবেচনা করেই তিনি নিজে উদ্যোগ নিয়ে পূর্বনির্ধারিত বিয়ের তারিখ পিছিয়ে দিয়েছিলেন, যা পরবর্তীতে তার ব্যক্তিগত জীবনের জন্য কাল হয়ে দাঁড়াল। পরিবার আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা ভাবলেও মামুনের প্রতি আবেগ থেকে তিনি তাতে সম্মতি দেননি।

উল্লেখ্য, সাবিলা নূরের দাম্পত্য দূরত্বের খবর প্রকাশ্যে আসার শুরুতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সহশিল্পী শাকিব খানের সঙ্গে তার নাম জড়িয়ে কিছু জল্পনাকল্পনা ছড়ানো হয়েছিল। তবে অনুসন্ধানে জানা যায়, শাকিব খানের বিষয়টি পুরোপুরি ভিত্তিহীন ও নিছক গুঞ্জন ছিল। পুরো পরিস্থিতির কেন্দ্রবিন্দুতে মূলত সংশ্লিষ্ট ডিওপির সঙ্গে গড়ে ওঠা সম্পর্কই প্রধান কারণ হিসেবে আলোচিত হচ্ছে।

চলমান এই বিতর্ক, দাম্পত্য কলহ এবং নতুন সম্পর্কের গুঞ্জন নিয়ে গণমাধ্যম থেকে চলচ্চিত্রটির পরিচালক আজমান রুশোর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষয়টি নিয়ে তাৎক্ষণিক মন্তব্য এড়িয়ে যান এবং পরবর্তীতে কথা বলবেন বলে জানান।

অন্যদিকে ব্যাপক আলোচনা ও অভিযোগের মুখেও অভিনেত্রী সাবিলা নূর কিংবা তার স্বামী নেহাল সুনন্দ তাহেরের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য বা স্পষ্টীকরণ আসেনি।