‘ওটিপি’ ছাড়া প্রবেশ করা যাবে না সচিবালয়ে: স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
প্রকাশিত :
১৮:৩১, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
‘ওটিপি’ (একবার ব্যবহারযোগ্য পাসওয়ার্ড) ব্যতীত সচিবালয়ে কোনো দর্শনার্থী প্রবেশ করতে পারবে না বলে নির্দেশ দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
আজ বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিবালয় নিরাপত্তা শাখা থেকে এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে সই করেছেন উপসচিব মো. তোফায়েল হোসেন।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, যথাযথ প্রবেশ পাস/অনুমতিপত্র ব্যতীত দর্শনার্থীদের বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রবেশের প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে মর্মে সম্প্রতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এ ধরনের অনুমোদনবিহীন প্রবেশ সচিবালয়ের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্য ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে এবং সরকারি দাপ্তরিক কার্যক্রমের স্বাভাবিক পরিবেশ বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এতে আরও বলা হয়েছে, এ অববস্থায় বাংলাদেশ সচিবালয়ে আসা দর্শনার্থীকে প্রবেশের পূর্বে যথাযথভাবে ওটিপি যাচাই পূর্বক প্রবেশের অনুমতি প্রদান করার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।
বাংলা কিউআর কোডের মাধ্যমে লেনদেন বাড়াতে নতুন প্রণোদনা চালু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন ব্যবস্থায়, ২ হাজার টাকা পর্যন্ত প্রতিটি বাংলা কিউআরভিত্তিক লেনদেনে সংশ্লিষ্ট দুটি প্রতিষ্ঠানকে সর্বোচ্চ ৬ টাকা প্রণোদনা দেওয়া হবে। এর মধ্যে অ্যাকুয়ারিং প্রতিষ্ঠান পাবে সর্বোচ্চ ২ টাকা এবং ইস্যুয়িং প্রতিষ্ঠান সর্বোচ্চ ৪ টাকা।
তবে এই প্রণোদনার অর্থ সরাসরি গ্রাহক বা বিক্রেতাকে দেওয়া হবে না।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেমস ডিপার্টমেন্ট-২ এ-সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করেছে। এতে দেশে কার্যরত সব তফসিলি ব্যাংক, মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) প্রদানকারী, পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডার (পিএসপি), পেমেন্ট সিস্টেম অপারেটর (পিএসও) এবং আন্তর্জাতিক পেমেন্ট স্কিমগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, ২ হাজার টাকা পর্যন্ত প্রতিটি বাংলা কিউআর কোডভিত্তিক এনপিএসবি লেনদেনের বিপরীতে মাসিক ভিত্তিতে এই প্রণোদনা দেওয়া হবে। ২ হাজার টাকার লেনদেনে অ্যাকুয়ারিং প্রতিষ্ঠান পাবে ০.১০ শতাংশ হিসেবে ২ টাকা এবং ইস্যুয়িং প্রতিষ্ঠান পাবে ০.২০ শতাংশ হিসেবে ৪ টাকা।
একইভাবে, ১ হাজার টাকার লেনদেনে অ্যাকুয়ারিং প্রতিষ্ঠান পাবে ১ টাকা এবং ইস্যুয়িং প্রতিষ্ঠান পাবে ২ টাকা। অর্থাৎ ২ হাজার টাকা পর্যন্ত লেনদেনের ক্ষেত্রে নির্ধারিত হারে প্রণোদনা দেওয়া হবে, তবে অ্যাকুয়ারিং প্রতিষ্ঠানের জন্য সর্বোচ্চ সীমা ২ টাকা এবং ইস্যুয়িং প্রতিষ্ঠানের জন্য ৪ টাকা।
বাংলাদেশ ব্যাংকের এই প্রণোদনার আওতায় থাকছে ব্যক্তিক রিটেইল হিসাবের মাধ্যমে অনবোর্ড করা ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক বিক্রেতা এবং সেবা প্রদানকারী মার্চেন্ট পয়েন্ট। পাশাপাশি ট্রেড লাইসেন্সধারী অন্যান্য সব মার্চেন্ট পয়েন্টে সম্পন্ন হওয়া বাংলা কিউআর কোডভিত্তিক এনপিএসবি লেনদেনও এ সুবিধার আওতায় আসবে।
এর আগে গত ১০ আগস্ট জারি করা পিএসডি-২ সার্কুলার লেটারের অনুচ্ছেদ ২-এ বাংলা কিউআর লেনদেনের জন্য প্রণোদনার বিধান করা হয়েছিল। নতুন সার্কুলারের মাধ্যমে ওই অনুচ্ছেদটি প্রতিস্থাপন করে প্রণোদনার আওতা আরও বাড়ানো হয়েছে।
ফলে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক বিক্রেতা এবং সেবা প্রদানকারীদের পাশাপাশি ট্রেড লাইসেন্সধারী অন্যান্য মার্চেন্ট পয়েন্টেও বাংলা কিউআরভিত্তিক লেনদেনের ক্ষেত্রে এই প্রণোদনা কার্যকর হবে।