img

বাংলা কিউআর লেনদেনে ২ হাজার টাকায় ৬ টাকা প্রণোদনা

প্রকাশিত :  ১৪:৫৫, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাংলা কিউআর লেনদেনে ২ হাজার টাকায় ৬ টাকা প্রণোদনা

বাংলা কিউআর কোডের মাধ্যমে লেনদেন বাড়াতে নতুন প্রণোদনা চালু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন ব্যবস্থায়, ২ হাজার টাকা পর্যন্ত প্রতিটি বাংলা কিউআরভিত্তিক লেনদেনে সংশ্লিষ্ট দুটি প্রতিষ্ঠানকে সর্বোচ্চ ৬ টাকা প্রণোদনা দেওয়া হবে। এর মধ্যে অ্যাকুয়ারিং প্রতিষ্ঠান পাবে সর্বোচ্চ ২ টাকা এবং ইস্যুয়িং প্রতিষ্ঠান সর্বোচ্চ ৪ টাকা।

তবে এই প্রণোদনার অর্থ সরাসরি গ্রাহক বা বিক্রেতাকে দেওয়া হবে না।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেমস ডিপার্টমেন্ট-২ এ-সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করেছে। এতে দেশে কার্যরত সব তফসিলি ব্যাংক, মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) প্রদানকারী, পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডার (পিএসপি), পেমেন্ট সিস্টেম অপারেটর (পিএসও) এবং আন্তর্জাতিক পেমেন্ট স্কিমগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, ২ হাজার টাকা পর্যন্ত প্রতিটি বাংলা কিউআর কোডভিত্তিক এনপিএসবি লেনদেনের বিপরীতে মাসিক ভিত্তিতে এই প্রণোদনা দেওয়া হবে। ২ হাজার টাকার লেনদেনে অ্যাকুয়ারিং প্রতিষ্ঠান পাবে ০.১০ শতাংশ হিসেবে ২ টাকা এবং ইস্যুয়িং প্রতিষ্ঠান পাবে ০.২০ শতাংশ হিসেবে ৪ টাকা।

একইভাবে, ১ হাজার টাকার লেনদেনে অ্যাকুয়ারিং প্রতিষ্ঠান পাবে ১ টাকা এবং ইস্যুয়িং প্রতিষ্ঠান পাবে ২ টাকা। অর্থাৎ ২ হাজার টাকা পর্যন্ত লেনদেনের ক্ষেত্রে নির্ধারিত হারে প্রণোদনা দেওয়া হবে, তবে অ্যাকুয়ারিং প্রতিষ্ঠানের জন্য সর্বোচ্চ সীমা ২ টাকা এবং ইস্যুয়িং প্রতিষ্ঠানের জন্য ৪ টাকা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এই প্রণোদনার আওতায় থাকছে ব্যক্তিক রিটেইল হিসাবের মাধ্যমে অনবোর্ড করা ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক বিক্রেতা এবং সেবা প্রদানকারী মার্চেন্ট পয়েন্ট। পাশাপাশি ট্রেড লাইসেন্সধারী অন্যান্য সব মার্চেন্ট পয়েন্টে সম্পন্ন হওয়া বাংলা কিউআর কোডভিত্তিক এনপিএসবি লেনদেনও এ সুবিধার আওতায় আসবে।

এর আগে গত ১০ আগস্ট জারি করা পিএসডি-২ সার্কুলার লেটারের অনুচ্ছেদ ২-এ বাংলা কিউআর লেনদেনের জন্য প্রণোদনার বিধান করা হয়েছিল। নতুন সার্কুলারের মাধ্যমে ওই অনুচ্ছেদটি প্রতিস্থাপন করে প্রণোদনার আওতা আরও বাড়ানো হয়েছে।

ফলে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক বিক্রেতা এবং সেবা প্রদানকারীদের পাশাপাশি ট্রেড লাইসেন্সধারী অন্যান্য মার্চেন্ট পয়েন্টেও বাংলা কিউআরভিত্তিক লেনদেনের ক্ষেত্রে এই প্রণোদনা কার্যকর হবে।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এর আরও খবর

img

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বেসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতা চুক্তি সই

প্রকাশিত :  ১১:৪৫, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১৫:১১, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) অনুযায়ী, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র তাদের কূটনৈতিক সম্পর্কের কৌশলগত গুরুত্ব এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তায় এর প্রভাব, বিশেষ করে জ্বালানি নিরাপত্তার বিষয়টি স্বীকার করেছে। একই সঙ্গে দুই দেশ নিজেদের জ্বালানি চাহিদা পূরণে পারমাণবিক শক্তির সম্ভাব্য ভূমিকার কথাও উল্লেখ করেছে।

বেসামরিক পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারের লক্ষ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কৌশলগত এক পারমাণবিক সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশ।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিএনপি মিডিয়া সেলের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক পোস্টের মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

চুক্তিতে বাংলাদেশের পক্ষে সই করেন প্রধানমন্ত্রীর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসাদ। অপরদিকে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে স্বাক্ষর করেন দেশটির অর্থনীতিবিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি জ্যাকব হেলবার্গ।

নতুন এই চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে প্রযুক্তিগত বিনিময়, পারমাণবিক নিরাপত্তা জোরদার এবং বেসামরিক জ্বালানি খাতে বৈজ্ঞানিক সহযোগিতা আগের চেয়ে বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে।

স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) অনুযায়ী, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র উভয় পক্ষই তাদের কূটনৈতিক সম্পর্কের কৌশলগত গুরুত্ব এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা—বিশেষ করে জ্বালানি নিরাপত্তার ওপর এর প্রভাবকে স্বীকৃতি দিয়েছে। উভয় দেশ তাদের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে পারমাণবিক শক্তি যে ভূমিকা রাখতে পারে, তা উল্লেখ করে।

এতে আরও উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র উভয় দেশের জন্যই আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) সেফগার্ডস চুক্তি এবং অতিরিক্ত প্রোটোকল কার্যকর রয়েছে। পাশাপাশি, দুই দেশই ১৯৬৮ সালের ১ জুলাই স্বাক্ষরিত পরমাণু অস্ত্র বিস্তার প্রতিরোধ চুক্তির (নন-প্রলিফারেশন ট্রিটি) অংশীদার। 

এর আগে চলতি বছরের মে মাসে, বহুমুখী উৎসের মাধ্যমে বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার করতে দুটি দেশের মধ্যে সামগ্রিক জ্বালানি খাতে কৌশলগত সহযোগিতার বিষয়ে আরও একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছিল।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এর আরও খবর