img

বিপর্যয়ের মুখে চ্যাটজিপিটি

প্রকাশিত :  ১৯:৪৫, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১৯:৪৯, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বিপর্যয়ের মুখে চ্যাটজিপিটি

বড় ধরনের প্রযুক্তিগত বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে জনপ্রিয় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই চ্যাটবট চ্যাটজিপিটি । বিশ্বব্যাপী লাখ লাখ ব্যবহারকারী এ সেবা ব্যবহার করতে গিয়ে নানা জটিলতার মুখে পড়ছেন।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ইন্ডিপেনডেন্ট প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চ্যাটবটটিতে প্রবেশের পর প্ল্যাটফর্মটি থেকে কম্পিউটারে অস্বাভাবিক ফাইল আপনাআপনি ডাউনলোড হওয়ার মত ঘটনা ঘটেছে। চ্যাটজিপিটি বন্ধ থাকার ফলে ব্যবহারকারীদের দৈনন্দিন কাজ ও পড়াশোনায় সাময়িকভাবে বিঘ্ন তৈরি হয়েছে—এমনটাই উঠে এসেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিভিন্ন প্রতিক্রিয়ায়। বিষয়টি নিয়ে অনেকে রসিকতা করে বলেছেন, চ্যাটজিপিটি না থাকায় দ্রুত উত্তর, তথ্য খোঁজা বা লেখালেখির কাজে এবার নিজেদের মস্তিষ্কের ওপরই ভরসা করতে হবে।

তবে বাংলাদেশে রাত পৌনে ১১টার দিকেও চ্যাটজিপিটি ব্যবহার করা গেছে।

এ বিভ্রাটের প্রভাব কেবল চ্যাটজিপিটিতেই আটকে নেই। এর ফলে অন্যান্য বিভিন্ন ওয়েবসাইট ও মোবাইল অ্যাপের কার্যক্রমেও বড় ধরনের ধাক্কা লেগেছে, যার বড় একটি অংশই এআইভিত্তিক ফিচারের জন্য ওপেনএআইয়ের ওপর নির্ভরশীল।


বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এর আরও খবর

img

স্কুলে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার নিষিদ্ধ করল নিউইয়র্ক সিটি

প্রকাশিত :  ০৫:২৫, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ০৭:০২, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

শিশুদের শিক্ষা ও মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষার কথা বিবেচনায় নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বুধবার শহরের মেয়র জোহরান মামদানি এক বছরের জন্য এ নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেন।

যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় এই স্কুল বোর্ডের নেওয়া সিদ্ধান্তটি সারা দেশেই নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যার প্রভাব পড়বে পাবলিক স্কুলের প্রায় ৬ লাখ শিক্ষার্থীর ওপর। তবে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত এআই ব্যবহার পুরোপুরি নিষিদ্ধ হলেও হাইস্কুলের শিক্ষার্থীরা (যাদের বয়স সাধারণত ১৪ বা তার বেশি) সীমিত কিছু পাইলট প্রোগ্রামে এটি ব্যবহারের সুযোগ পাবে এবং তাদের বছরে দুবার এআই সাক্ষরতা ক্লাস করানো হবে।

বিশেষভাবে মানসিক সহায়তার জন্য ডিজাইন করা কম্প্যানিয়ন চ্যাটবটগুলো সব গ্রেডেই (শ্রেণি) নিষিদ্ধ থাকবে।

এক বিবৃতিতে মেয়র জোহরান মামদানি বলেন, ‘প্রযুক্তি শিল্প আমাদের এটা বিশ্বাস করাতে চায় যে, এআই-চালিত প্রারম্ভিক শিক্ষা (আর্লি এডুকেশন) কেবল অনিবার্যই নয়, বরং প্রয়োজনীয়। আমরা বিষয়টিকে সেভাবে দেখি না।’ 

তিনি আরও বলেন, ‘শিখতে এবং বেড়ে উঠতে শিশুদের শিক্ষক এবং মানবিক সংযোগের প্রয়োজন। তাদের সহপাঠীদের সাথে দক্ষতা বিকাশ করতে হবে, শিক্ষকদের সাথে সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে এবং নিজেদেরই কঠিন সমস্যাগুলোর মোকাবিলা করতে হবে।’ 

তবে শিক্ষকরা পাঠ পরিকল্পনা এবং প্রশাসনিক কাজের জন্য এখনও এআই ব্যবহারের অনুমতি পাবেন।

২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষ জুড়ে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক, নির্বাচিত কর্মকর্তা এবং শিল্প বিশেষজ্ঞদের নিয়ে গঠিত একটি টাস্কফোর্স তাদের ফলাফল প্রকাশের আগে এই স্থগিতাদেশের প্রভাব মূল্যায়ন করতে মিলিত হবে।

নিউইয়র্কের গভর্নর ক্যাথি হচুল বুধবার বলেন, দ্রুত পরিবর্তনশীল প্রযুক্তি যেন আমাদের শিশুদের এবং তাদের শিক্ষার পথে বাধা হয়ে না দাঁড়িয়ে বরং তাদের সহায়তা করে, তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব আমাদের রয়েছে।

সূত্র: এএফপি