img

গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক

প্রকাশিত :  ০৭:৪৪, ০১ আগষ্ট ২০২৬

 গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক

আজ (১ আগস্ট) থেকে দেশের সব গণপরিবহনে গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম (জিপিএস) ডিভাইস সংযোজন ও সচল রাখা বাধ্যতামূলক করেছে সরকার। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, জিপিএস ডিভাইস সংযুক্ত না থাকলে কোনো গণপরিবহনের নতুন নিবন্ধন দেওয়া হবে না। পাশাপাশি ফিটনেস সনদ প্রদান বা নবায়নের আবেদনও গ্রহণ করা হবে না।

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নিরাপদ সড়ক পরিবহন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ ১১ জুন এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে। ১ আগস্ট থেকে গণপরিবহনের রেজিস্ট্রেশন ও ফিটনেস সনদ প্রদান বা নবায়নের সময় জিপিএস সংযোজনের প্রমাণপত্র এবং সংশ্লিষ্ট মোবাইল অ্যাপে ডিভাইস সচল থাকার তথ্য বিআরটিএ কার্যালয়ে প্রদর্শন করতে হবে।

জিপিএস ডিভাইসের কারিগরি বিবরণ বিআরটিএর স্থানীয় কার্যালয় এবং সংস্থাটির ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।

সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮-এর ধারা ২৫ এবং সড়ক পরিবহন বিধিমালা, ২০২২-এর বিধি ৫৫ অনুযায়ী জিপিএস সংযুক্তি নিশ্চিত হওয়ার পরই গণপরিবহনের রেজিস্ট্রেশন প্রদান ও ফিটনেস সনদ নবায়ন করা হবে বলে জানিয়েছে বিআরটিএ।


img

ইরান-ইসরায়েলের গোপন তেল পাইপলাইন, আশার আলো দেখছে সৌদি আরব

প্রকাশিত :  ০৯:১২, ২৯ জুলাই ২০২৬

ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের ধারাবাহিক হামলার কারণে সৌদি আরবের জ্বালানি অবকাঠামো ও লোহিত সাগরের নৌপথ নতুন করে ঝুঁকির মুখে পড়েছে। এ পরিস্থিতিতে ইউরোপে অপরিশোধিত তেল রপ্তানির বিকল্প পথ হিসেবে ইসরায়েল–ইরান সংযোগকারী একটি গোপন পাইপলাইন ব্যবহারের সম্ভাবনা বিবেচনা করছে রিয়াদ বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

আজ বুধবার (২৯ জুলাই) এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে যে ষাটের দশকে তৎকালীন ইরানের শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভীর অর্থায়ন ও ইসরায়েলি প্রকৌশলে নির্মিত ২৫৪ কিলোমিটার দীর্ঘ ‘ইলাত-আশকেলন’ পাইপলাইনটি সৌদি আরবের বিকল্প রুট হিসেবে কাজ করতে পারে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, সম্প্রতি জাজান ও ইয়ানবুতে সৌদি আরামকোর তেল শোধনাগারে হুথি হামলায় দৈনিক চার লাখ ব্যারেল ক্ষমতার শোধনাগার বন্ধ হয়ে যায়। এর ফলে বাব এল-মানদেব প্রণালি ও লোহিত সাগর দিয়ে ইউরোপে তেল পাঠানো ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। এই সংকট নিরসনে ইসরায়েলের জ্বালানি মন্ত্রী এলি কোহেন সৌদি আরব থেকে ইলাত পর্যন্ত ৭০০ কিলোমিটার পাইপলাইনের একটি প্রস্তাব ওয়াশিংটনে পাঠিয়েছেন।

ওপেন সোর্স ইন্টেলিজেন্স অ্যানালিস্ট জয় লেটনি জানান যে ইলাত-আশকেলন পাইপলাইনটি বিপরীতমুখী বা উত্তরমুখী প্রবাহে দৈনিক ১২ লাখ ব্যারেল তেল পরিবহনে সক্ষম। সৌদি আরবের মোট রপ্তানির তুলনায় এটি কম হলেও বর্তমান সংকটে বিকল্প রুট হিসেবে গুরুত্ব বহন করে। তবে এই সুবিধা চালুর আগে ইলাত বন্দরের সংস্কার, গভীরতা বাড়ানো এবং নিরাপত্তা জোরদার করা প্রয়োজন।

প্রকল্পটি অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক হলেও সবচেয়ে বড় বাধা হলো রাজনৈতিক সমীকরণ। সৌদি আরব শুরু থেকেই স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের শর্তে ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। তা সত্ত্বেও বর্তমান পরিস্থিতি এবং মধ্যপ্রাচ্যের চরম অস্থিরতার কারণে ভূ-রাজনৈতিক হিসাবনিকাশে পরিবর্তন আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্র এই বাণিজ্যিক ও কৌশলগত উদ্যোগের সমর্থক হলেও ইরান ও হুথিরা এই ধরনের পদক্ষেপকে কঠোর চোখে দেখবে এবং আঞ্চলিক উত্তেজনা বাড়িয়ে তুলতে পারে বলে হুঁশিয়ার করেছেন বিশ্লেষকরা।

সূত্র: এনডিটিভি