img

গুগল ফটোজে যুক্ত হচ্ছে ‘ভিডিও রিমিক্স' টুল

প্রকাশিত :  ১৩:৩০, ২০ জুলাই ২০২৬

গুগল ফটোজে যুক্ত হচ্ছে  ‘ভিডিও রিমিক্স' টুল
নতুন \'ভিডিও রিমিক্স\' ফিচার যুক্ত হচ্ছে গুগল ফটোজে । যার সাহায্যে মাত্র কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে যেকোনো ভিডিও এডিট ও রূপান্তর করা যাবে। গুগল আনুষ্ঠানিকভাবে এই নতুন ফিচারের ঘোষণা দিয়েছে। 
টুলটি মূলত গুগলের সদ্য অবমুক্ত হওয়া সর্বাধুনিক এআই মডেল ‘জেমিনি অমনি\' দ্বারা চালিত, যা যেকোনো ধরনের ইনপুট থেকে নতুন কিছু তৈরি করতে সক্ষম। অ্যাপল, ওপেনএআই অ্যাডোবির মতো বড় প্রতিদ্বন্দ্বীদের সাথে টেক্কা দিতে গুগল তাদের সাধারণ ব্যবহারকারীদের অ্যাপগুলোতে একের পর এক ট্যাপে দারুণ সব ভিডিও তৈরি করতে পারবেন। 

ভিডিও রিমিক্স ফিচারটি থেকেই নির্দিষ্ট কিছু দেশের ‘গুগল এআই প্লাস\', ‘প্রো’ এবং ‘আলট্রা\' সাবস্ক্রাইবারদের জন্য রোল আউট বা উন্মুক্ত করা শুরু হয়েছে। প্রাথমিক তালিকায় থাকা দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে—বাংলাদেশ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, কলম্বিয়া, মিশর, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, জাপান, মেক্সিকো, পাকিস্তান, ফিলিপাইন, দক্ষিণ কোরিয়া এবং তুরস্ক।
জেনারেটিভ এআই টুল যুক্ত করছে। গুগল ফটোজের ভেতরেই এই শক্তিশালী ভিডিও এডিটিং ফিচার যুক্ত করার ফলে, ব্যবহারকারীরা কোনো পেশাদার বা আলাদা সফটওয়্যার ছাড়াই মাত্র কয়েকটি গুগল ফটোজ অ্যাপে সাম্প্রতিক সময়ে যুক্ত হওয়া একাধিক এআই ফিচারের মধ্যে এটি সর্বশেষ সংযোজন। এর আগে অ্যাপটিতে চেহারার দাগ দূর করা, স্কিন টেক্সচার উন্নত করা, চোখ উজ্জ্বল করা বা দাঁত সাদা করার মতো স্বয়ংক্রিয় ‘টাচ- আপ\' টুল যুক্ত করা হয়েছিল। 

এছাড়া, পোশাকের ছবি থেকে এআই-এর মাধ্যমে একটি \'ডিজিটাল ক্লোজেট\' বা ভার্চুয়াল আলমারি তৈরির ফিচারও এনেছে গুগল, যার সাহায্যে ব্যবহারকারীরা ঘরে বসেই ভার্চুয়ালি বিভিন্ন পোশাক ট্রাই-অন বা পরে দেখতে পারেন ।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এর আরও খবর

img

বিপর্যয়ের মুখে চ্যাটজিপিটি

প্রকাশিত :  ১৯:৪৫, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১৯:৪৯, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বড় ধরনের প্রযুক্তিগত বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে জনপ্রিয় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই চ্যাটবট চ্যাটজিপিটি । বিশ্বব্যাপী লাখ লাখ ব্যবহারকারী এ সেবা ব্যবহার করতে গিয়ে নানা জটিলতার মুখে পড়ছেন।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ইন্ডিপেনডেন্ট প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চ্যাটবটটিতে প্রবেশের পর প্ল্যাটফর্মটি থেকে কম্পিউটারে অস্বাভাবিক ফাইল আপনাআপনি ডাউনলোড হওয়ার মত ঘটনা ঘটেছে। চ্যাটজিপিটি বন্ধ থাকার ফলে ব্যবহারকারীদের দৈনন্দিন কাজ ও পড়াশোনায় সাময়িকভাবে বিঘ্ন তৈরি হয়েছে—এমনটাই উঠে এসেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিভিন্ন প্রতিক্রিয়ায়। বিষয়টি নিয়ে অনেকে রসিকতা করে বলেছেন, চ্যাটজিপিটি না থাকায় দ্রুত উত্তর, তথ্য খোঁজা বা লেখালেখির কাজে এবার নিজেদের মস্তিষ্কের ওপরই ভরসা করতে হবে।

তবে বাংলাদেশে রাত পৌনে ১১টার দিকেও চ্যাটজিপিটি ব্যবহার করা গেছে।

এ বিভ্রাটের প্রভাব কেবল চ্যাটজিপিটিতেই আটকে নেই। এর ফলে অন্যান্য বিভিন্ন ওয়েবসাইট ও মোবাইল অ্যাপের কার্যক্রমেও বড় ধরনের ধাক্কা লেগেছে, যার বড় একটি অংশই এআইভিত্তিক ফিচারের জন্য ওপেনএআইয়ের ওপর নির্ভরশীল।