img

আত্মীয়তার বন্ধনে গড়ে ওঠা নিরাপদ ভবিষ্যৎ: শুরু হলো কিনশিপ কেয়ার সপ্তাহ

প্রকাশিত :  ০৮:২৫, ১০ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ০৯:৫৯, ১০ অক্টোবর ২০২৬

আত্মীয়তার বন্ধনে গড়ে ওঠা নিরাপদ ভবিষ্যৎ: শুরু হলো কিনশিপ কেয়ার সপ্তাহ
শিশুর জীবনে এমন পরিস্থিতি কখনও কখনও আসে, যখন তার মা-বাবা বিভিন্ন কারণে সন্তানের দেখাশোনা করতে সক্ষম হন না। এমন সময়ে অনেক আত্মীয়স্বজন, দাদা-দাদি, নানা-নানি, খালা, ফুফু, চাচা-মামা কিংবা পরিবারের ঘনিষ্ঠ বন্ধুরা এগিয়ে এসে শিশুটির দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তাদের এই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ও অবদানকে সম্মান জানাতেই টাওয়ার হ্যামলেটসে শুরু হয়েছে কিনশিপ কেয়ার সপ্তাহ।

কিনশিপ কেয়ার এমন একটি ব্যবস্থা, যেখানে কোনো শিশু তার বাবা-মায়ের পরিবর্তে পরিচিত ও বিশ্বাসযোগ্য আত্মীয় বা পারিবারিক বন্ধুদের তত্ত্বাবধানে বড় হওয়ার সুযোগ পায়। এর ফলে শিশুরা তাদের পরিচিত পরিবেশ, পরিবার এবং কমিউনিটির সঙ্গে সংযুক্ত থাকতে পারে, যা তাদের মানসিক সুস্থতা ও বিকাশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

টাওয়ার হ্যামলেটসে শত শত কিনশিপ কেয়ারার প্রতিদিন ভালোবাসা, ধৈর্য এবং দায়িত্ববোধের সঙ্গে শিশুদের লালন-পালন করছেন। তারা শুধু একটি শিশুর দেখাশোনাই করেন না, বরং তাকে নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা এবং ভবিষ্যতের জন্য একটি শক্ত ভিত্তি গড়ে দিতে সহায়তা করেন। অনেক ক্ষেত্রেই তারা হঠাৎ করেই এই দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং শিশুদের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন নিয়ে আসেন।

কিনশিপ কেয়ার সপ্তাহ উপলক্ষে টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিল সকল কিনশিপ কেয়ারারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে। তাদের নিঃস্বার্থ অবদান অনেক শিশুকে পরিবার ও কমিউনিটির ভেতরে থেকেই বেড়ে ওঠার সুযোগ করে দিয়েছে, যা শিশুর আত্মপরিচয় ও আত্মবিশ্বাস গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

কাউন্সিল জানিয়েছে, কিনশিপ কেয়ারারদের জন্য বিভিন্ন ধরনের সহায়তা, পরামর্শ এবং তথ্যসেবা পাওয়া যায়। যারা বর্তমানে কোনো শিশুর কিনশিপ কেয়ারার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন অথবা এই বিষয়ে আরও জানতে চান, তারা স্থানীয় সহায়তা সেবার তথ্য গ্রহণ করতে পারেন।

কিনশিপ কেয়ারারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে কাউন্সিল বলেছে, শিশুদের জীবনে তাদের ভালোবাসা, ত্যাগ এবং অঙ্গীকার অমূল্য। তাদের প্রচেষ্টার কারণেই অনেক শিশু নিরাপদ, সহায়ক এবং স্থিতিশীল পরিবেশে বেড়ে ওঠার সুযোগ পাচ্ছে।

স্থানীয় সহায়তা ও আরও তথ্যের জন্য ভিজিট করুন - Kinship Care
টিমের সাথে যোগাযোগ করতে ইমেইল করুন - [email protected]

 



 

কমিউনিটি এর আরও খবর

img

লন্ডনে গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকে’র জাতীয় সম্মেলন সফল করার আহবান

প্রকাশিত :  ২০:৪১, ১০ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ২০:৫৫, ১০ অক্টোবর ২০২৬

১১ অক্টোবর রবিবার দুপুর ২ ঘটিকায় লন্ডনের দ্য অ্যাট্রিয়াম হলে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকে’র ইনঅগুরেশন সেরিমনি ও কেন্দ্রীয় জাতীয় সম্মেলন। এই ঐতিহাসিক অনুষ্ঠানকে সর্বাঙ্গীন সফল করার লক্ষ্যে যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন শহরে রিজিওনাল কমিটির উদ্যোগে প্রস্তুতি সভা অব্যাহত রয়েছে।

এরই ধারাবাহিকতায় ৫ অক্টোবর রাত ১১ ঘটিকায় ওয়েলসের রাজধানী কার্ডিফ বাংলাদেশ সেন্টারে এক গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তুতি সভা ও ডিনার পার্টি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

সংগঠনের সাউথ ওয়েলস রিজিওনাল প্রেসিডেন্ট মুজিবুর রহমান মুজিবের সভাপতিত্বে এবং জেনারেল সেক্রেটারি রকিবুর রহমান ও ট্রেজারার এ বি রুনেলের যৌথ পরিচালনায় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকে’র ফাউন্ডার্স কনভেনর ও বিশিষ্ট কমিউনিটি লিডার মোহাম্মদ মকিস মনসুর।

সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন আলহাজ্ব লিয়াকত আলী, আলহাজ্ব আসাদ মিয়া, আসকর আলী, আব্দুল ওয়াহিদ বাবুল, শাহ শাফী, আব্দুর রুউফ তালুকদার, মফিকুল ইসলাম, ইকবাল আহমেদ, বদরউদ্দিন চৌধুরী বাবর, মোহাম্মদ মুজিব মিয়া, আলমগীর আলম, সাইফুল ইসলাম সিপু, সৈয়দ কাহের, জহির আলী, ফয়সল রহমান, বসর সিকদার, ইকবাল হোসেন, সুমন তরফদার, আব্দুল বাছিত বাচ্চু, আনোয়ার আলী, মাহমুদ মিয়া, শাহ আব্দুল ওয়াহাব জাহাঙ্গীর, শামসুল হক রানু, এম এ রউফ, আব্দুল কাইয়ুম জহির, আব্দুল আজিজ মাখন, এম এ সামাদ, বদরুল হক মনসুর, সাজেল আহমেদ, আব্দুল বসর, পারভেজ খান, ফয়ছল চৌধুরী, জাভেদ আহমেদ, ফয়সল মনসুর, এনামুল হোসেন সুয়েব, আজম সবুজ, মহারাজ ও গিয়াস আহমেদ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ। সভার শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন ফয়েজ মিয়া।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংগঠনের কেন্দ্রীয় ফাউন্ডার্স কনভেনর ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব মোহাম্মদ মকিস মনসুর বলেন, ঐক্যের বন্ধনে একত্রিত হয়ে সিলেটের ঐতিহ্য ও সম্প্রীতির পতাকা আরও উঁচুতে তুলে ধরাই এই আয়োজনের অন্যতম লক্ষ্য। সকলের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে আমাদের এই কেন্দ্রীয় সম্মেলন হয়ে উঠবে আরও প্রাণবন্ত, আরও সফল ও আরও স্মরণীয়।

তিনি আরও জানান, সম্মেলনে ব্রিটিশ-বাংলাদেশি কমিউনিটির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও সমসাময়িক বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হবে। সফলভাবে এই মহা-উৎসব সম্পন্ন করতে যুক্তরাজ্য প্রবাসী সকল সিলেটবাসীকে দলমত নির্বিশেষে দলে দলে যোগদানের উদাত্ত আহ্বান জানান তিনি।

কমিউনিটি এর আরও খবর