img

ভ্যান্সকে ‘হেরে যাওয়া জুয়াড়ি’ বলে কটাক্ষ ইরানের স্পিকারের

প্রকাশিত :  ১০:০৯, ০৫ নভেম্বর ২০২৬

ভ্যান্সকে ‘হেরে যাওয়া জুয়াড়ি’ বলে কটাক্ষ ইরানের স্পিকারের

ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ ইরান যুদ্ধ নিয়ে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের মন্তব্যের জেরে তাকে কটাক্ষ করেছেন । যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের পরাজয়ের পেছনে ইরান যুদ্ধের প্রভাবের কথা স্বীকার করে ভ্যান্সের দেওয়া এক বক্তব্যের জবাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) এ মন্তব্য করেন তিনি।

গালিবাফ ভ্যান্সকে এমন এক জুয়াড়ির সঙ্গে তুলনা করেন, যিনি হেরে যাওয়ার পরও জুয়ার টেবিল ছাড়তে পারেন না।

এক্সে দেওয়া পোস্টে গালিবাফ লেখেন, ‘হেরে যাওয়া জুয়াড়ির মানসিকতা... বস যখন যুদ্ধের পরবর্তী পর্যায়ের প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তখন আমেরিকা ইসরায়েল-প্রথম নীতির খাদের কিনারায় দাঁড়িয়ে।’

ভ্যান্সের দীর্ঘ বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় তিনি আরও লেখেন, ‘এত দীর্ঘ বক্তৃতা বাদ দিন। কথাগুলো আপনার বসকে গিয়ে বলছেন না কেন?’

এর আগে ভ্যান্স তার এক দীর্ঘ পোস্টে স্বীকার করেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের কারণে রিপাবলিকানরা মধ্যবর্তী নির্বাচনে রাজনৈতিক ক্ষতির মুখে পড়েছে।

সূত্র: আল জাজিরা

আন্তর্জাতিক এর আরও খবর

img

ভরাডুবির পর ট্রাম্পের দলজুড়ে একে অপরকে দোষারোপ

প্রকাশিত :  ০৬:৩৫, ০৫ নভেম্বর ২০২৬

রিপাবলিকান পার্টি তিন দশকেরও বেশি সময়ের মধ্যে সবচেয়ে হতাশাজনক নির্বাচনি রাত পার করেছে । যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচনে তাদের ভরাডুবির পর দলের ভেতরে শুরু হয়েছে আত্মসমালোচনা। বিবিসি বলছে, একে অপরের ওপর দায় চাপানোর প্রবণতা দেখা গেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নির্বাচনে বড় ধাক্কার পর ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের সিদ্ধান্ত নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের ঘনিষ্ঠদের মধ্যেও দেখা যাচ্ছে মতবিরোধ। এমনকি খোদ ট্রাম্পও নির্বাচনের হারের কারণ হিসেবে ইরান যুদ্ধকে সামনে রেখেছেন।

ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ কিছু মিত্র এখন ইরান সংঘাত থেকে নিজেদের দূরে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন। এর সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য উদাহরণ ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘আমরা হেরেছি যুদ্ধের কারণে। আর এখান থেকে আমাদের কোথায় যাওয়া উচিত, সে বিষয়ে যেকোনো সৎ আলোচনা সেখান থেকেই শুরু হতে হবে।’

হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় ট্রাম্পও অনেকটা অনিচ্ছাসত্ত্বেও ভ্যান্সের বক্তব্যের সঙ্গে একমত হন। তবে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরুর সিদ্ধান্তে কোনো ভুল ছিল না বলে দাবি করেন তিনি। 

ট্রাম্প বলেন, ‘আপনি ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র পেতে দিতে পারেন না।’ সুযোগ পেলেও তিনি ভিন্ন কোনো সিদ্ধান্ত নিতেন না বলেও জানান।

ভ্যান্সের এই মন্তব্যকে অনেকেই ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে সম্ভাব্য প্রার্থিতার প্রস্তুতি হিসেবে দেখছেন। নির্বাচনে রিপাবলিকানদের এই পরাজয়ের পর ট্রাম্পের নীতির দায় থেকে নিজেকে কিছুটা দূরে সরিয়ে ভবিষ্যতের রাজনৈতিক অবস্থান শক্ত করার চেষ্টা করছেন তিনি—এমন বিশ্লেষণও রয়েছে।

অন্যদিকে, এই নির্বাচনি ফলাফলকে ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন ‘মেক আমেরিকা গ্রেট অ্যাগেইন’ (মাগা) আন্দোলনের জন্য বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে। এমনকি যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে মাগা আন্দোলনের প্রভাব কমে যাওয়ার সূচনা হতে পারে এই ফলাফলের মধ্য দিয়ে—এমন ধারণাও করছেন কেউ কেউ।

আন্তর্জাতিক এর আরও খবর