img

দুই বঙ্গকন্যা ব্রিটিশ মন্ত্রীসভায় স্থান পাওয়ায় বঙ্গবন্ধু লেখক-সাংবাদিক ফোরামের আনন্দসভা ও মিষ্টি বিতরণ

প্রকাশিত :  ২০:৫৯, ১৩ জুলাই ২০২৪
সর্বশেষ আপডেট: ২১:০৩, ১৩ জুলাই ২০২৪

দুই বঙ্গকন্যা ব্রিটিশ মন্ত্রীসভায় স্থান পাওয়ায় বঙ্গবন্ধু লেখক-সাংবাদিক ফোরামের আনন্দসভা ও মিষ্টি বিতরণ

দুই বঙ্গকন্যা  ব্রিটিশ মন্ত্রীসভায় স্থান পাওয়াতে ব্রিটেনের বাঙ্গালী কমিউনিটিতে বইছে আনন্দের বন্যা। এরই ধারাবাহিকতায় প্রতিদিনই বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে আয়োজন করা হচ্ছে আনন্দসভা ও মিষ্টি বিতরণ। গতকাল ১২জুলাই  শুক্রবার ২০২৪ লন্ডন সময় সন্ধ্যা সাতটায় বাংলা টাউনের লন্ডন বাংলা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে বঙ্গবন্ধু লেখক সাংবাদিক ফোরামের উদ্যোগে আয়োজন করা হয় আনন্দসভা ও মিষ্টি বিতরণ অনুষ্ঠানের।

বঙ্গবন্ধু লেখক সাংবাদিক ফোরামের সেক্রেটারী শাহ মোস্তাফিজুর রহমান বেলালের সঞ্চালনায়  ও সংগঠনের সভাপতি আব্দুল আব্দুল কাদির চৌধুরী মুরাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আনন্দসভায় সংগঠনের সদস্য ছাড়াও অংশ নেন বাংলা মিডিয়ার সিনিয়র সাংবাদিকবৃন্দ, রাজনীতবিদ, বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের সদস্যরা। আনন্দ সভায় অন্যানের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি আনসার আহমেদ উল্লাহ, সাবেক সভাপতি সিনিয়র সাংবাদিক মতিয়ার চৌধুরী, সিনিয়র সাংবাদিক নজরুল ইসলাম বাসন, চ্যানেল এস টিভির হেড অব নিউজ কামাল মেহদি, ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সভাপতি শাহেদ রহমান, সাংবাদিক আবু সালেহ মোঃ মাসুম, আওয়ামীলীগ নেতা আব্দুল আহাদ চৌধুরী, সাবেক কাউন্সিলার আহবাব হোসেন, সাংবাদিক মিসবাহ জামাল, সাংবাদিক রোমানা রাখি, সাংবাদিক আসাদুজ্জামান মুকুল, সাংবাদিক হেফাজুল করিম রাকিব, সাংবাদিক ফয়সল মাহমুদ, রেদওয়ান খান, জিলু খান,  এম এ মুকিত, ড. নূরুন্নবী, শওকত ফরাজি , শফিকুল আলম, সাংবাদিক  সোহাগ যাদু,  বঙ্গবন্ধু লেখক সাংবাদিক ফোরামের সদস্যদের মধ্যে সহসভাপতি বাতিরুল হক সরদার, যুগ্ম সম্পাদক আব্দুল বাছির, কোষাধ্যক্ষ কয়েছ আহমদ রুহেল, সদস্য কিটন শিকদার, সদস্য নরুন্নবী আলী, সদস্য কামরুল আই রাসেল প্রমুখ। 

আনন্দ সভায় বক্তারা বলেন, এই দুই বঙ্গনারী ব্রিটেনের মন্ত্রীসভায় স্থান পাওয়াতে ব্রিটেনের বহুজাতিক সমাজে বাঙ্গালী এবং  বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্বল হয়েছে। আমরা আশাবাদী অদূর ভবিষ্যতে হাউজ অব কমন্সে আমাদের কমিউনিটির কোন একজনকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে পাব সেদিন আর বেশী দূরে নয়। এবাযত হাউজ অব কমন্সে বাংলাদেশী বংশদ্ভোত চারজন এমপি রয়েছেন। এর থেকে টানা চার বাবের সাংসদ রোশনারা আলী  পেয়েছেন হাউজিং কমিউনিটি এবং লকেল গভর্নমেনেটর মন্ত্রনালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব।  অপরজন টানা চার মেয়োদের সাংসদ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর নাতনি টিউলিপ সিদ্দিক পেয়েছেন   ইকোনমিক সেক্রেটারি টু দ্যা ট্রেজারী এন্ড সিটি মিনিস্টারের  দায়িত্ব । 

  -সংবাদ বিজ্ঞপ্তি



কমিউনিটি এর আরও খবর

img

সাংস্কৃতিক বিনিয়োগে গোল্ডেন ভিসা দিচ্ছে পর্তুগাল

প্রকাশিত :  ০৮:১৫, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

মো : ফেরদৌস আহমাদ: আবাসন খাতে গোল্ডেন ভিসা বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর থেকে সাংস্কৃতিক বিনিয়োগের মাধ্যমে ভিসা দিচ্ছে পর্তুগাল সরকার। এক্ষেত্রে বেশকিছু বাংলাদেশিও সাংস্কৃতিক বিনিয়োগের মাধ্যমে গোল্ডেন ভিসার সুবিধা নিয়েছেন।

সাংস্কৃতিক বিনিয়োগের মাধ্যমে গোল্ডেন ভিসার সবচেয়ে বেশি সুবিধা নিয়েছেন মার্কিন নাগরিকরা। তারা মোট ১২০টি অনুদান দিয়েছেন। ৭০টি অনুদান দিয়ে তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন চীনারা।

এরপরই ৩০টি ভিসা নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে আছেন ভারতীয়রা। এ তালিকায় ব্রিটিশ, পাকিস্তানি, তুর্কি ও ইরাকি নাগরিকদের পাশাপাশি শীর্ষ দেশগুলোর কাতারে রয়েছে বাংলাদেশ, ইরান ও জর্ডান।

এছাড়া ৩৬টি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে দাতার জাতীয়তা উল্লেখ করা হয়নি।

২০২৫ সালের সরকারি তথ্য অনুযায়ী, গোল্ডেন ভিসা পাওয়ার লক্ষ্যে দেশটির সাংস্কৃতিক কর্মসূচিতে বিদেশি কোটিপতিদের অনুদানের পরিমাণ আগের বছরের তুলনায় ২৯৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৪৬ মিলিয়ন ইউরোতে পৌঁছেছে।

২০২৪ সালে এ খাতে বিনিয়োগের পরিমাণ ছিল মাত্র ১১ মিলিয়ন ইউরো। অনুদানের এই উল্লম্ফনের ফলে চলতি বছর এ প্রক্রিয়ায় বসবাসের অনুমতি পাওয়ার হারও প্রায় পাঁচ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।

সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্যমতে, এই বিশাল বিনিয়োগের বিপরীতে ২০২৫ সালে ২১১টি বসবাসের অনুমতিপত্র বা রেসিডেন্স পারমিট জারি করা হয়েছে, যা ২০২৪ সালে ছিল মাত্র ৫০টি। বর্তমানে পর্তুগিজ আইন অনুযায়ী কোনো বিদেশি নাগরিক দেশটির শিল্পকলা বা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের রক্ষণাবেক্ষণে ন্যূনতম ২ লাখ ৫০ হাজার ইউরো দান করলে এই গোল্ডেন ভিসার জন্য আবেদন করতে পারেন।

সাংস্কৃতিক অনুদান ছাড়াও অন্তত ১০টি কর্মসংস্থান সৃষ্টি অথবা ৫ লাখ ইউরো বা তার বেশি মূলধন স্থানান্তরের মাধ্যমেও পর্তুগালে গোল্ডেন ভিসার মাধ্যমে বসবাসের সুযোগ পাওয়া সম্ভব।


কমিউনিটি এর আরও খবর