img

ঈদের ছুটি বাড়ানোর দাবিতে গাজীপুরে মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ

প্রকাশিত :  ০৫:১৪, ২০ মার্চ ২০২৫

ঈদের ছুটি বাড়ানোর দাবিতে গাজীপুরে মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ

আসন্ন ঈদের ছুটি বাড়ানোর দাবিতে গাজীপুরে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন পোশাক কারখানা শ্রমিকেরা।  আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে গাজীপুরের হোতাপাড়া এলাকায় ইউটাহ নিটিং অ্যান্ড ডায়িং কারখানার শ্রমিকরা ঈদুল ফিতরের ছুটি বাড়ানোর দাবিতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করেন।

সকালে শতাধিক শ্রমিক কারখানায় কাজ বন্ধ রেখে কারখানার নিচে বিক্ষোভ শুরু করেন। পরে মহাসড়কে অবস্থান নেন। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিলে প্রায় দেড় ঘণ্টা পর যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। এ সময় মহাসড়কের দু’দিকে প্রায় ১ কিলোমিটার সড়কজুড়ে শতশত যানবাহন আটকা পড়ে।

কারখানার শ্রমিকরা জানান, এবার ঈদুল ফিতরের ছুটি ১০ দিন ঘোষণা করে কারখানা কর্তৃপক্ষ। কিন্তু গাজীপুর সদর উপজেলার হোতাপাড়া এলাকায় ইউটা কারখানার শ্রমিকরা তা মেনে নেয়নি। ঈদে ১০ দিনের ছুটির পরিবর্তে ১২ দিন ছুটির দাবি জানান শ্রমিকরা। কিন্তু শ্রমিকদের দাবি কারখানা কর্তৃপক্ষ মেনে নেয়নি। এ নিয়ে শ্রমিকদের মধ্যে ক্ষোভ ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে শ্রমিকরা হোতাপাড়া এলাকায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শ্রমিকদের মহাসড়ক থেকে সরিয়ে দেয়। পরে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। এ সময় প্রায় দেড় ঘণ্টা মহাসড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকে। এতে ভোগান্তিতে পড়ে সাধারণ মানুষ।  

জয়দেবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হালিম জানান, সারাদেশেই ঈদের ছুটি ১০ দিন করা হয়েছে। কিন্তু ইউটা কারখানার শ্রমিকরা তা না মেনে ১২ দিন ছুটির দাবি করেন। একপর্যায়ে তারা মহাসড়কটি অবরোধ করে রাখেন।


  

img

রাজধানীর কালশী বস্তির আগুন নিয়ন্ত্রণে

প্রকাশিত :  ১৭:৫৭, ২৫ মে ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১৮:৪৯, ২৫ মে ২০২৬

রাজধানীর কালশী বস্তির আগুন ২ ঘণ্টা পর নিয়ন্ত্রণে এসেছে । সোমবার (২৫ মে) রাত ৯টা ২৫ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।

এর আগে, ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে জানানো হয়, সন্ধ্যা ৭টা ২৩ মিনিটে কালশী বস্তিতে আগুন লাগার খবর পাওয়া যায়। সংবাদ পাওয়ার পরপরই ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট দ্রুততম সময়ের মধ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নির্বাপণের কাজ শুরু করে। তবে বাতাসের গতি এবং বস্তির ভেতরের দাহ্য পদার্থের কারণে আগুনের তীব্রতা চারদিকে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পরবর্তীতে পর্যায়ক্রমে ফায়ার সার্ভিসের আরও বেশ কয়েকটি ইউনিট উদ্ধারকাজে যোগ দেয়। মিডিয়া কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম জানান, প্রথমে দুটি ইউনিট কাজ শুরু করার পর আরও তিনটি ইউনিট পাঠানো হয়। এরপর একে একে আরও দুটি এবং একপর্যায়ে ১৩টি ইউনিট একসঙ্গে আগুন নিয়ন্ত্রণে অংশ নেয়। সর্বশেষ আগুনের ভয়াবহতা বিবেচনায় এনে মোট ১৫টি ইউনিট একযোগে কাজ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।

দুর্ঘটনাস্থলে আগুন নেভানোর কাজে সবচেয়ে বড় প্রতিবন্ধকতা ছিল তীব্র পানির সংকট। ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, কালশী এলাকার ওই বস্তি ও তার আশেপাশে পর্যাপ্ত পানির উৎস না থাকায় ফায়ার ফাইটারদের আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে বেশ বেগ পেতে হয়েছে এবং প্রতিকূল পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছে।

ভয়াবহ এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি বলে ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে প্রাথমিকভাবে ঠিক কী কারণে এই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে এবং কী পরিমাণের ক্ষ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।

বাংলাদেশ এর আরও খবর