img

আশুরার রাতে দেখা গেল আয়াতুল্লাহ খামেনিকে

প্রকাশিত :  ০৭:৩১, ০৬ জুলাই ২০২৫

আশুরার রাতে দেখা গেল আয়াতুল্লাহ খামেনিকে

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে শনিবার তেহরানের ইমাম খোমেনি হোসাইনিয়াতে আশুরা রাতের শোকানুষ্ঠানে অংশ নেন। শোকানুষ্ঠানে বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ এবং ইরানের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে পার্লামেন্ট স্পিকার, বিচার বিভাগের প্রধান ও ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্টও ছিলেন।

আশুরার শিক্ষা এবং সাম্প্রতিক ইসরায়েলি আগ্রাসনের প্রসঙ্গ তুলে বক্তব্য দেন হোজাতুল ইসলাম মাসউদ আলি। তিনি বলেন, কারবালার শহীদ ইমাম হোসাইনের (আ.) আত্মত্যাগ থেকে শিক্ষা নিয়ে ইরান কখনোই অন্যায়ের সামনে নতি স্বীকার করবে না।

তিনি বলেন, আশুরার শিক্ষা থেকে ইরানি জাতি ‘অপমান কখনো নয়’ এই মূলনীতি গ্রহণ করেছে এবং মিথ্যা ও জুলুমের বিরুদ্ধে লড়াই অব্যাহত রাখবে।

তিনি আরও বলেন, আয়াতুল্লাহ খামেনির নেতৃত্বে ইরান বিশ্বব্যাপী মিথ্যার বিরুদ্ধে রয়েছে। আর এ মিথ্যা জায়নবাদীদের নেতৃত্বে প্রচারিত হচ্ছে বিশ্বজুড়ে।

অনুষ্ঠানে আয়াতুল্লাহ খামেনি নিজে কোনো বক্তব্য দেননি। তবে তিনি খ্যাতিমান শোকসংগীত শিল্পী মাহমুদ কারিমিকে ডেকে নিয়ে তার কানে কিছু বলেন। পরে কারিমি জানান, খামেনি তাকে একটি বিশেষ লাইন পাঠ করতে বলেছেন: ‘তুমি থাকবে আমার আত্মা ও হৃদয়ে, হে স্বদেশ…।

প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘এক্স’-এ দেওয়া এক বার্তায় শোকানুষ্ঠানে সর্বোচ্চ নেতার উপস্থিতিতে আনন্দ প্রকাশ করেন। সেই সঙ্গে কারবালার বীর আবুল ফজল আলামদারের কাছে আয়াতুল্লাহ খামেনেয়ির নিরাপত্তা ও সুস্থতার জন্য প্রার্থনা জানান।


আন্তর্জাতিক এর আরও খবর

এফ-৩৫ ও তুরস্ক ইস্যু

img

আমি কাকে কী বিক্রি করব, সেটা কেউ ঠিক করে দেয় না: ট্রাম্প

প্রকাশিত :  ০৭:৪৩, ২৮ জুলাই ২০২৬

তুরস্কের কাছে এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান বিক্রিতে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর প্রকাশ্য আপাত্তিকে সরাসরি নাকচ করে দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ট্রাম্প স্পষ্টভাবে জানান যে ‘আমি কাকে কী বিক্রি করব, সেটা কেউ ঠিক করে দেয় না’। 

সোমবার (২৭ জুলাই) এয়ার ফোর্স ওয়ান বিমানে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় ট্রাম্প ন্যাটো মিত্র তুরস্কের প্রশংসা করেন এবং এই অবস্থান স্পষ্ট করেন। 

হোয়াইট হাউসে নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠকের মাত্র একদিন আগে ট্রাম্প তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোয়ানের সঙ্গে তাঁর চমৎকার সম্পর্কের কথা তুলে ধরেন। ইসরায়েল ও তুরস্কের মধ্যকার কূটনৈতিক টানাপোড়েন এবং নেতানিয়াহুর বিপরীত অবস্থান সত্ত্বেও ট্রাম্প তুরস্ককে শক্তিশালী সামরিক ক্ষমতার অধিকারী এক অনন্য পরাশক্তি হিসেবে অভিহিত করেন। 

এর আগে নেতানিয়াহু ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তুরস্ককে চরমপন্থী মুসলিম ব্রাদারহুড ভাবধারার অনুসারী বলে আখ্যা দিয়ে তাদের কাছে এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান বা এর ইঞ্জিন বিক্রি না করার আহ্বান জানিয়েছিলেন।

তবে ট্রাম্প এই বিমানে দেওয়া বক্তব্যে জানান যে আঙ্কারা ইসরায়েল বা নেতানিয়াহুর ভক্ত না হলেও মার্কিন পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে তারা ওয়াশিংটনের দারুণ সহযোগী। মূলত ২০২০ সালে রাশিয়ার এস-৪০০ বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কেনার অপরাধে আঙ্কারাকে আমেরিকার এফ-৩৫ কর্মসূচি থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল। ট্রাম্পের ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর সম্প্রতি মার্কিন কংগ্রেসকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছে যে তুরস্ক এখনও এস-৪০০ ব্যবস্থা সম্পর্কিত শর্ত পূরণ করতে পারেনি।

যুক্তরাষ্ট্রের কাউন্টারিং আমেরিকার অ্যাডভারসারিজ থ্রু স্যাংশনস অ্যাক্টের অধীনে থাকা এসব আইনি ও প্রশাসনিক জটিলতা এখনও পুরোপুরি না মিটলেও ট্রাম্প আঙ্কারাকে যুদ্ধবিমান প্রদানের ব্যাপারে ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করছেন। তুর্কি সরকারের ওপর থাকা এসব নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের প্রতিশ্রুতি দিলেও মার্কিন পররাষ্ট্র নীতি আপাতত আইনি শর্ত বাস্তবায়নের দিকেই নির্দেশ করছে।

সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল


আন্তর্জাতিক এর আরও খবর