img

পশ্চিমতীরে ইসরায়েলি সেটেলারদের তাণ্ডব, আগুন দিলো মসজিদে

প্রকাশিত :  ০৭:১০, ২৬ জুলাই ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ০৭:১৮, ২৬ জুলাই ২০২৬

পশ্চিমতীরে ইসরায়েলি সেটেলারদের তাণ্ডব, আগুন দিলো মসজিদে

অধিকৃত পশ্চিম তীরে রাতভর তাণ্ডব চালিয়েছে ইসরায়েলি অবৈধ বসতিস্থাপনকারী সেটেলাররা। হামলার সময় তারা নাবলুসের কুসরা গ্রামের একটি মসজিদে আগুন ধরিয়ে দেয়। পাশাপাশি মসজিদের দেয়ালে হিব্রু ভাষায় ‘প্রতিশোধ’ লিখেও যায় তারা।

অপরদিকে উত্তরপূর্ব রামাল্লার আল-মুগাইর গ্রামে সেটেলাররা ফিলিস্তিনিদের একাধিক গাড়িতে আগুন দিয়েছে। তবে সেখানে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

এছাড়া দখলদার ইসরায়েলিরা ফিলিস্তিনিদের গাড়িতে পাথর নিক্ষেপ ও বিভিন্ন সড়কও অবরোধ করেছিল।

ফিলিস্তিনি এক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা গেছে সেটেলাররা একটি গ্রামের প্রবেশদ্বারে দাঁড়িয়ে আছে। ওই সময় সেখানে একটি গাড়ি আসার পর সেটিকে গ্রামে ঢুকতে না দিয়ে জোরপূর্বক ঘুরে যেতে বাধ্য করে।

গত শুক্রবার সকালে পশ্চিমতীরের তেল নামে একটি গ্রামে অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে যায় ইসরায়েলি সেটেলাররা। ওই সময় ফিলিস্তিনিদের ওপর হামলা চালায় তারা। এর জবাব দিতে এক ফিলিস্তিনি অস্ত্র ছিনিয়ে নিয়ে দুই ইসরায়েলিকে হত্যা করে। অপরদিকে ইসরায়েলিদের গুলিতে প্রাণ হারান চার ফিলিস্তিনি।

দখলদার ইসরায়েল নিহত এসব ফিলিস্তিনিকে সন্ত্রাসী হিসেবে অভিহিত করেছে। যদিও তারা তাদের গ্রামে ছিলেন এবং ইসরায়েলিদের থেকে নিজেদের গ্রামকে রক্ষা করতে চেয়েছিলেন। অপরদিকে অস্ত্র নিয়ে যাওয়া ইসরায়েলিদের ভিক্টিম হিসেবে প্রচার করা হচ্ছে।

আন্তর্জাতিক এর আরও খবর

img

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সবচেয়ে বড় দাবানলে পুড়ছে ফ্রান্স

প্রকাশিত :  ০৯:৩৪, ২৬ জুলাই ২০২৬

ফ্রান্সের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ভয়াবহ দাবানলে এখন পর্যন্ত দুই লাখ ২০ হাজারের বেশি মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। রোববার ফরাসি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এটি দেশটির সবচেয়ে বড় দাবানলগুলোর একটিতে পরিণত হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সংশ্লিষ্ট এলাকায় মহাসড়ক ও রেলপথ বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

বন্দর নগরী বোর্দোর আশপাশের গ্রাম থেকে ৫০ হাজারের বেশি মানুষকে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রবল বাতাসে আগুন ছড়িয়ে পড়ায়, বোর্দো থেকে স্পেন সীমান্ত পর্যন্ত মহাসড়কের ৬০ কিলোমিটার অংশ বন্ধ রাখা হয়েছে। শহরটিতে ট্রেন চলাচলও বন্ধ আছে।

রোববার লা ট্রিবিউন পত্রিকায় প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরঁ নুন্যেস বলেছেন, আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে অনেক সময় লাগবে। ফলে যেসব বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছে, তাদের নিজ এলাকায় ফেরার কোনো সুযোগ নেই।

আঞ্চলিক প্রশাসন জানিয়েছে, এই আগুনে এখন পর্যন্ত ৪২ হাজার হেক্টর জমি পুড়ে গেছে। এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ফ্রান্সের সবচেয়ে বড় দাবানলগুলোর একটিতে পরিণত হয়েছে। ১৯৪৯ সালের একটি দাবানলে প্রায় ৫০ হাজার হেক্টর জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।

ঘণ্টার পর ঘণ্টা আগুন নেভানোর চেষ্টা করা দমকলকর্মীদের সাহায্য করতে ফরাসি সেনাবাহিনী দেড় হাজার সেনা পাঠিয়েছে। তারা প্রায় এক সপ্তাহ ধরে আগুন নেভানোর চেষ্টা করছেন। অভিযানের অন্যতম নেতা ও দমকল বাহিনীর ক্যাপ্টেন নিকোলা ব্রাজ বলেন, তাপের কারণে খুবই উত্তপ্ত বাতাস তৈরি হচ্ছে। এতে দাবানল অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠেছে।