img

ইসফাকের জায়গায় বিসিবির পরিচালক রুবাবা দৌলা

প্রকাশিত :  ০৯:৫০, ০৭ অক্টোবর ২০২৫

ইসফাকের জায়গায় বিসিবির পরিচালক রুবাবা দৌলা

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালনা পর্ষদে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) মনোনীত দুই পরিচালকের একজন হয়েছিলেন ব্যবসায়ী ইসফাক আহসান। তবে গতকাল সোমবার (৬ অক্টোবর) বিসিবির নির্বাচনের পর রাতেই সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে এনএসসি। আওয়ামী লীগ–সংশ্লিষ্টতার কারণে ইসফাকের মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়।

সফাকের জায়গায় এনএসসি মনোনীত বিসিবির পরিচালক হচ্ছেন করপোরেট ব্যক্তিত্ব ও নারী ক্রীড়া সংগঠক রুবাবা দৌলা। বিশ্বস্ত একটি সূত্র তথ্যটি নিশ্চিত করেছে। বিসিবিতে রুবাবা দৌলা মহিলা উইংয়ের দায়িত্ব নিতে পারেন।

রুবাবা দৌলা বর্তমানে বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান ওরাকল বাংলাদেশ–নেপাল–ভুটানের কান্ট্রি ডিরেক্টরের দায়িত্বে আছেন। এর আগে তিনি টেলিকম সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান গ্রামীণফোন ও এয়ারটেলের শীর্ষ পর্যায়ে কাজ করেছেন।

গ্রামীণফোনের কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকাকালীন বাংলাদেশের ক্রিকেটাঙ্গনে পরিচিত মুখ ছিলেন রুবাবা দৌলা

খেলাধুলার সঙ্গেও সম্পৃক্ত ছিলেন রুবাবা দৌলা। ২০০৯ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ ব্যাডমিন্টন ফেডারেশনের সভাপতির দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি বাংলাদেশ স্পেশাল অলিম্পিকসের বোর্ড সদস্যও ছিলেন তিনি।

এছাড়া রুবাবা দৌলা গ্রামীণফোনের প্রধান যোগাযোগ কর্মকর্তা ও প্রধান বিপণন কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৮ থেকে ২০০৯ পর্যন্ত তিনি এই প্রতিষ্ঠানে থাকাকালে পৃষ্ঠপোষক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি হিসেবে বাংলাদেশের ক্রিকেটাঙ্গনেও পরিচিত মুখ ছিলেন।

খুলনাকে হারিয়ে প্রথম জয়ের স্বাদ নিল সিলেট

img

‘হিলাল-ই-ইমতিয়াজ’ সম্মানে ভূষিত শহীদ আফ্রিদি

প্রকাশিত :  ১২:৩৫, ১৪ মে ২০২৬

পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দলে দীর্ঘদিনের অসামান্য সেবার স্বীকৃতিস্বরূপ সাবেক অধিনায়ক ও অলরাউন্ডার শহীদ আফ্রিদিকে দেশটির দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার \'হিলাল-ই-ইমতিয়াজ\'-এ ভূষিত করা হয়েছে।

বুধবার আইওয়ান-ই-সদরে আয়োজিত এক জমকালো অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি আসিফ আলি জারদারি তাকে এই সম্মাননা প্রদান করেন।

২০০৯ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ে পাকিস্তানের ঐতিহাসিক সাফল্যে আফ্রিদির অসামান্য ভূমিকার কথা এ সম্মাননায় বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া ইংল্যান্ডের কাউন্টি ক্রিকেট এবং ‘ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপ অব লিজেন্ডস’-এ তার নেতৃত্বের অবদানের স্বীকৃতিও দেওয়া হয়েছে এ পদকের মাধ্যমে।

সম্মাননা গ্রহণের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) নিজের অনুভূতি প্রকাশ করেন আফ্রিদি। তিনি লেখেন, রাষ্ট্রপতির কাছ থেকে এ সম্মাননা গ্রহণ করা তার জন্য অত্যন্ত গর্বের। এটি কেবল তার একার অর্জন নয় বরং পুরো পাকিস্তানি জাতির অর্জন। 

তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, তার দীর্ঘ ক্যারিয়ারে সাধারণ মানুষের ভালোবাসা, প্রার্থনা এবং অকুণ্ঠ সমর্থনেরই প্রতিফলন এ পদক। উদার মনের এই ক্রিকেটার এ সম্মাননা উৎসর্গ করেছেন পাকিস্তানের বীর শহীদদের প্রতি। 

তিনি বলেন, ‘দেশের জন্য যারা জীবন উৎসর্গ করেছেন, তাদের ত্যাগের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানিয়ে আমি এ পদক উৎসর্গ করছি’।সবশেষে তিনি পাকিস্তানের নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধির জন্য দোয়া করেন।