img

মাওলানা আব্দুল আজিজ সিদ্দিকীর ইন্তেকালে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম ইউকের গভীর শোক প্রকাশ

প্রকাশিত :  ০৮:৩৫, ৩০ অক্টোবর ২০২৫

মাওলানা আব্দুল আজিজ সিদ্দিকীর ইন্তেকালে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম ইউকের গভীর শোক প্রকাশ

ইউরোপ জমিয়তের সহ-সভাপতি, বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন মাওলানা আব্দুল আজিজ সিদ্দিকীর ইন্তেকালে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম ইউকের পক্ষ থেকে গভীর শোক প্রকাশ করা হয়েছে।

মাওলানা আব্দুল আজিজ সিদ্দিকী ছিলেন একজন নিবেদিতপ্রাণ আলেম এবং প্রবাসে ইসলামের শিক্ষা ও সংগঠনের এক অগ্রণী ব্যক্তিত্ব। ইউরোপে অবস্থান করেও তিনি বাংলাদেশের ইসলামি রাজনীতি ও সমাজকল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। তাঁর খিদমাত, দিকনির্দেশনা এবং ধার্মিক জীবন আমাদের কাছে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

বুধবার, ২৯ অক্টোবর, গণমাধ্যমে প্রেরিত শোকবার্তায় জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম ইউকের প্রধান উপদেষ্টা মাওলানা শায়খ আসগর হুসাইন, সভাপতি ড. মাওলানা শুয়াইব আহমদ, সিনিয়র সহ-সভাপতি মুফতি আব্দুল মুনতাকিম, সহ-সভাপতি হাফিজ মাওলানা সৈয়দ তাছাদ্দুক আহমদ, মাওলানা ফখরুদ্দিন ছাদিক, মাওলানা আমিনুল ইসলাম, হাফিজ সৈয়দ তামীম আহমদ, হাফিজ হোসাইন আহমদ বিশ্বনাথী, মাওলানা আশফাকুর রহমান, সেক্রেটারি মাওলানা সৈয়দ নাঈম আহমদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা শামছুল আলম কিয়ামপুরী, জয়েন্ট সেক্রেটারি হাফিজ মাওলানা ইলিয়াছ, মুফতি শাহ হিফজুল করীম মাশুক, মাওলানা আখতারুজ্জামান, সহ-সেক্রেটারি মুফতি সৈয়দ রিয়াজ আহমদ, হাফিজ জিয়া উদ্দিন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা নাজমুল হাসান, হাফিজ মাওলানা মাছুম আহমদ, মাওলানা মঈন উদ্দিন খান, মাওলানা আব্দুল গাফফার, ট্রেজারার হাফিজ রশীদ আহমদ, প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাওলানা ওলীউর রহমান, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা খালেদ আহমদ, প্রচার সম্পাদক মাওলানা শামছুল ইসলাম, সহ-প্রচার সম্পাদক হাফিজ মাওলানা আব্দুল হাই এবং মিডিয়া সেক্রেটারি আরিফুল ইসলাম গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করেছেন।

নেতৃবৃন্দ বলেন, “আমরা মহান আল্লাহর দরবারে দোয়া করি, আল্লাহ তাআলা মরহুমকে জান্নাতুল ফেরদৌসের উচ্চতম স্থান দান করুন, কবরকে জান্নাতের বাগান বানিয়ে দিন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের ধৈর্য ও সহনশীলতা ধারনের তাওফিক দিন।”


কমিউনিটি এর আরও খবর

img

সাংস্কৃতিক বিনিয়োগে গোল্ডেন ভিসা দিচ্ছে পর্তুগাল

প্রকাশিত :  ০৮:১৫, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

মো : ফেরদৌস আহমাদ: আবাসন খাতে গোল্ডেন ভিসা বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর থেকে সাংস্কৃতিক বিনিয়োগের মাধ্যমে ভিসা দিচ্ছে পর্তুগাল সরকার। এক্ষেত্রে বেশকিছু বাংলাদেশিও সাংস্কৃতিক বিনিয়োগের মাধ্যমে গোল্ডেন ভিসার সুবিধা নিয়েছেন।

সাংস্কৃতিক বিনিয়োগের মাধ্যমে গোল্ডেন ভিসার সবচেয়ে বেশি সুবিধা নিয়েছেন মার্কিন নাগরিকরা। তারা মোট ১২০টি অনুদান দিয়েছেন। ৭০টি অনুদান দিয়ে তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন চীনারা।

এরপরই ৩০টি ভিসা নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে আছেন ভারতীয়রা। এ তালিকায় ব্রিটিশ, পাকিস্তানি, তুর্কি ও ইরাকি নাগরিকদের পাশাপাশি শীর্ষ দেশগুলোর কাতারে রয়েছে বাংলাদেশ, ইরান ও জর্ডান।

এছাড়া ৩৬টি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে দাতার জাতীয়তা উল্লেখ করা হয়নি।

২০২৫ সালের সরকারি তথ্য অনুযায়ী, গোল্ডেন ভিসা পাওয়ার লক্ষ্যে দেশটির সাংস্কৃতিক কর্মসূচিতে বিদেশি কোটিপতিদের অনুদানের পরিমাণ আগের বছরের তুলনায় ২৯৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৪৬ মিলিয়ন ইউরোতে পৌঁছেছে।

২০২৪ সালে এ খাতে বিনিয়োগের পরিমাণ ছিল মাত্র ১১ মিলিয়ন ইউরো। অনুদানের এই উল্লম্ফনের ফলে চলতি বছর এ প্রক্রিয়ায় বসবাসের অনুমতি পাওয়ার হারও প্রায় পাঁচ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।

সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্যমতে, এই বিশাল বিনিয়োগের বিপরীতে ২০২৫ সালে ২১১টি বসবাসের অনুমতিপত্র বা রেসিডেন্স পারমিট জারি করা হয়েছে, যা ২০২৪ সালে ছিল মাত্র ৫০টি। বর্তমানে পর্তুগিজ আইন অনুযায়ী কোনো বিদেশি নাগরিক দেশটির শিল্পকলা বা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের রক্ষণাবেক্ষণে ন্যূনতম ২ লাখ ৫০ হাজার ইউরো দান করলে এই গোল্ডেন ভিসার জন্য আবেদন করতে পারেন।

সাংস্কৃতিক অনুদান ছাড়াও অন্তত ১০টি কর্মসংস্থান সৃষ্টি অথবা ৫ লাখ ইউরো বা তার বেশি মূলধন স্থানান্তরের মাধ্যমেও পর্তুগালে গোল্ডেন ভিসার মাধ্যমে বসবাসের সুযোগ পাওয়া সম্ভব।


কমিউনিটি এর আরও খবর